০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
জেপিমরগান প্রধানের সতর্কবার্তা: ইরান যুদ্ধ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা আনতে পারে ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় হামলা, প্রাণহানির খবর নেই তেলের দাম ও শেয়ারবাজারে অনিশ্চয়তা, কূটনৈতিক বার্তা ও উত্তেজনার টানাপোড়েন হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা চরমে, হামলার হুমকিতে পাল্টা জবাবের সতর্কতা ইরানের বেক্সিমকো ফার্মা নির্মিত শিশু হাসপাতালের নতুন বহির্বিভাগ চালু মার্চে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয় ১৯.৭৮ শতাংশ কমেছে ইরান-সংক্রান্ত যুদ্ধে মার্কিন নীতি: বিশ্বকে সতর্কবার্তা তেল আবিবে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ, লেবাননে নিহত শিশুদের ছবি নিয়ে প্রতিবাদ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ৮ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে জ্বালানি পাস ব্যবস্থা এই মাসেই চালু হচ্ছে, কিউআর কোডে নজরদারি

আবারও ভারতীয় কাঁচা মরিচে বাজারে দামের ঝাঁঝ ফেরানোর চেষ্টা

সীমান্তে সরব কাঁচামরিচ বাণিজ্য

বাংলাদেশে কাঁচামরিচের বাজারে দীর্ঘদিন ধরেই অস্থিরতা চলছে। স্থানীয় উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ ঘাটতি পূরণ করতে ভারত থেকে নিয়মিতভাবে আমদানি হচ্ছে এই পণ্যটি। গত শুক্রবার ও শনিবার দুই দিনে ভারতের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে মোট ৩২ দশমিক ০৪৮ টন কাঁচামরিচ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। চারটি ট্রাকে করে এই চালান দেশে এসেছে বলে, কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে।

আমদানির পরিমাণ ও সময়কাল

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আসা এই ৩২ টনের কাঁচামরিচের চালানটি ছিল শুক্রবার ও শনিবার দুই দিনের মধ্যে সম্পন্ন হওয়া একাধিক ট্রাকের অংশ। প্রতি ট্রাকের গড়ে ৮ টন করে কাঁচামরিচ বহন করা হয়েছিল। কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, নিয়মিত পরীক্ষণ ও ছাড়পত্র শেষে সব ট্রাকই দেশে প্রবেশ করেছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হওয়ায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে এবং দামও কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহে প্রতি কেজি কাঁচামরিচের খুচরা দাম ৫০০ টাকা ছুঁয়ে গেলেও বর্তমানে তা কিছুটা কমে এসেছে।

কেন এই আমদানি জরুরি

বাংলাদেশে বর্ষাকালে স্থানীয় কাঁচামরিচ উৎপাদন কমে যায়, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে চাষাবাদে ক্ষতি হয়। ফলে অভ্যন্তরীণ সরবরাহ ঘাটতি পূরণে ভারত থেকে আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়ে।

প্রতিদিন দেশের বাজারে প্রায় ১২০০ থেকে ১৫০০ টন কাঁচামরিচের চাহিদা থাকলেও স্থানীয় উৎপাদন ও মজুত মিলে সেই চাহিদার অর্ধেকও মেটানো যায় না। ফলে আমদানি ছাড়া উপায় থাকে না।

সীমান্ত বাণিজ্যে গতি

হিলি ছাড়াও বেনাপোল, ভোমরা ও সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়েও কাঁচামরিচ আমদানির কার্যক্রম চলছে। প্রতিটি বন্দরেই কাস্টমস ও বাণিজ্য দপ্তর একসঙ্গে কাজ করছে, যেন দ্রুত পণ্য ছাড়পত্র দেওয়া যায়, এবং সরবরাহে কোনো বাধা না পড়ে।

ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, আমদানি অব্যাহত থাকলে বাজারে কাঁচামরিচের দাম আরও স্থিতিশীল হবে এবং সাধারণ ক্রেতারা স্বস্তি পাবে।

ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা

সরকারি সংস্থাগুলো জানিয়েছে, পর্যাপ্ত মজুত ও স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে আরও কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে। পাশাপাশি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরও স্থানীয় উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের সহায়তা দিচ্ছে।

ফলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দুই দিনে ভারত থেকে ৩২ টনের বেশি কাঁচামরিচ আমদানি বাংলাদেশের কাঁচামরিচ বাজারে নতুন প্রাণ এনেছে। এতে সরবরাহ বেড়েছে, দাম কিছুটা কমেছে, আর সীমান্ত বাণিজ্যেও গতি ফিরেছে

জনপ্রিয় সংবাদ

জেপিমরগান প্রধানের সতর্কবার্তা: ইরান যুদ্ধ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা আনতে পারে

আবারও ভারতীয় কাঁচা মরিচে বাজারে দামের ঝাঁঝ ফেরানোর চেষ্টা

১১:৪৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

সীমান্তে সরব কাঁচামরিচ বাণিজ্য

বাংলাদেশে কাঁচামরিচের বাজারে দীর্ঘদিন ধরেই অস্থিরতা চলছে। স্থানীয় উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ ঘাটতি পূরণ করতে ভারত থেকে নিয়মিতভাবে আমদানি হচ্ছে এই পণ্যটি। গত শুক্রবার ও শনিবার দুই দিনে ভারতের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে মোট ৩২ দশমিক ০৪৮ টন কাঁচামরিচ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। চারটি ট্রাকে করে এই চালান দেশে এসেছে বলে, কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে।

আমদানির পরিমাণ ও সময়কাল

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আসা এই ৩২ টনের কাঁচামরিচের চালানটি ছিল শুক্রবার ও শনিবার দুই দিনের মধ্যে সম্পন্ন হওয়া একাধিক ট্রাকের অংশ। প্রতি ট্রাকের গড়ে ৮ টন করে কাঁচামরিচ বহন করা হয়েছিল। কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, নিয়মিত পরীক্ষণ ও ছাড়পত্র শেষে সব ট্রাকই দেশে প্রবেশ করেছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হওয়ায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে এবং দামও কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহে প্রতি কেজি কাঁচামরিচের খুচরা দাম ৫০০ টাকা ছুঁয়ে গেলেও বর্তমানে তা কিছুটা কমে এসেছে।

কেন এই আমদানি জরুরি

বাংলাদেশে বর্ষাকালে স্থানীয় কাঁচামরিচ উৎপাদন কমে যায়, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে চাষাবাদে ক্ষতি হয়। ফলে অভ্যন্তরীণ সরবরাহ ঘাটতি পূরণে ভারত থেকে আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়ে।

প্রতিদিন দেশের বাজারে প্রায় ১২০০ থেকে ১৫০০ টন কাঁচামরিচের চাহিদা থাকলেও স্থানীয় উৎপাদন ও মজুত মিলে সেই চাহিদার অর্ধেকও মেটানো যায় না। ফলে আমদানি ছাড়া উপায় থাকে না।

সীমান্ত বাণিজ্যে গতি

হিলি ছাড়াও বেনাপোল, ভোমরা ও সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়েও কাঁচামরিচ আমদানির কার্যক্রম চলছে। প্রতিটি বন্দরেই কাস্টমস ও বাণিজ্য দপ্তর একসঙ্গে কাজ করছে, যেন দ্রুত পণ্য ছাড়পত্র দেওয়া যায়, এবং সরবরাহে কোনো বাধা না পড়ে।

ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, আমদানি অব্যাহত থাকলে বাজারে কাঁচামরিচের দাম আরও স্থিতিশীল হবে এবং সাধারণ ক্রেতারা স্বস্তি পাবে।

ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা

সরকারি সংস্থাগুলো জানিয়েছে, পর্যাপ্ত মজুত ও স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে আরও কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে। পাশাপাশি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরও স্থানীয় উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের সহায়তা দিচ্ছে।

ফলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দুই দিনে ভারত থেকে ৩২ টনের বেশি কাঁচামরিচ আমদানি বাংলাদেশের কাঁচামরিচ বাজারে নতুন প্রাণ এনেছে। এতে সরবরাহ বেড়েছে, দাম কিছুটা কমেছে, আর সীমান্ত বাণিজ্যেও গতি ফিরেছে