০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রান্তিক নাটকের মায়াবী উপাসিকা অ্যাঞ্জেলিকা লিডেলের মৃত্যু রচনা: ‘ত্রয়ী শেষকৃত্য’-এ উন্মোচিত নতুন অনুভূতি নির্বাচন আগে তৃণমূলের নিরাপত্তা পরীক্ষা: কমিশনের কঠোর নির্দেশের নেপথ্য মহাকাব্যের নারীরা নতুন দৃষ্টিতে: ‘রেবেল রানিস’ উন্মোচন করছে নারীর নিজের কাহিনি ইরান সংসদ স্পিকারের বিদ্রূপ: ‘রিজিম চেঞ্জ থেকে নেমে এসেছে হেই কেউ কি পাইলট খুঁজে পাচ্ছ প্লিজ?’ চীনের নীতি বদল: অর্থনীতি নয়, এখন কর্তৃত্ব ও আনুগত্যই মূল লক্ষ্য ট্রাম্পের মন্তব্য: যুদ্ধ চলতে পারে কয়েক সপ্তাহ, নিখোঁজ বিমানচালকের বিষয় চুক্তিতে প্রভাব ফেলবে না যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করল ইরান, নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই হাজার ৫৪ বছর পর মানুষ আবার চাঁদের পথে, আর্টেমিস-২ অর্ধেক পথ পেরিয়েছে ইরানের একমাত্র কার্যকরী পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে হামলা: নিরাপত্তা কর্মী নিহত, ইরান সতর্ক ইরানি আকাশে ধ্বংসপ্রাপ্ত F-15E যুদ্ধবিমানের ক্রু উদ্ধার অভিযান

কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় দেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

  • Sarakhon Report
  • ০৭:৫৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৪
  • 173

নিজস্ব সংবাদদাতা: কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ১৯৭তম পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল ) সকাল ১০টায় এ ঈদের নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা সোয়াইব বিন আঃ রউফ।

রেওয়াজ অনুযায়ী, জামাত শুরুর আগে মুসল্লিদের সংকেত দিতে শর্টগানের ছয়টি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। ৩টি জামাত শুরুর ৫ মিনিট আগে, ২টি ৩ মিনিট আগে এবং শেষটি জামাত শুরুর ১ মিনিট আগে ছোড়া হয়।

বড় ঈদগাহ, বড় জামাত। বেশি মুসল্লির সঙ্গে জামাত আদায় করলে দোয়া কবুল হয়-এমন আকর্ষণে সকাল থেকেই এ ঈদ জামাতে নামাজ আদায়ের জন্য কিশোরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে এসেছেন মুসল্লিরা।

এছাড়াও দূর-দূরান্তের মুসল্লিদের ঈদগাহ মাঠে আসার সুবিধার্থে ময়মনসিংহ ও ভৈরব থেকে দুইটি স্পেশাল ট্রেন যাতায়াত করে।

এদিকে, ঈদগাহ ময়দানে মুসল্লিদের প্রবেশের জন্য ৫টি প্রবেশপথ উন্মুক্ত রাখা হয়। এসব প্রবেশপথে স্থাপিত আর্চওয়ে দিয়ে মুসল্লিরা শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে ঈদগাহে প্রবেশ করেন।

ঈদের নামাজ শেষে মাওলানা সোয়াইব বিন আঃ রউফ দেশ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি-কল্যাণ ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ রাসেল শেখ, কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মাহমুদ পারভেজ, শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আবু রাসেল সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতা ও সুধীজন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানকে ঘিরে গড়ে তোলা হয় কয়েক স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিশোরগঞ্জ শহর এবং আশেপাশের এলাকায় বাড়ানো হয় গোয়েন্দা নজরদারি। বিজিবি, র‌্যাব, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েক হাজার সদস্য দিয়ে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয় শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানকে।

এছাড়াও সিসি ক্যামেরা, ড্রোন ক্যামেরা ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে ঈদগাহের ভেতর ও বাহিরের এলাকা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হয়।

স্থানীয়দের মতে, ১৮২৮ সালে এই মাঠে ঈদের জামাতে সোয়া লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছিলেন। সেই থেকে এ মাঠের নাম হয় ‘সোয়া লাখিয়া’, এরপর ধীরে ধীরে সেই ‘সোয়া লাখিয়া’ পরিচিত হয়ে ওঠে শোলাকিয়া নামে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রান্তিক নাটকের মায়াবী উপাসিকা অ্যাঞ্জেলিকা লিডেলের মৃত্যু রচনা: ‘ত্রয়ী শেষকৃত্য’-এ উন্মোচিত নতুন অনুভূতি

কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় দেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

০৭:৫৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৪

নিজস্ব সংবাদদাতা: কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ১৯৭তম পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল ) সকাল ১০টায় এ ঈদের নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা সোয়াইব বিন আঃ রউফ।

রেওয়াজ অনুযায়ী, জামাত শুরুর আগে মুসল্লিদের সংকেত দিতে শর্টগানের ছয়টি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। ৩টি জামাত শুরুর ৫ মিনিট আগে, ২টি ৩ মিনিট আগে এবং শেষটি জামাত শুরুর ১ মিনিট আগে ছোড়া হয়।

বড় ঈদগাহ, বড় জামাত। বেশি মুসল্লির সঙ্গে জামাত আদায় করলে দোয়া কবুল হয়-এমন আকর্ষণে সকাল থেকেই এ ঈদ জামাতে নামাজ আদায়ের জন্য কিশোরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে এসেছেন মুসল্লিরা।

এছাড়াও দূর-দূরান্তের মুসল্লিদের ঈদগাহ মাঠে আসার সুবিধার্থে ময়মনসিংহ ও ভৈরব থেকে দুইটি স্পেশাল ট্রেন যাতায়াত করে।

এদিকে, ঈদগাহ ময়দানে মুসল্লিদের প্রবেশের জন্য ৫টি প্রবেশপথ উন্মুক্ত রাখা হয়। এসব প্রবেশপথে স্থাপিত আর্চওয়ে দিয়ে মুসল্লিরা শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে ঈদগাহে প্রবেশ করেন।

ঈদের নামাজ শেষে মাওলানা সোয়াইব বিন আঃ রউফ দেশ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি-কল্যাণ ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ রাসেল শেখ, কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মাহমুদ পারভেজ, শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আবু রাসেল সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতা ও সুধীজন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানকে ঘিরে গড়ে তোলা হয় কয়েক স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিশোরগঞ্জ শহর এবং আশেপাশের এলাকায় বাড়ানো হয় গোয়েন্দা নজরদারি। বিজিবি, র‌্যাব, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েক হাজার সদস্য দিয়ে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয় শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানকে।

এছাড়াও সিসি ক্যামেরা, ড্রোন ক্যামেরা ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে ঈদগাহের ভেতর ও বাহিরের এলাকা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হয়।

স্থানীয়দের মতে, ১৮২৮ সালে এই মাঠে ঈদের জামাতে সোয়া লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছিলেন। সেই থেকে এ মাঠের নাম হয় ‘সোয়া লাখিয়া’, এরপর ধীরে ধীরে সেই ‘সোয়া লাখিয়া’ পরিচিত হয়ে ওঠে শোলাকিয়া নামে।