০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
লাল রঙের শক্তি: শিল্পের ইতিহাসে এক রঙের বিস্ময় বিদেশে নতুন জীবন, ক্যামেরায় গল্প: ফিলিপিনো নারীদের ভাইরাল যাত্রা ও ভাঙছে পুরনো ধারণা সাংহাইয়ে বয়স্কদের কাজে ফেরানোর উদ্যোগ, জনসংখ্যা সংকটে নতুন পথ খুঁজছে চীন আশা ভোঁসলেকে নিয়ে রুনা লায়লার স্মৃতিচারণ: আমার প্রিয় আশা দিদি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের আগে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার আশঙ্কায় ফিরছে লাখো অভিবাসী শ্রমিক ভেনেজুয়েলা: মাদুরো-পরবর্তী পরিবর্তনের আশাবাদ, বাস্তবতায় রয়ে গেছে বড় অনিশ্চয়তা জ্বালানি সংকটে অ-ভর্তুকিযুক্ত তেলের দাম হঠাৎ লাফিয়ে বৃদ্ধি, বৈশ্বিক সরবরাহ চাপে বাড়ছে উদ্বেগ কাতার: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের মাঝে আটকে পড়া এক অর্থনৈতিক ধাক্কার গল্প জ্বালানি সংকটে সরকারের দেরি নিয়ে সংসদে তোপ, দীর্ঘ লাইনের চিত্র তুলে ধরলেন রুমিন ফারহানা এআই যুগে বদলে যাচ্ছে তথ্যের অর্থনীতি, মানুষের বদলে ‘মেশিন শ্রোতা’—নতুন বাস্তবতা

ন্যানোপ্রযুক্তির পেটেন্টে শীর্ষে চীন

ন্যানোপ্রযুক্তি পেটেন্ট সংখ্যায় বিশ্বে শীর্ষে উঠে এসেছে চীন। রোববার প্রকাশিত একটি শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, গত ২৫ বছরে বিশ্বজুড়ে অনুমোদিত ন্যানোপ্রযুক্তি পেটেন্টের মধ্যে চীনের অংশ ৪৩ শতাংশ, যা যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সম্মিলিত সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে।

 

২০০০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বে মোট ১০ লাখ ৭০ হাজার পেটেন্ট অনুমোদন হয়, যার মধ্যে ৪ লাখ ৬৪ হাজার পেটেন্ট চীনের। এসব পেটেন্ট প্রধানত সেমিকন্ডাক্টর, ক্যাটালাইটিক কেমিস্ট্রি, বায়োমেডিসিন ও নতুন উপাদান সংক্রান্ত। সেমিকন্ডাক্টরে এগিয়ে আছে বেইজিং, শাংহাই, শেনচেন ও সুচৌ। বায়োমেডিসিনে অগ্রগামী বেইজিং, শাংহাই ও কুয়াংচৌ।

 

চাইনিজ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস এককভাবে বিশ্বে সর্বাধিক ২৩ হাজার ৪০০ পেটেন্টের মালিক। মে ২০২৫ পর্যন্ত চীনে ন্যানোপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৫০০-এর বেশি, কর্মসংস্থান ৯৯ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি।

বিশ্ব ন্যানোপ্রযুক্তি বাজার ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

লাল রঙের শক্তি: শিল্পের ইতিহাসে এক রঙের বিস্ময়

ন্যানোপ্রযুক্তির পেটেন্টে শীর্ষে চীন

১২:০৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ন্যানোপ্রযুক্তি পেটেন্ট সংখ্যায় বিশ্বে শীর্ষে উঠে এসেছে চীন। রোববার প্রকাশিত একটি শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, গত ২৫ বছরে বিশ্বজুড়ে অনুমোদিত ন্যানোপ্রযুক্তি পেটেন্টের মধ্যে চীনের অংশ ৪৩ শতাংশ, যা যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সম্মিলিত সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে।

 

২০০০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বে মোট ১০ লাখ ৭০ হাজার পেটেন্ট অনুমোদন হয়, যার মধ্যে ৪ লাখ ৬৪ হাজার পেটেন্ট চীনের। এসব পেটেন্ট প্রধানত সেমিকন্ডাক্টর, ক্যাটালাইটিক কেমিস্ট্রি, বায়োমেডিসিন ও নতুন উপাদান সংক্রান্ত। সেমিকন্ডাক্টরে এগিয়ে আছে বেইজিং, শাংহাই, শেনচেন ও সুচৌ। বায়োমেডিসিনে অগ্রগামী বেইজিং, শাংহাই ও কুয়াংচৌ।

 

চাইনিজ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস এককভাবে বিশ্বে সর্বাধিক ২৩ হাজার ৪০০ পেটেন্টের মালিক। মে ২০২৫ পর্যন্ত চীনে ন্যানোপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৫০০-এর বেশি, কর্মসংস্থান ৯৯ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি।

বিশ্ব ন্যানোপ্রযুক্তি বাজার ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।