০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
শেভ্রোলেটের দখলে উজবেকিস্তান, চীনের বৈদ্যুতিক গাড়ির চাপে বদলাচ্ছে ‘শেভ্রোলেটস্তান’ এশিয়া-প্যাসিফিক অর্থনীতিতে নতুন বাস্তবতা: পরিবর্তনের চাপে নীতি ও বাজারের লড়াই ভরপুর বাজার, তবু সংকটে চীনের খামার শিল্প ব্রাজিলের বায়োফুয়েল শক্তি: জ্বালানি সংকটে এক গোপন ঢাল হার্ট অ্যাটাকে দেরি মানেই মৃত্যু ঝুঁকি, চিকিৎসা ব্যবস্থার দুর্বলতায় বাড়ছে বিপদ আখচাষিদের বকেয়া ৩২ গুণ বৃদ্ধি, কোটি কোটি টাকা আটকে—চাপ বাড়ছে কৃষকের জীবনে উত্তরাখণ্ডে ভাঙন, ছয় নেতা বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে ৮ জেলায় তেল সংকট: শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে জ্বালানি সরবরাহ থমকে গেছে জনসংখ্যা বদল থামাতে বিজেপিই শেষ ভরসা, তৃণমূলকে ঘিরে শাহের বিস্ফোরক চার্জশিট থাইল্যান্ডে নতুন জীবন খুঁজছেন মিয়ানমারের লাখো মানুষ, নিরাপত্তা ও স্বপ্নের লড়াই তীব্রতর

ন্যানোপ্রযুক্তির পেটেন্টে শীর্ষে চীন

ন্যানোপ্রযুক্তি পেটেন্ট সংখ্যায় বিশ্বে শীর্ষে উঠে এসেছে চীন। রোববার প্রকাশিত একটি শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, গত ২৫ বছরে বিশ্বজুড়ে অনুমোদিত ন্যানোপ্রযুক্তি পেটেন্টের মধ্যে চীনের অংশ ৪৩ শতাংশ, যা যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সম্মিলিত সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে।

 

২০০০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বে মোট ১০ লাখ ৭০ হাজার পেটেন্ট অনুমোদন হয়, যার মধ্যে ৪ লাখ ৬৪ হাজার পেটেন্ট চীনের। এসব পেটেন্ট প্রধানত সেমিকন্ডাক্টর, ক্যাটালাইটিক কেমিস্ট্রি, বায়োমেডিসিন ও নতুন উপাদান সংক্রান্ত। সেমিকন্ডাক্টরে এগিয়ে আছে বেইজিং, শাংহাই, শেনচেন ও সুচৌ। বায়োমেডিসিনে অগ্রগামী বেইজিং, শাংহাই ও কুয়াংচৌ।

 

চাইনিজ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস এককভাবে বিশ্বে সর্বাধিক ২৩ হাজার ৪০০ পেটেন্টের মালিক। মে ২০২৫ পর্যন্ত চীনে ন্যানোপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৫০০-এর বেশি, কর্মসংস্থান ৯৯ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি।

বিশ্ব ন্যানোপ্রযুক্তি বাজার ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শেভ্রোলেটের দখলে উজবেকিস্তান, চীনের বৈদ্যুতিক গাড়ির চাপে বদলাচ্ছে ‘শেভ্রোলেটস্তান’

ন্যানোপ্রযুক্তির পেটেন্টে শীর্ষে চীন

১২:০৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ন্যানোপ্রযুক্তি পেটেন্ট সংখ্যায় বিশ্বে শীর্ষে উঠে এসেছে চীন। রোববার প্রকাশিত একটি শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, গত ২৫ বছরে বিশ্বজুড়ে অনুমোদিত ন্যানোপ্রযুক্তি পেটেন্টের মধ্যে চীনের অংশ ৪৩ শতাংশ, যা যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সম্মিলিত সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে।

 

২০০০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বে মোট ১০ লাখ ৭০ হাজার পেটেন্ট অনুমোদন হয়, যার মধ্যে ৪ লাখ ৬৪ হাজার পেটেন্ট চীনের। এসব পেটেন্ট প্রধানত সেমিকন্ডাক্টর, ক্যাটালাইটিক কেমিস্ট্রি, বায়োমেডিসিন ও নতুন উপাদান সংক্রান্ত। সেমিকন্ডাক্টরে এগিয়ে আছে বেইজিং, শাংহাই, শেনচেন ও সুচৌ। বায়োমেডিসিনে অগ্রগামী বেইজিং, শাংহাই ও কুয়াংচৌ।

 

চাইনিজ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস এককভাবে বিশ্বে সর্বাধিক ২৩ হাজার ৪০০ পেটেন্টের মালিক। মে ২০২৫ পর্যন্ত চীনে ন্যানোপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৫০০-এর বেশি, কর্মসংস্থান ৯৯ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি।

বিশ্ব ন্যানোপ্রযুক্তি বাজার ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।