০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্মে শিশুদের নিরাপত্তা: আইনগত সীমাবদ্ধতা ও দায়িত্ব বিতর্ক আশা আছি জোসেফের অভিযোগ: লেভ সরকার লজ্জাজনকভাবে নিঃশব্দ সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪২% প্রতিষ্ঠান এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নেতা দুবাইয়ে ডিজিটাল বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত: WORLDEF ২০২৬ সফল সমাপ্ত শ্রীলঙ্কা’তে বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় ঘোষণা: কর ছাড় সহ আর্থিক কেন্দ্র গড়ার উদ্যোগ সংযুক্ত আরব আমিরাতে অর্থনীতি শক্তিশালী এবং ত্বরান্বিত বৃদ্ধির পথে অ্যারুন্ধতী রায় বার্লিন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বিরতি: গাজা নিয়ে জুরি সভাপতি মন্তব্যের প্রতিবাদ বগুড়ার শেরপুরে বাসের ধাক্কায় ফায়ার স্টেশনে ঢুকে নিহত ফায়ারফাইটার বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে আসছে অরেঞ্জ বন্ড ও সুকুক রমজানে মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ

নির্বাচনী বন্ডের লক্ষ্য ছিল কালো টাকা রোধ করা: মোদী

  • Sarakhon Report
  • ০৪:৩৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪
  • 180

সারাক্ষণ ডেস্ক

ভারতের নির্বাচনী বন্ড নিয়ে সে দেশে যে সময়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। এবং বিরোধী দল যারাও এ বন্ডের মাধ্যমে নির্বাচনী ফান্ড জোগাড় করেছেন। এমনকি কোন কোন রাজ্যে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপির থেকে রাজ্য সরকারের দলগুলো বেশি অর্থ জোগাড় করেছে। তারপরেও তারা এ নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দিকে তীর ছুড়ছেন। এই বাস্তবতায় একটি নির্বাচনী জনসভায় নির্বাচনী বন্ডের মূল উদ্দেশ্য কি তা সরকারের ও বিজেপির দিক থেকে পরিস্কার করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মি. নরেন্দ্র মোদি। 

 

তিনি জানিয়েছেন, বাস্তবে নির্বাচনী বন্ডগুলি নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার রোধ করে স্বচ্ছতা বলে চিহ্নিত করেছেন। একই সাথে তিনি উন্নত ভারত গঠনের তার দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেন, বৈচিত্র্য উদযাপনের জন্য ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) প্রশংসা করেন এবং এই সপ্তাহে শুরু হওয়া লোকসভা নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হন। 

 

এএনআই সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, মোদী গরিব ও মধ্যবিত্ত করদাতাদের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন, কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি সরকারের নির্দেশে কাজ করছে এমন অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে জাতীয় এবং রাজ্য পর্যায়ে একযোগে নির্বাচন করার বিষয়ে তার প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি জোর দিয়ে বলেন।

এবং নির্বাচনী বন্ড সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমাদের নির্বাচনগুলি কীভাবে এই কালো টাকা থেকে মুক্ত হতে পারে? কীভাবে স্বচ্ছতা আসতে পারে?  এ নিয়ে আমার একটা সৎ ও খাঁটি চিন্তা ছিল। আমরা একটা উপায় খুঁজছিলাম। আমরা একটা ছোট পথ খুঁজে পেয়েছিলাম স্বচ্ছভাবে রাজনৈতিক তহবিল গঠনের।

উল্লেখ্য, গত মাসে সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দিয়েছে।

 

তবে মি. মোদির মতে “সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আমরা শিখি এবং প্রতি মুহূর্তে নিজেদেরকে আরো ভালো পথে নিয়ে যাবার চেষ্টা করি। কিন্তু আজ আমরা সম্পূর্ণভাবে দেশকে কালো টাকার দিকে ঠেলে দিয়েছি। আর তাই আমি বললাম সবাই অনুতাপ করবে। যখন তারা সৎভাবে চিন্তা করবে, তখন সবাই অনুতাপ করবে,”।

“যদি নির্বাচনী বন্ড না থাকত, তাহলে আপনারা টাকার ট্রেল কীভাবে পাচ্ছেন? কোন কোম্পানি দিয়েছে? তারা কীভাবে দিয়েছে? কোথায় দিয়েছে?  এভাবেই তো স্বচ্ছতার পথে যাওয়া।

জনপ্রিয় সংবাদ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্মে শিশুদের নিরাপত্তা: আইনগত সীমাবদ্ধতা ও দায়িত্ব বিতর্ক

নির্বাচনী বন্ডের লক্ষ্য ছিল কালো টাকা রোধ করা: মোদী

০৪:৩৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪

সারাক্ষণ ডেস্ক

ভারতের নির্বাচনী বন্ড নিয়ে সে দেশে যে সময়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। এবং বিরোধী দল যারাও এ বন্ডের মাধ্যমে নির্বাচনী ফান্ড জোগাড় করেছেন। এমনকি কোন কোন রাজ্যে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপির থেকে রাজ্য সরকারের দলগুলো বেশি অর্থ জোগাড় করেছে। তারপরেও তারা এ নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দিকে তীর ছুড়ছেন। এই বাস্তবতায় একটি নির্বাচনী জনসভায় নির্বাচনী বন্ডের মূল উদ্দেশ্য কি তা সরকারের ও বিজেপির দিক থেকে পরিস্কার করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মি. নরেন্দ্র মোদি। 

 

তিনি জানিয়েছেন, বাস্তবে নির্বাচনী বন্ডগুলি নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার রোধ করে স্বচ্ছতা বলে চিহ্নিত করেছেন। একই সাথে তিনি উন্নত ভারত গঠনের তার দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেন, বৈচিত্র্য উদযাপনের জন্য ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) প্রশংসা করেন এবং এই সপ্তাহে শুরু হওয়া লোকসভা নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হন। 

 

এএনআই সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, মোদী গরিব ও মধ্যবিত্ত করদাতাদের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন, কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি সরকারের নির্দেশে কাজ করছে এমন অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে জাতীয় এবং রাজ্য পর্যায়ে একযোগে নির্বাচন করার বিষয়ে তার প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি জোর দিয়ে বলেন।

এবং নির্বাচনী বন্ড সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমাদের নির্বাচনগুলি কীভাবে এই কালো টাকা থেকে মুক্ত হতে পারে? কীভাবে স্বচ্ছতা আসতে পারে?  এ নিয়ে আমার একটা সৎ ও খাঁটি চিন্তা ছিল। আমরা একটা উপায় খুঁজছিলাম। আমরা একটা ছোট পথ খুঁজে পেয়েছিলাম স্বচ্ছভাবে রাজনৈতিক তহবিল গঠনের।

উল্লেখ্য, গত মাসে সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দিয়েছে।

 

তবে মি. মোদির মতে “সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আমরা শিখি এবং প্রতি মুহূর্তে নিজেদেরকে আরো ভালো পথে নিয়ে যাবার চেষ্টা করি। কিন্তু আজ আমরা সম্পূর্ণভাবে দেশকে কালো টাকার দিকে ঠেলে দিয়েছি। আর তাই আমি বললাম সবাই অনুতাপ করবে। যখন তারা সৎভাবে চিন্তা করবে, তখন সবাই অনুতাপ করবে,”।

“যদি নির্বাচনী বন্ড না থাকত, তাহলে আপনারা টাকার ট্রেল কীভাবে পাচ্ছেন? কোন কোম্পানি দিয়েছে? তারা কীভাবে দিয়েছে? কোথায় দিয়েছে?  এভাবেই তো স্বচ্ছতার পথে যাওয়া।