১১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
ট্রাম্পের কঠোর আশ্রয়নীতি কি স্থায়ী রূপ নিচ্ছে? যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সন্ত্রাসবিরোধী কৌশল ঘিরে বিতর্ক, সমালোচনায় রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগ নিউইয়র্কে আবাসন নির্মাণে বড় বাধা কমছে, বদলে যেতে পারে শহরের ভবিষ্যৎ ট্রাম্পের প্রতিশোধ রাজনীতি নিয়ে চাপে রিপাবলিকানরা ট্রাম্প-শি বৈঠকে বাণিজ্যের হাসি, আড়ালে তাইওয়ান-ইউক্রেন-ইরান উত্তেজনা ব্রিটিশ রাজনীতির নেতৃত্ব সংকট: জনপ্রিয়তার লড়াই নয়, বাস্তবতার পরীক্ষা লন্ডনে টমি রবিনসন ঘিরে উত্তেজনা, ফিলিস্তিনপন্থী পাল্টা বিক্ষোভে কড়া নিরাপত্তা জাকার্তার ‘সামতামা ভিলেজ’: বর্জ্য আলাদা করেই কমছে ল্যান্ডফিলে চাপ জ্বালানি সংকটে নতুন সতর্কবার্তা, জীবাশ্ম জ্বালানির বদলে নবায়নযোগ্য শক্তিতে জোর দেওয়ার আহ্বান ছেলের হামলায় কুমিল্লায় প্রাণ গেল বাবার

উদীয়মান অভিনেত্রী ইসাবেলা মার্সেড

সাম্প্রতিক সাফল্য

গত ১৪ মাসে ইসাবেলা মার্সেড একের পর এক বড় প্রকল্পে কাজ করেছেন। তিনি অভিনয় করেছেন ফেডে আলভারেজের এলিয়েন: রোমুলাস ছবিতে, এইচবিওর দ্য লাস্ট অব আস–এর দ্বিতীয় মৌসুমে এবং জেমস গান পরিচালিত সুপারম্যান চলচ্চিত্রে। মাত্র ২৪ বছর বয়সেই এই তিনটি বিশ্বব্যাপী আলোচিত প্রকল্পে অংশ নেওয়া তাঁর জন্য বিশাল অর্জন।

নতুন দিকের প্রতি আগ্রহ

তবে ইসাবেলা এখন শুধুমাত্র বড় বাজেটের ফ্র্যাঞ্চাইজিতে থেমে থাকতে চান না। তাঁর আসন্ন দুটি প্রজেক্ট ছোট বাজেটের স্বাধীন চলচ্চিত্র, যেগুলো পরিচালনা করছেন লাতিনা নারী নির্মাতারা। এর মধ্যে একটি তিনি নিজেই প্রযোজনা করছেন, আরেকটি তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধুর প্রযোজনা। তিনি বলেন, “এগুলো সাম্প্রতিক সময়ে আমি যা করেছি তার একেবারেই বিপরীত। এগুলো আমাকে মনে করিয়ে দেয় যে আমি শুধু অভিনেত্রী নই, বরং নিজের গল্পও তৈরি করতে সক্ষম।”

নাম পরিবর্তনের পেছনের গল্প

ইসাবেলা নিজের শিল্পীজীবনের নাম পরিবর্তন করে “মনরো” থেকে “মার্সেড” করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি সম্মান জানিয়েছেন তাঁর মাতামহীকে এবং প্রকাশ করেছেন নিজের সাংস্কৃতিক শেকড়ের প্রতি গর্ব।

সংগীত ও সাংস্কৃতিক পরিচয়

অভিনয়ের পাশাপাশি সংগীত জগতেও সক্রিয় ইসাবেলা ইংরেজি ও স্প্যানিশ—দুই ভাষাতেই গান করেন। গত আগস্টে তিনি প্রকাশ করেছেন একটি নতুন গান, যেখানে সহযোগী ছিলেন টনি সুক্কার — প্রথম পেরুভিয়ান যিনি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন।

রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত অবস্থান

ইসাবেলা মনে করেন, শিল্পীদের শুধু শিল্পে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। তিনি খোলাখুলি বলেন, শিল্পীরা সমাজ ও রাজনীতি নিয়ে মত প্রকাশ করলে সেটি একেবারেই স্বাভাবিক। নিজের পেরুভিয়ান পরিচয়, কুইয়ার পরিচয় এবং রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তুলে ধরেন। তাঁর ভাষায়, “আমি শিল্পী হওয়ার আগেই একজন মার্কিন নাগরিক ছিলাম। আমি একজন অভিবাসী কন্যা হিসেবে গর্বিত।”

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের কঠোর আশ্রয়নীতি কি স্থায়ী রূপ নিচ্ছে?

উদীয়মান অভিনেত্রী ইসাবেলা মার্সেড

১২:২২:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সাম্প্রতিক সাফল্য

গত ১৪ মাসে ইসাবেলা মার্সেড একের পর এক বড় প্রকল্পে কাজ করেছেন। তিনি অভিনয় করেছেন ফেডে আলভারেজের এলিয়েন: রোমুলাস ছবিতে, এইচবিওর দ্য লাস্ট অব আস–এর দ্বিতীয় মৌসুমে এবং জেমস গান পরিচালিত সুপারম্যান চলচ্চিত্রে। মাত্র ২৪ বছর বয়সেই এই তিনটি বিশ্বব্যাপী আলোচিত প্রকল্পে অংশ নেওয়া তাঁর জন্য বিশাল অর্জন।

নতুন দিকের প্রতি আগ্রহ

তবে ইসাবেলা এখন শুধুমাত্র বড় বাজেটের ফ্র্যাঞ্চাইজিতে থেমে থাকতে চান না। তাঁর আসন্ন দুটি প্রজেক্ট ছোট বাজেটের স্বাধীন চলচ্চিত্র, যেগুলো পরিচালনা করছেন লাতিনা নারী নির্মাতারা। এর মধ্যে একটি তিনি নিজেই প্রযোজনা করছেন, আরেকটি তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধুর প্রযোজনা। তিনি বলেন, “এগুলো সাম্প্রতিক সময়ে আমি যা করেছি তার একেবারেই বিপরীত। এগুলো আমাকে মনে করিয়ে দেয় যে আমি শুধু অভিনেত্রী নই, বরং নিজের গল্পও তৈরি করতে সক্ষম।”

নাম পরিবর্তনের পেছনের গল্প

ইসাবেলা নিজের শিল্পীজীবনের নাম পরিবর্তন করে “মনরো” থেকে “মার্সেড” করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি সম্মান জানিয়েছেন তাঁর মাতামহীকে এবং প্রকাশ করেছেন নিজের সাংস্কৃতিক শেকড়ের প্রতি গর্ব।

সংগীত ও সাংস্কৃতিক পরিচয়

অভিনয়ের পাশাপাশি সংগীত জগতেও সক্রিয় ইসাবেলা ইংরেজি ও স্প্যানিশ—দুই ভাষাতেই গান করেন। গত আগস্টে তিনি প্রকাশ করেছেন একটি নতুন গান, যেখানে সহযোগী ছিলেন টনি সুক্কার — প্রথম পেরুভিয়ান যিনি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন।

রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত অবস্থান

ইসাবেলা মনে করেন, শিল্পীদের শুধু শিল্পে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। তিনি খোলাখুলি বলেন, শিল্পীরা সমাজ ও রাজনীতি নিয়ে মত প্রকাশ করলে সেটি একেবারেই স্বাভাবিক। নিজের পেরুভিয়ান পরিচয়, কুইয়ার পরিচয় এবং রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তুলে ধরেন। তাঁর ভাষায়, “আমি শিল্পী হওয়ার আগেই একজন মার্কিন নাগরিক ছিলাম। আমি একজন অভিবাসী কন্যা হিসেবে গর্বিত।”