০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ মানার আহ্বান, জয়শঙ্করকে কড়া বার্তা রুবিওর ব্রিটেনে ছুরি হামলার পর উত্তেজনা, উসকে দিচ্ছে কট্টর ডানপন্থী রাজনীতি ভারতে পাচার হওয়া ১৪ বাংলাদেশির দেশে ফেরা, বেনাপোল দিয়ে হস্তান্তর পাকিস্তানের উত্তর ওয়াজিরিস্তানে ৭২ ঘণ্টায় নিহত ২১ জঙ্গি, মোট নিহত ৪৮ লস অ্যাঞ্জেলেসে বিশ্বকাপের মঞ্চ মাতালেন লিসা, কেপপ ইতিহাসে নতুন অধ্যায় ইউটিউব থেকে হলিউড: নতুন প্রজন্মের পরিচালকরা কি বদলে দিচ্ছেন সিনেমার ভবিষ্যৎ? গুগলের নতুন এআই চিপে স্যামসাং? ‘আইসফিশ’ প্রকল্পে বড় চুক্তির আলোচনায় দুই প্রযুক্তি জায়ান্ট ইরান যুদ্ধের পর বদলে যাওয়া বাস্তবতা: চুক্তির দ্বারপ্রান্তে থেকেও কেন কঠিন অবস্থানে তেহরান পশ্চিমবঙ্গে তল্লাশি বিতর্ক: অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে পুলিশি অভিযানে মমতার অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে ঘিরে ইডির তল্লাশি

নির্বাচনী বন্ডের লক্ষ্য ছিল কালো টাকা রোধ করা: মোদী

  • Sarakhon Report
  • ০৪:৩৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪
  • 245

সারাক্ষণ ডেস্ক

ভারতের নির্বাচনী বন্ড নিয়ে সে দেশে যে সময়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। এবং বিরোধী দল যারাও এ বন্ডের মাধ্যমে নির্বাচনী ফান্ড জোগাড় করেছেন। এমনকি কোন কোন রাজ্যে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপির থেকে রাজ্য সরকারের দলগুলো বেশি অর্থ জোগাড় করেছে। তারপরেও তারা এ নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দিকে তীর ছুড়ছেন। এই বাস্তবতায় একটি নির্বাচনী জনসভায় নির্বাচনী বন্ডের মূল উদ্দেশ্য কি তা সরকারের ও বিজেপির দিক থেকে পরিস্কার করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মি. নরেন্দ্র মোদি। 

 

তিনি জানিয়েছেন, বাস্তবে নির্বাচনী বন্ডগুলি নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার রোধ করে স্বচ্ছতা বলে চিহ্নিত করেছেন। একই সাথে তিনি উন্নত ভারত গঠনের তার দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেন, বৈচিত্র্য উদযাপনের জন্য ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) প্রশংসা করেন এবং এই সপ্তাহে শুরু হওয়া লোকসভা নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হন। 

 

এএনআই সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, মোদী গরিব ও মধ্যবিত্ত করদাতাদের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন, কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি সরকারের নির্দেশে কাজ করছে এমন অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে জাতীয় এবং রাজ্য পর্যায়ে একযোগে নির্বাচন করার বিষয়ে তার প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি জোর দিয়ে বলেন।

এবং নির্বাচনী বন্ড সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমাদের নির্বাচনগুলি কীভাবে এই কালো টাকা থেকে মুক্ত হতে পারে? কীভাবে স্বচ্ছতা আসতে পারে?  এ নিয়ে আমার একটা সৎ ও খাঁটি চিন্তা ছিল। আমরা একটা উপায় খুঁজছিলাম। আমরা একটা ছোট পথ খুঁজে পেয়েছিলাম স্বচ্ছভাবে রাজনৈতিক তহবিল গঠনের।

উল্লেখ্য, গত মাসে সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দিয়েছে।

 

তবে মি. মোদির মতে “সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আমরা শিখি এবং প্রতি মুহূর্তে নিজেদেরকে আরো ভালো পথে নিয়ে যাবার চেষ্টা করি। কিন্তু আজ আমরা সম্পূর্ণভাবে দেশকে কালো টাকার দিকে ঠেলে দিয়েছি। আর তাই আমি বললাম সবাই অনুতাপ করবে। যখন তারা সৎভাবে চিন্তা করবে, তখন সবাই অনুতাপ করবে,”।

“যদি নির্বাচনী বন্ড না থাকত, তাহলে আপনারা টাকার ট্রেল কীভাবে পাচ্ছেন? কোন কোম্পানি দিয়েছে? তারা কীভাবে দিয়েছে? কোথায় দিয়েছে?  এভাবেই তো স্বচ্ছতার পথে যাওয়া।

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ মানার আহ্বান, জয়শঙ্করকে কড়া বার্তা রুবিওর

নির্বাচনী বন্ডের লক্ষ্য ছিল কালো টাকা রোধ করা: মোদী

০৪:৩৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪

সারাক্ষণ ডেস্ক

ভারতের নির্বাচনী বন্ড নিয়ে সে দেশে যে সময়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। এবং বিরোধী দল যারাও এ বন্ডের মাধ্যমে নির্বাচনী ফান্ড জোগাড় করেছেন। এমনকি কোন কোন রাজ্যে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপির থেকে রাজ্য সরকারের দলগুলো বেশি অর্থ জোগাড় করেছে। তারপরেও তারা এ নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দিকে তীর ছুড়ছেন। এই বাস্তবতায় একটি নির্বাচনী জনসভায় নির্বাচনী বন্ডের মূল উদ্দেশ্য কি তা সরকারের ও বিজেপির দিক থেকে পরিস্কার করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মি. নরেন্দ্র মোদি। 

 

তিনি জানিয়েছেন, বাস্তবে নির্বাচনী বন্ডগুলি নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার রোধ করে স্বচ্ছতা বলে চিহ্নিত করেছেন। একই সাথে তিনি উন্নত ভারত গঠনের তার দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেন, বৈচিত্র্য উদযাপনের জন্য ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) প্রশংসা করেন এবং এই সপ্তাহে শুরু হওয়া লোকসভা নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হন। 

 

এএনআই সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, মোদী গরিব ও মধ্যবিত্ত করদাতাদের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন, কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি সরকারের নির্দেশে কাজ করছে এমন অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে জাতীয় এবং রাজ্য পর্যায়ে একযোগে নির্বাচন করার বিষয়ে তার প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি জোর দিয়ে বলেন।

এবং নির্বাচনী বন্ড সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমাদের নির্বাচনগুলি কীভাবে এই কালো টাকা থেকে মুক্ত হতে পারে? কীভাবে স্বচ্ছতা আসতে পারে?  এ নিয়ে আমার একটা সৎ ও খাঁটি চিন্তা ছিল। আমরা একটা উপায় খুঁজছিলাম। আমরা একটা ছোট পথ খুঁজে পেয়েছিলাম স্বচ্ছভাবে রাজনৈতিক তহবিল গঠনের।

উল্লেখ্য, গত মাসে সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দিয়েছে।

 

তবে মি. মোদির মতে “সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আমরা শিখি এবং প্রতি মুহূর্তে নিজেদেরকে আরো ভালো পথে নিয়ে যাবার চেষ্টা করি। কিন্তু আজ আমরা সম্পূর্ণভাবে দেশকে কালো টাকার দিকে ঠেলে দিয়েছি। আর তাই আমি বললাম সবাই অনুতাপ করবে। যখন তারা সৎভাবে চিন্তা করবে, তখন সবাই অনুতাপ করবে,”।

“যদি নির্বাচনী বন্ড না থাকত, তাহলে আপনারা টাকার ট্রেল কীভাবে পাচ্ছেন? কোন কোম্পানি দিয়েছে? তারা কীভাবে দিয়েছে? কোথায় দিয়েছে?  এভাবেই তো স্বচ্ছতার পথে যাওয়া।