০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
চাঁদের স্বপ্ন বাস্তবে: ১০টি দেশে ল্যান্ড করবে বিশাল লুনার থিম রিসোর্ট সর্বকালের সবচেয়ে মহান প্রেমকাহিনী, যা একই সঙ্গে সবচেয়ে অদ্ভুত শান্তিচেতা নেতা ডাক দিয়েছিলেন অস্ত্র কেনার মাধ্যমে অভ্যুত্থান ঘটাতে, এখন তাকে কারাদণ্ড চিকিৎসা ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ বদলে দিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: চিকিৎসকের ভূমিকা কি সংকটে? আটককৃত অভিবাসীদের স্বাস্থ্যসেবায় চরম অবহেলা, অভিযোগ করেকিভিকের বিরুদ্ধে ইউরোপে অনুবাদকদের কাজের জন্য হুমকি: এআই-এর উত্থান ও শিল্পে পরিবর্তনের সম্ভাবনা ইন্দোনেশিয়ার পর্যটক ভিসা, সিঙ্গাপুরে ফিলিপিনো , এশিয়ার ৭টি হাইলাইট ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু আলোচনা: হরমুজ প্রণালী অর্ধেক বন্ধ, উত্তেজনার মধ্যেই জেনেভার কূটনৈতিক বৈঠক চীনের অজানা ট্রাক নির্মাতার ওপর এক ঝুঁকিপূর্ণ বাজি কীভাবে দক্ষিণ আফ্রিকায় সফল হল ইরানে নজরদারির জাল আরও বিস্তৃত, মোবাইলের তথ্য আর মুখ চিনে ধরপাকড়ে নতুন কৌশল

কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় দেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

  • Sarakhon Report
  • ০৭:৫৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৪
  • 156

নিজস্ব সংবাদদাতা: কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ১৯৭তম পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল ) সকাল ১০টায় এ ঈদের নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা সোয়াইব বিন আঃ রউফ।

রেওয়াজ অনুযায়ী, জামাত শুরুর আগে মুসল্লিদের সংকেত দিতে শর্টগানের ছয়টি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। ৩টি জামাত শুরুর ৫ মিনিট আগে, ২টি ৩ মিনিট আগে এবং শেষটি জামাত শুরুর ১ মিনিট আগে ছোড়া হয়।

বড় ঈদগাহ, বড় জামাত। বেশি মুসল্লির সঙ্গে জামাত আদায় করলে দোয়া কবুল হয়-এমন আকর্ষণে সকাল থেকেই এ ঈদ জামাতে নামাজ আদায়ের জন্য কিশোরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে এসেছেন মুসল্লিরা।

এছাড়াও দূর-দূরান্তের মুসল্লিদের ঈদগাহ মাঠে আসার সুবিধার্থে ময়মনসিংহ ও ভৈরব থেকে দুইটি স্পেশাল ট্রেন যাতায়াত করে।

এদিকে, ঈদগাহ ময়দানে মুসল্লিদের প্রবেশের জন্য ৫টি প্রবেশপথ উন্মুক্ত রাখা হয়। এসব প্রবেশপথে স্থাপিত আর্চওয়ে দিয়ে মুসল্লিরা শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে ঈদগাহে প্রবেশ করেন।

ঈদের নামাজ শেষে মাওলানা সোয়াইব বিন আঃ রউফ দেশ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি-কল্যাণ ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ রাসেল শেখ, কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মাহমুদ পারভেজ, শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আবু রাসেল সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতা ও সুধীজন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানকে ঘিরে গড়ে তোলা হয় কয়েক স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিশোরগঞ্জ শহর এবং আশেপাশের এলাকায় বাড়ানো হয় গোয়েন্দা নজরদারি। বিজিবি, র‌্যাব, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েক হাজার সদস্য দিয়ে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয় শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানকে।

এছাড়াও সিসি ক্যামেরা, ড্রোন ক্যামেরা ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে ঈদগাহের ভেতর ও বাহিরের এলাকা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হয়।

স্থানীয়দের মতে, ১৮২৮ সালে এই মাঠে ঈদের জামাতে সোয়া লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছিলেন। সেই থেকে এ মাঠের নাম হয় ‘সোয়া লাখিয়া’, এরপর ধীরে ধীরে সেই ‘সোয়া লাখিয়া’ পরিচিত হয়ে ওঠে শোলাকিয়া নামে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদের স্বপ্ন বাস্তবে: ১০টি দেশে ল্যান্ড করবে বিশাল লুনার থিম রিসোর্ট

কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় দেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

০৭:৫৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৪

নিজস্ব সংবাদদাতা: কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ১৯৭তম পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল ) সকাল ১০টায় এ ঈদের নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা সোয়াইব বিন আঃ রউফ।

রেওয়াজ অনুযায়ী, জামাত শুরুর আগে মুসল্লিদের সংকেত দিতে শর্টগানের ছয়টি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। ৩টি জামাত শুরুর ৫ মিনিট আগে, ২টি ৩ মিনিট আগে এবং শেষটি জামাত শুরুর ১ মিনিট আগে ছোড়া হয়।

বড় ঈদগাহ, বড় জামাত। বেশি মুসল্লির সঙ্গে জামাত আদায় করলে দোয়া কবুল হয়-এমন আকর্ষণে সকাল থেকেই এ ঈদ জামাতে নামাজ আদায়ের জন্য কিশোরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে এসেছেন মুসল্লিরা।

এছাড়াও দূর-দূরান্তের মুসল্লিদের ঈদগাহ মাঠে আসার সুবিধার্থে ময়মনসিংহ ও ভৈরব থেকে দুইটি স্পেশাল ট্রেন যাতায়াত করে।

এদিকে, ঈদগাহ ময়দানে মুসল্লিদের প্রবেশের জন্য ৫টি প্রবেশপথ উন্মুক্ত রাখা হয়। এসব প্রবেশপথে স্থাপিত আর্চওয়ে দিয়ে মুসল্লিরা শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে ঈদগাহে প্রবেশ করেন।

ঈদের নামাজ শেষে মাওলানা সোয়াইব বিন আঃ রউফ দেশ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি-কল্যাণ ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ রাসেল শেখ, কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মাহমুদ পারভেজ, শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আবু রাসেল সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতা ও সুধীজন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানকে ঘিরে গড়ে তোলা হয় কয়েক স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিশোরগঞ্জ শহর এবং আশেপাশের এলাকায় বাড়ানো হয় গোয়েন্দা নজরদারি। বিজিবি, র‌্যাব, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েক হাজার সদস্য দিয়ে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয় শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানকে।

এছাড়াও সিসি ক্যামেরা, ড্রোন ক্যামেরা ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে ঈদগাহের ভেতর ও বাহিরের এলাকা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হয়।

স্থানীয়দের মতে, ১৮২৮ সালে এই মাঠে ঈদের জামাতে সোয়া লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছিলেন। সেই থেকে এ মাঠের নাম হয় ‘সোয়া লাখিয়া’, এরপর ধীরে ধীরে সেই ‘সোয়া লাখিয়া’ পরিচিত হয়ে ওঠে শোলাকিয়া নামে।