০৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
গাজীপুরের শ্রীপুরে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই ৩৬টি বসতঘর, বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হাদির ন্যায়বিচারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে অবস্থান, ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিবাদে নতুন মাত্রা যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন-রাশিয়ার ঐতিহাসিক বন্দি বিনিময়ে সম্মতি, যুদ্ধ অবসানের পথে নতুন আশা বিদ্যুৎ ক্রয়ে বড় সাশ্রয়, তিন সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ট্যারিফ কমালো অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের দিনে বাড়তি মেট্রোরেল চলবে, যাত্রী ভোগান্তি এড়াতে বিশেষ ব্যবস্থা ফেনীতে নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর, ভোটের পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা মির্জা আব্বাস, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, মেঘনা আলম- ‘ভাইরাল’ ঢাকা ৮ আসনে কী চলছে? পল্লবীতে ঘরের ভেতর চার লাশ, ঋণের চাপে নাকি চরম সিদ্ধান্তে পরিবার চট্টগ্রাম বন্দরে উত্তেজনা, নৌপরিবহন উপদেষ্টার গাড়িবহর ঘেরাও; টানা ধর্মঘটে স্থবির কার্যক্রম নির্বাচন ঘিরে সুনামগঞ্জে কড়া নিরাপত্তা, ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত ৪৫১ কেন্দ্র; মোতায়েন ১৮ হাজার ৩০০ সদস্য

লাহোরে টিএলপি কার্যালয়ে অভিযানের পর সহিংসতা: গ্রেপ্তার, সড়ক অবরোধ ও উত্তেজনা

লাহোরে তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তান (টিএলপি) কার্যালয়ে পুলিশের অভিযানের পর শহরের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ, সড়ক অবরোধ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করে; টিএলপি চারপাশে ‘অযৌক্তিক ধরপাকড়’-এর অভিযোগ তোলে।

 কীভাবে শুরু, কোথায় ছড়াল

ভোরে হঠাৎ অভিযানে কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করা হলে দলীয় সমর্থকেরা সড়কে নেমে আসে। এরপর কয়েকটি প্রধান সড়কে বিক্ষোভ ও টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ সৃষ্টি হয়। যানজট ও জনদুর্ভোগ বাড়তে থাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ ধাপে ধাপে রুট ডাইভারশন দেয়।

দুই পক্ষের বক্তব্য ও পরবর্তী পদক্ষেপ

পুলিশ বলছে, ‘উস্কানিমূলক কার্যকলাপ’ ও ‘আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের পরিকল্পনা’ সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান হয়েছে; টিএলপি দাবি করছে এটি রাজনৈতিক হয়রানি। সন্ধ্যার পর মধ্যস্থতা জোরদার হয়, তবে পরিস্থিতি ‘টেনস’ থাকায় অতিরিক্ত বাহিনী সতর্ক অবস্থায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজীপুরের শ্রীপুরে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই ৩৬টি বসতঘর, বিপুল ক্ষয়ক্ষতি

লাহোরে টিএলপি কার্যালয়ে অভিযানের পর সহিংসতা: গ্রেপ্তার, সড়ক অবরোধ ও উত্তেজনা

০৬:১২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

লাহোরে তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তান (টিএলপি) কার্যালয়ে পুলিশের অভিযানের পর শহরের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ, সড়ক অবরোধ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করে; টিএলপি চারপাশে ‘অযৌক্তিক ধরপাকড়’-এর অভিযোগ তোলে।

 কীভাবে শুরু, কোথায় ছড়াল

ভোরে হঠাৎ অভিযানে কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করা হলে দলীয় সমর্থকেরা সড়কে নেমে আসে। এরপর কয়েকটি প্রধান সড়কে বিক্ষোভ ও টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ সৃষ্টি হয়। যানজট ও জনদুর্ভোগ বাড়তে থাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ ধাপে ধাপে রুট ডাইভারশন দেয়।

দুই পক্ষের বক্তব্য ও পরবর্তী পদক্ষেপ

পুলিশ বলছে, ‘উস্কানিমূলক কার্যকলাপ’ ও ‘আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের পরিকল্পনা’ সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান হয়েছে; টিএলপি দাবি করছে এটি রাজনৈতিক হয়রানি। সন্ধ্যার পর মধ্যস্থতা জোরদার হয়, তবে পরিস্থিতি ‘টেনস’ থাকায় অতিরিক্ত বাহিনী সতর্ক অবস্থায়।