০১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
ঢাকার পশুর হাট ইজারায় বিএনপির প্রাধান্য, প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে জামায়াত বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ধবলধোলাই, তাইজুলের ঘূর্ণিতে পাকিস্তানকে ২-০ ব্যবধানে হারাল টাইগাররা শান্তিনগরের শপিং মলে আগুন, দগ্ধ চারজন হাসপাতালে ভারতে ৪৮ ডিগ্রি তাপমাত্রায় অচল বান্দা, সকাল ১০টার পরই থেমে যায় জনজীবন তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কে ভয়াবহ ধস, উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগে বড় শঙ্কা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন, আতঙ্কে রোগী সরিয়ে নেওয়া হলো আইসিইউ থেকেও স্যামসাংয়ে ধর্মঘটের হুমকি, ভেস্তে গেল বেতন আলোচনা চীনা ভিসা নিয়ে প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের গিজেল পেলিকোর আত্মকথা ঘিরে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন, নির্যাতনের গল্পে উঠে এলো আত্মসমালোচনার নতুন ভাষা কাতারের গ্যাস সংকট: যুদ্ধের ধাক্কায় থমকে গেছে ধনকুবের অর্থনীতি

ন্যানোপ্রযুক্তির পেটেন্টে শীর্ষে চীন

ন্যানোপ্রযুক্তি পেটেন্ট সংখ্যায় বিশ্বে শীর্ষে উঠে এসেছে চীন। রোববার প্রকাশিত একটি শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, গত ২৫ বছরে বিশ্বজুড়ে অনুমোদিত ন্যানোপ্রযুক্তি পেটেন্টের মধ্যে চীনের অংশ ৪৩ শতাংশ, যা যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সম্মিলিত সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে।

 

২০০০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বে মোট ১০ লাখ ৭০ হাজার পেটেন্ট অনুমোদন হয়, যার মধ্যে ৪ লাখ ৬৪ হাজার পেটেন্ট চীনের। এসব পেটেন্ট প্রধানত সেমিকন্ডাক্টর, ক্যাটালাইটিক কেমিস্ট্রি, বায়োমেডিসিন ও নতুন উপাদান সংক্রান্ত। সেমিকন্ডাক্টরে এগিয়ে আছে বেইজিং, শাংহাই, শেনচেন ও সুচৌ। বায়োমেডিসিনে অগ্রগামী বেইজিং, শাংহাই ও কুয়াংচৌ।

 

চাইনিজ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস এককভাবে বিশ্বে সর্বাধিক ২৩ হাজার ৪০০ পেটেন্টের মালিক। মে ২০২৫ পর্যন্ত চীনে ন্যানোপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৫০০-এর বেশি, কর্মসংস্থান ৯৯ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি।

বিশ্ব ন্যানোপ্রযুক্তি বাজার ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার পশুর হাট ইজারায় বিএনপির প্রাধান্য, প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে জামায়াত

ন্যানোপ্রযুক্তির পেটেন্টে শীর্ষে চীন

১২:০৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ন্যানোপ্রযুক্তি পেটেন্ট সংখ্যায় বিশ্বে শীর্ষে উঠে এসেছে চীন। রোববার প্রকাশিত একটি শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, গত ২৫ বছরে বিশ্বজুড়ে অনুমোদিত ন্যানোপ্রযুক্তি পেটেন্টের মধ্যে চীনের অংশ ৪৩ শতাংশ, যা যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সম্মিলিত সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে।

 

২০০০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বে মোট ১০ লাখ ৭০ হাজার পেটেন্ট অনুমোদন হয়, যার মধ্যে ৪ লাখ ৬৪ হাজার পেটেন্ট চীনের। এসব পেটেন্ট প্রধানত সেমিকন্ডাক্টর, ক্যাটালাইটিক কেমিস্ট্রি, বায়োমেডিসিন ও নতুন উপাদান সংক্রান্ত। সেমিকন্ডাক্টরে এগিয়ে আছে বেইজিং, শাংহাই, শেনচেন ও সুচৌ। বায়োমেডিসিনে অগ্রগামী বেইজিং, শাংহাই ও কুয়াংচৌ।

 

চাইনিজ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস এককভাবে বিশ্বে সর্বাধিক ২৩ হাজার ৪০০ পেটেন্টের মালিক। মে ২০২৫ পর্যন্ত চীনে ন্যানোপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৫০০-এর বেশি, কর্মসংস্থান ৯৯ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি।

বিশ্ব ন্যানোপ্রযুক্তি বাজার ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।