০৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
জেমি ডিমন ও স্ত্রীর ১২ মিলিয়ন ডলারের অনুদান, অর্থনৈতিক সুযোগ পাবে ১২ কৃষ্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় মোজাম্বিকে সাগরে নিখোঁজ চার জেলে, জঙ্গিদের অপহরণের আশঙ্কা ইরান যুদ্ধ জিতেও কৌশলগতভাবে কি হেরে গেলেন নেতানিয়াহু? সেউতায় অভিবাসীদের ঢল, ৭২ জনের মৃত্যু; দ্রুত ফেরত পাঠানোর অভিযোগ প্রতিদিন গড়ে খুন হচ্ছে ১০ জন, সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড কেন নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না? ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং বা অন্তর্বর্তী উপবাসের উপকারিতা কি অতিরঞ্জিত? রাশিয়া-যুক্তরাজ্য কি যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে? কূটনীতি সরে গেলে যে বিপদ বাড়ে বাংলাদেশে আবারও বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে নতুন দর ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা ব্যক্তিগত আমানতকারীদের টাকা তোলার সীমা তুলে দিচ্ছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক সর্বাত্মক চাপ’ ইরানের বিরুদ্ধে, মিত্র দেশগুলোকেও নিষেধাজ্ঞার হুমকি

নির্বাচনী বন্ডের লক্ষ্য ছিল কালো টাকা রোধ করা: মোদী

  • Sarakhon Report
  • ০৪:৩৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪
  • 276

সারাক্ষণ ডেস্ক

ভারতের নির্বাচনী বন্ড নিয়ে সে দেশে যে সময়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। এবং বিরোধী দল যারাও এ বন্ডের মাধ্যমে নির্বাচনী ফান্ড জোগাড় করেছেন। এমনকি কোন কোন রাজ্যে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপির থেকে রাজ্য সরকারের দলগুলো বেশি অর্থ জোগাড় করেছে। তারপরেও তারা এ নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দিকে তীর ছুড়ছেন। এই বাস্তবতায় একটি নির্বাচনী জনসভায় নির্বাচনী বন্ডের মূল উদ্দেশ্য কি তা সরকারের ও বিজেপির দিক থেকে পরিস্কার করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মি. নরেন্দ্র মোদি। 

 

তিনি জানিয়েছেন, বাস্তবে নির্বাচনী বন্ডগুলি নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার রোধ করে স্বচ্ছতা বলে চিহ্নিত করেছেন। একই সাথে তিনি উন্নত ভারত গঠনের তার দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেন, বৈচিত্র্য উদযাপনের জন্য ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) প্রশংসা করেন এবং এই সপ্তাহে শুরু হওয়া লোকসভা নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হন। 

 

এএনআই সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, মোদী গরিব ও মধ্যবিত্ত করদাতাদের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন, কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি সরকারের নির্দেশে কাজ করছে এমন অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে জাতীয় এবং রাজ্য পর্যায়ে একযোগে নির্বাচন করার বিষয়ে তার প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি জোর দিয়ে বলেন।

এবং নির্বাচনী বন্ড সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমাদের নির্বাচনগুলি কীভাবে এই কালো টাকা থেকে মুক্ত হতে পারে? কীভাবে স্বচ্ছতা আসতে পারে?  এ নিয়ে আমার একটা সৎ ও খাঁটি চিন্তা ছিল। আমরা একটা উপায় খুঁজছিলাম। আমরা একটা ছোট পথ খুঁজে পেয়েছিলাম স্বচ্ছভাবে রাজনৈতিক তহবিল গঠনের।

উল্লেখ্য, গত মাসে সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দিয়েছে।

 

তবে মি. মোদির মতে “সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আমরা শিখি এবং প্রতি মুহূর্তে নিজেদেরকে আরো ভালো পথে নিয়ে যাবার চেষ্টা করি। কিন্তু আজ আমরা সম্পূর্ণভাবে দেশকে কালো টাকার দিকে ঠেলে দিয়েছি। আর তাই আমি বললাম সবাই অনুতাপ করবে। যখন তারা সৎভাবে চিন্তা করবে, তখন সবাই অনুতাপ করবে,”।

“যদি নির্বাচনী বন্ড না থাকত, তাহলে আপনারা টাকার ট্রেল কীভাবে পাচ্ছেন? কোন কোম্পানি দিয়েছে? তারা কীভাবে দিয়েছে? কোথায় দিয়েছে?  এভাবেই তো স্বচ্ছতার পথে যাওয়া।

জনপ্রিয় সংবাদ

জেমি ডিমন ও স্ত্রীর ১২ মিলিয়ন ডলারের অনুদান, অর্থনৈতিক সুযোগ পাবে ১২ কৃষ্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়

নির্বাচনী বন্ডের লক্ষ্য ছিল কালো টাকা রোধ করা: মোদী

০৪:৩৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪

সারাক্ষণ ডেস্ক

ভারতের নির্বাচনী বন্ড নিয়ে সে দেশে যে সময়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। এবং বিরোধী দল যারাও এ বন্ডের মাধ্যমে নির্বাচনী ফান্ড জোগাড় করেছেন। এমনকি কোন কোন রাজ্যে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপির থেকে রাজ্য সরকারের দলগুলো বেশি অর্থ জোগাড় করেছে। তারপরেও তারা এ নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দিকে তীর ছুড়ছেন। এই বাস্তবতায় একটি নির্বাচনী জনসভায় নির্বাচনী বন্ডের মূল উদ্দেশ্য কি তা সরকারের ও বিজেপির দিক থেকে পরিস্কার করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মি. নরেন্দ্র মোদি। 

 

তিনি জানিয়েছেন, বাস্তবে নির্বাচনী বন্ডগুলি নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার রোধ করে স্বচ্ছতা বলে চিহ্নিত করেছেন। একই সাথে তিনি উন্নত ভারত গঠনের তার দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেন, বৈচিত্র্য উদযাপনের জন্য ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) প্রশংসা করেন এবং এই সপ্তাহে শুরু হওয়া লোকসভা নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হন। 

 

এএনআই সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, মোদী গরিব ও মধ্যবিত্ত করদাতাদের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন, কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি সরকারের নির্দেশে কাজ করছে এমন অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে জাতীয় এবং রাজ্য পর্যায়ে একযোগে নির্বাচন করার বিষয়ে তার প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি জোর দিয়ে বলেন।

এবং নির্বাচনী বন্ড সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমাদের নির্বাচনগুলি কীভাবে এই কালো টাকা থেকে মুক্ত হতে পারে? কীভাবে স্বচ্ছতা আসতে পারে?  এ নিয়ে আমার একটা সৎ ও খাঁটি চিন্তা ছিল। আমরা একটা উপায় খুঁজছিলাম। আমরা একটা ছোট পথ খুঁজে পেয়েছিলাম স্বচ্ছভাবে রাজনৈতিক তহবিল গঠনের।

উল্লেখ্য, গত মাসে সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দিয়েছে।

 

তবে মি. মোদির মতে “সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আমরা শিখি এবং প্রতি মুহূর্তে নিজেদেরকে আরো ভালো পথে নিয়ে যাবার চেষ্টা করি। কিন্তু আজ আমরা সম্পূর্ণভাবে দেশকে কালো টাকার দিকে ঠেলে দিয়েছি। আর তাই আমি বললাম সবাই অনুতাপ করবে। যখন তারা সৎভাবে চিন্তা করবে, তখন সবাই অনুতাপ করবে,”।

“যদি নির্বাচনী বন্ড না থাকত, তাহলে আপনারা টাকার ট্রেল কীভাবে পাচ্ছেন? কোন কোম্পানি দিয়েছে? তারা কীভাবে দিয়েছে? কোথায় দিয়েছে?  এভাবেই তো স্বচ্ছতার পথে যাওয়া।