০৭:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
হাইলাইট: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণরুম–গেস্টরুম বন্ধ হয়েছে, ‘ট্যাগ’ দিয়ে নির্যাতন থামেনি ‘ফেডএক্স পার্সেলে মাদক’-ফোনকলেই ফাঁদে পড়লেন ভারতীয় কৌতুকশিল্পী চীন-রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র: নতুন এক ত্রিভুজ রাজনীতির সূচনা? গাজার নীরব কারাগার আর বিশ্বের বিবেকহীনতা রুপির সংকট শুধু মুদ্রার নয়, আস্থারও পরীক্ষা ঢাকার পশুর হাট ইজারায় বিএনপির প্রাধান্য, প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে জামায়াত বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ধবলধোলাই, তাইজুলের ঘূর্ণিতে পাকিস্তানকে ২-০ ব্যবধানে হারাল টাইগাররা শান্তিনগরের শপিং মলে আগুন, দগ্ধ চারজন হাসপাতালে ভারতে ৪৮ ডিগ্রি তাপমাত্রায় অচল বান্দা, সকাল ১০টার পরই থেমে যায় জনজীবন তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কে ভয়াবহ ধস, উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগে বড় শঙ্কা

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ডিসেম্বর মাসে ভারত সফরে আসবেন

সফরের ঘোষণা
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ডিসেম্বর মাসে ভারত সফরে আসবেন বলে শুক্রবার জানালেন ক্রেমলিনের পররাষ্ট্র নীতি উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ। তিনি জানান, এই সফরের প্রস্তুতি নিয়েই পুতিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন।

তিয়ানজিনে প্রথম সাক্ষাৎ
চীনের তিয়ানজিন শহরে আগামী ১ সেপ্টেম্বর সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) প্লাস বৈঠকের পর পুতিন ও মোদির মধ্যে আলাপ হবে। উশাকভ সাংবাদিকদের বলেন, “এসসিও প্লাস বৈঠকের পরপরই আমাদের প্রেসিডেন্ট ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন। বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলো: ডিসেম্বরে আমাদের প্রেসিডেন্টের ভারত সফরের প্রস্তুতি এ বৈঠকে আলোচিত হবে।”

তিনি আরও জানান, এ বছর এটিই দুই নেতার প্রথম মুখোমুখি সাক্ষাৎ হলেও তারা নিয়মিত ফোনে যোগাযোগ রেখেছেন।

কৌশলগত সম্পর্কের গুরুত্ব
উশাকভ বলেন, “আমাদের দুই দেশ বিশেষ কৌশলগত অংশীদারিত্বে আবদ্ধ। এ বিষয়ে ২০১০ সালের ডিসেম্বরে একটি যৌথ ঘোষণা গৃহীত হয়েছিল। সেই হিসেবে এ বছর হচ্ছে ওই ঘোষণার ১৫ বছর পূর্তি।”

মোদির সাম্প্রতিক রাশিয়া সফর
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গত বছর রাশিয়া সফর করেছিলেন দুবার, বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে এবং কাজানে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে। ডিসেম্বর মাসে পুতিনও ভারতে আসবেন বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য চাপ
এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক দ্বিগুণ করে ৫০ শতাংশে বাড়িয়েছেন। পাশাপাশি রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল কেনার কারণে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্কও আরোপ করেছেন।

ভারতের অবস্থান
ভারত বরাবরই বলছে, তাদের জ্বালানি আমদানি জাতীয় স্বার্থ ও বাজারচাহিদার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। রাশিয়া এখন ভারতের সবচেয়ে বড় জ্বালানি সরবরাহকারী, বিশেষ করে ইউক্রেন আক্রমণের পর পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে এই সরবরাহ আরও বেড়ে যায়।

সামগ্রিক প্রেক্ষাপট
ডিসেম্বরে পুতিনের সফর শুধু বার্ষিক সম্মেলনেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের ১৫ বছরের কৌশলগত অংশীদারিত্ব উদযাপনেরও একটি উপলক্ষ হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে, মার্কিন বাণিজ্য চাপ ও আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতির প্রেক্ষাপটে ভারত-রাশিয়া ঘনিষ্ঠতার বার্তা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাইলাইট: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণরুম–গেস্টরুম বন্ধ হয়েছে, ‘ট্যাগ’ দিয়ে নির্যাতন থামেনি

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ডিসেম্বর মাসে ভারত সফরে আসবেন

১২:৪১:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

সফরের ঘোষণা
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ডিসেম্বর মাসে ভারত সফরে আসবেন বলে শুক্রবার জানালেন ক্রেমলিনের পররাষ্ট্র নীতি উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ। তিনি জানান, এই সফরের প্রস্তুতি নিয়েই পুতিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন।

তিয়ানজিনে প্রথম সাক্ষাৎ
চীনের তিয়ানজিন শহরে আগামী ১ সেপ্টেম্বর সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) প্লাস বৈঠকের পর পুতিন ও মোদির মধ্যে আলাপ হবে। উশাকভ সাংবাদিকদের বলেন, “এসসিও প্লাস বৈঠকের পরপরই আমাদের প্রেসিডেন্ট ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন। বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলো: ডিসেম্বরে আমাদের প্রেসিডেন্টের ভারত সফরের প্রস্তুতি এ বৈঠকে আলোচিত হবে।”

তিনি আরও জানান, এ বছর এটিই দুই নেতার প্রথম মুখোমুখি সাক্ষাৎ হলেও তারা নিয়মিত ফোনে যোগাযোগ রেখেছেন।

কৌশলগত সম্পর্কের গুরুত্ব
উশাকভ বলেন, “আমাদের দুই দেশ বিশেষ কৌশলগত অংশীদারিত্বে আবদ্ধ। এ বিষয়ে ২০১০ সালের ডিসেম্বরে একটি যৌথ ঘোষণা গৃহীত হয়েছিল। সেই হিসেবে এ বছর হচ্ছে ওই ঘোষণার ১৫ বছর পূর্তি।”

মোদির সাম্প্রতিক রাশিয়া সফর
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গত বছর রাশিয়া সফর করেছিলেন দুবার, বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে এবং কাজানে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে। ডিসেম্বর মাসে পুতিনও ভারতে আসবেন বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য চাপ
এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক দ্বিগুণ করে ৫০ শতাংশে বাড়িয়েছেন। পাশাপাশি রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল কেনার কারণে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্কও আরোপ করেছেন।

ভারতের অবস্থান
ভারত বরাবরই বলছে, তাদের জ্বালানি আমদানি জাতীয় স্বার্থ ও বাজারচাহিদার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। রাশিয়া এখন ভারতের সবচেয়ে বড় জ্বালানি সরবরাহকারী, বিশেষ করে ইউক্রেন আক্রমণের পর পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে এই সরবরাহ আরও বেড়ে যায়।

সামগ্রিক প্রেক্ষাপট
ডিসেম্বরে পুতিনের সফর শুধু বার্ষিক সম্মেলনেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের ১৫ বছরের কৌশলগত অংশীদারিত্ব উদযাপনেরও একটি উপলক্ষ হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে, মার্কিন বাণিজ্য চাপ ও আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতির প্রেক্ষাপটে ভারত-রাশিয়া ঘনিষ্ঠতার বার্তা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।