১০:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ, সক্ষমতা আরও জোরালো করল পাকিস্তান সেনাবাহিনী বৃষ্টিতে ডুবল চট্টগ্রাম, বুকসমান পানিতে অচল সড়ক—দুর্ভোগে নগরবাসী যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য ঊর্ধ্বমুখী, ২০২৬ সালে বাড়তে পারে ১৬% চট্টগ্রামে চার সামাজিক সংগঠনের হাতে ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার অনুদান, তৃণমূলে উন্নয়নে জোর নেগেরি সেম্বিলানে ক্ষমতার টানাপোড়েন, আনোয়ার জোটে নতুন সংকট ‘দেশে জঙ্গি নেই’—এই বক্তব্য ভুল, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে: তথ্য উপদেষ্টা খালি পেটে ৪ ঘরোয়া পানীয়, ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহজ অভ্যাস স্বামীর ছুরিকাঘাতে সিলেটে গৃহবধূ নিহত, অভিযুক্ত পলাতক ২০২৬ সালের সেরা বইগুলো: ‘কিন’, ‘লন্ডন ফলিং’সহ আরও কিছু আলোচিত বই অ্যানজ্যাক ডেতে একাই হাজির কেট মিডলটন, নজর কাড়ল বিরল রাজকীয় গয়নার গল্প

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২৩)

তার পর হিউ এনচাঙ গঙ্গাতীরে ইরিনপর্বতে এলেন। বর্তমান মুঙ্গেরের নাম ছিল ইরিন বা অনুর্বর পর্বত। সে সময়ে এখানে দশটা সঙ্ঘারাম আর হীনযানের সর্বাস্তবাদিন শাখার দশ হাজার ভিক্ষু ছিলেন। ৬৩৮ খৃস্টাব্দের গ্রীষ্মকালটা হিউএনচাঙ এই মত শিক্ষা করবার জন্যে এখানে ছিলেন।

বাংলাদেশে যাতায়াতের জন্যে নদীপথই সবচেয়ে সুবিধার ছিল। মুঙ্গের থেকে হিউ এনচাঙ নিশ্চয়ই নৌকা-যোগেই বাংলা দেশে এসেছিলেন। মুঙ্গের ছেড়ে তিনি প্রথমে এলেন চম্পাদেশে (আধুনিক ভাগলপুর)।

চম্পার দক্ষিণে এ সময়ে গহন বন ছিল আর তাতে শত শত হাতী, গণ্ডার, নেকড়ে বাঘ আর কালো চিতাবাঘ বিচরণ করত। এই প্রসঙ্গে হিউ-এনচাঙ বলেন যে, বাংলাদেশের রাজাদের শত শত যুদ্ধহস্তী ছিল।

চম্পা থেকে নদীপথে নব্বই মাইল ভাটিতে আধুনিক রাজমহলের কাছে কজঙ্গল নামে এক নগর ছিল। এখানে মহারাজা হর্ষবর্ধনের একটি প্রাসাদ ছিল। তিনি অনেক সময়ে এখানে থাকতেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২২)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২২)

ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ, সক্ষমতা আরও জোরালো করল পাকিস্তান সেনাবাহিনী

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২৩)

০৯:০০:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

তার পর হিউ এনচাঙ গঙ্গাতীরে ইরিনপর্বতে এলেন। বর্তমান মুঙ্গেরের নাম ছিল ইরিন বা অনুর্বর পর্বত। সে সময়ে এখানে দশটা সঙ্ঘারাম আর হীনযানের সর্বাস্তবাদিন শাখার দশ হাজার ভিক্ষু ছিলেন। ৬৩৮ খৃস্টাব্দের গ্রীষ্মকালটা হিউএনচাঙ এই মত শিক্ষা করবার জন্যে এখানে ছিলেন।

বাংলাদেশে যাতায়াতের জন্যে নদীপথই সবচেয়ে সুবিধার ছিল। মুঙ্গের থেকে হিউ এনচাঙ নিশ্চয়ই নৌকা-যোগেই বাংলা দেশে এসেছিলেন। মুঙ্গের ছেড়ে তিনি প্রথমে এলেন চম্পাদেশে (আধুনিক ভাগলপুর)।

চম্পার দক্ষিণে এ সময়ে গহন বন ছিল আর তাতে শত শত হাতী, গণ্ডার, নেকড়ে বাঘ আর কালো চিতাবাঘ বিচরণ করত। এই প্রসঙ্গে হিউ-এনচাঙ বলেন যে, বাংলাদেশের রাজাদের শত শত যুদ্ধহস্তী ছিল।

চম্পা থেকে নদীপথে নব্বই মাইল ভাটিতে আধুনিক রাজমহলের কাছে কজঙ্গল নামে এক নগর ছিল। এখানে মহারাজা হর্ষবর্ধনের একটি প্রাসাদ ছিল। তিনি অনেক সময়ে এখানে থাকতেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২২)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২২)