০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
বিজ্ঞান বাজেট কাটছাঁটে ট্রাম্পের প্রস্তাব, নীরবে রুখে দাঁড়ালেন রিপাবলিকানরা নিষ্ক্রিয়তার অপরাধ: উভালদে ট্র্যাজেডি কি পুলিশের দায় নতুনভাবে নির্ধারণ করবে নিউইয়র্কের ক্ষমতার নতুন ভাষা: জোহরান মামদানির ঝুঁকিপূর্ণ পথ চলা প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫৩) ইউরোপের উদ্বেগে গ্রিনল্যান্ড, ট্রাম্পের দখল-আতঙ্ক ঠেকাতে মরিয়া কূটনীতি স্পেনের রাজনীতিতে বিচারকের ছায়া: ক্ষমতার লড়াইয়ে আদালত যখন বিতর্কের কেন্দ্রে ঘুম ঠিক রাখার এক অভ্যাসই বদলে দিতে পারে আপনার স্বাস্থ্য ইউরোপের নতুন ক্ষমতার রাজনীতি, লাতিন আমেরিকার সঙ্গে ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি আইসিই কর্মকর্তার গুলিতে মৃত্যু: রেনে গুড মামলায় রাজ্য বনাম ফেডারেল আইনের মুখোমুখি সংঘাত বর্তমান বাস্তবতায় বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলার সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম

অসুর বধ প্রতি মুহূর্তে

  • Sarakhon Report
  • ০৬:৫৬:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 240

বাস্তবে অসুর কোন অন্যগ্রহের প্রজাতিও নয়, অন্য কোন ব্যক্তিও নয়- অসুর মানুষের মাঝেই জন্ম নেয়, প্রতি মুহূর্তে। ক্ষমতার অপব্যবহার, লোভ, লালসা, অজ্ঞতা, শঠতা, মিথ্যাচারিতা এমনি অজস্র অমানবিক বিষয় বা ত্রুটি প্রতি মুহূর্তে মানুষের মধ্যে জন্ম নিচ্ছে। এই ত্রুটি বা খারাপ রিপুর উত্থানকে পরাজিত করেই একজন মানুষকে প্রতি মুহূর্তে নিজেকে মানুষ রাখতে হয়। মানুষ যখন ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্বলের ওপর অত্যাচার, মিথ্যাচারিতার মধ্যে ঢুকে যায় তখন সে মানব থেকে অসুরে পরিণত হয়। আর যখন সে নিজের অসুরত্বকে নিজে পরাজিত করতে পারে না বা কোরবানি দিতে পারে না তখন তার জন্য প্রয়োজন পড়ে অন্য কেউ শক্তি প্রয়োগ করে তাকে মানব সমাজের উপযোগী করে তুলুক।

মুখোশ – সূর্যের নিচে

মানুষের মধ্যে বার বারই অসুরের উত্থান ঘটে আসছে। তাই সকল ধর্মে, সকল রীতেতে রয়েছে, এই অসুর বা নিজের ভেতরের খারাপ রিপুকে কোরবানি দেয়া বা বধ করা। যা মানুষের নিজ নিজ ধর্মের পালিত আচরণ অনুযায়ীও প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত যাতে হয়, সে রীতিনীতিও প্রণয়ন করেছে।

তাই মানুষ যতই ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, আচরণ ও সংস্কৃতিতে বিভক্ত হোক না কেন, অসুর বধ বা নিজের খারাপকে কোরবানি দেওয়ায় সকলেই ঐক্যমত। যাতে মানুষ সজাগ হয় অসুর সম্পর্কে, মানুষ ধাবিত হয় নিজের ভেতরের মানবাত্মাকে আরও জাগ্রত করে নিজেকে দেবাত্মা বা সুরজাতি হিসেবে পরিণত করতে। আর এ কারণে ধর্মীয় আচরণে অসুর বধ বা কোরবানি হয়তো প্রতি ধর্মে বছরে একদিন বা কয়েকদিন- কিন্তু বাস্তবে অসুর বধের কাজটি প্রতি মুহূর্তের।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিজ্ঞান বাজেট কাটছাঁটে ট্রাম্পের প্রস্তাব, নীরবে রুখে দাঁড়ালেন রিপাবলিকানরা

অসুর বধ প্রতি মুহূর্তে

০৬:৫৬:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাস্তবে অসুর কোন অন্যগ্রহের প্রজাতিও নয়, অন্য কোন ব্যক্তিও নয়- অসুর মানুষের মাঝেই জন্ম নেয়, প্রতি মুহূর্তে। ক্ষমতার অপব্যবহার, লোভ, লালসা, অজ্ঞতা, শঠতা, মিথ্যাচারিতা এমনি অজস্র অমানবিক বিষয় বা ত্রুটি প্রতি মুহূর্তে মানুষের মধ্যে জন্ম নিচ্ছে। এই ত্রুটি বা খারাপ রিপুর উত্থানকে পরাজিত করেই একজন মানুষকে প্রতি মুহূর্তে নিজেকে মানুষ রাখতে হয়। মানুষ যখন ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্বলের ওপর অত্যাচার, মিথ্যাচারিতার মধ্যে ঢুকে যায় তখন সে মানব থেকে অসুরে পরিণত হয়। আর যখন সে নিজের অসুরত্বকে নিজে পরাজিত করতে পারে না বা কোরবানি দিতে পারে না তখন তার জন্য প্রয়োজন পড়ে অন্য কেউ শক্তি প্রয়োগ করে তাকে মানব সমাজের উপযোগী করে তুলুক।

মুখোশ – সূর্যের নিচে

মানুষের মধ্যে বার বারই অসুরের উত্থান ঘটে আসছে। তাই সকল ধর্মে, সকল রীতেতে রয়েছে, এই অসুর বা নিজের ভেতরের খারাপ রিপুকে কোরবানি দেয়া বা বধ করা। যা মানুষের নিজ নিজ ধর্মের পালিত আচরণ অনুযায়ীও প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত যাতে হয়, সে রীতিনীতিও প্রণয়ন করেছে।

তাই মানুষ যতই ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, আচরণ ও সংস্কৃতিতে বিভক্ত হোক না কেন, অসুর বধ বা নিজের খারাপকে কোরবানি দেওয়ায় সকলেই ঐক্যমত। যাতে মানুষ সজাগ হয় অসুর সম্পর্কে, মানুষ ধাবিত হয় নিজের ভেতরের মানবাত্মাকে আরও জাগ্রত করে নিজেকে দেবাত্মা বা সুরজাতি হিসেবে পরিণত করতে। আর এ কারণে ধর্মীয় আচরণে অসুর বধ বা কোরবানি হয়তো প্রতি ধর্মে বছরে একদিন বা কয়েকদিন- কিন্তু বাস্তবে অসুর বধের কাজটি প্রতি মুহূর্তের।