১০:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
বিজ্ঞানে ভর করে ভবিষ্যৎ গড়ছে আমিরাত, বিশ্ব নেতৃত্বের পথে জ্ঞানই শক্তি মারদানি থ্রি: শক্তিশালী শুরু, কিন্তু শেষ পর্যন্ত হোঁচট ইউরোপই সন্ত্রাস লালনের প্রধান ঘাঁটি হয়ে উঠেছে: ইউরোপীয় সিদ্ধান্তের কড়া জবাব বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর আইসিসির দ্বিমুখী নীতির কড়া সমালোচনা কামরান আকমলের, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটে অনড় থাকার আহ্বান অন্তর্বর্তী সরকার কর্মচারীদের বেতন বাড়াতে অর্থ বরাদ্দ দেবে: সালেহউদ্দিন সংস্কার উদ্যোগের স্বীকৃতিতে ঘাটতি: টিআইবির মূল্যায়ন প্রশ্নবিদ্ধ করলেন অর্থ উপদেষ্টা সারকারি ক্রয় কমিটির অনুমোদন, আসছে মৌসুমে কৃষির জন্য বিপুল সার আমদানি লক্ষ্মীপুরে অবৈধ ছয়টি নির্বাচনী সিলসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার সিলেটে কারিগরি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০ ৯ তারিখে বিটিভিতে নির্বাচনী ভাষণ দেবেন তারেক রহমান

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে নিহত দুই ছাত্রদল নেতা

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের (জেডিসি) দুই স্থানীয় নেতা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে একে একে দুজনেরই মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।


হাটহাজারীতে ভয়াবহ ছুরিকাঘাত

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার চৌধুরীহাট এলাকায় সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের (জেডিসি) দুই স্থানীয় নেতা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে এবং বুধবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন চিকনদণ্ডি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি অপি দাস (২৬) এবং মির্জাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য তানিম (২০)। অপি ছিলেন বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মির মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের অনুসারী। তানিমের বাড়ি উপজেলার সরকারহাট এলাকায়; তার বাবার নাম জাহাঙ্গীর আলম।


রাতের হামলা ও আহতদের উদ্ধার

হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া জানান, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে চৌধুরীহাট এলাকার দাতারাম রোড দিয়ে যাওয়ার সময় একদল সন্ত্রাসী অপি ও তানিমের ওপর হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর নির্বিচারে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে যায়।

স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে হাটহাজারীর একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।


হাসপাতালে মৃত্যু ও তদন্তের অগ্রগতি

চমেক হাসপাতালে রাতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় অপি দাস মারা যান। বুধবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তানিমও।

পুলিশ ইতোমধ্যে সন্দেহভাজন হিসেবে আফসার উদ্দিন (১৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী তারেক আজিজ জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্যকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা

এই হত্যাকাণ্ডে স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। তারা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন। এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে, বিশেষ করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার আশঙ্কায় অনেকে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।


ঘটনার প্রেক্ষাপট ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি

হাটহাজারী এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক সহিংসতা বেড়ে গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রশাসন জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


#চট্টগ্রাম, হাটহাজারী, ছাত্রদল, রাজনৈতিক সহিংসতা, অপি দাস, তানিম, সারাক্ষণ রিপোর্ট

জনপ্রিয় সংবাদ

বিজ্ঞানে ভর করে ভবিষ্যৎ গড়ছে আমিরাত, বিশ্ব নেতৃত্বের পথে জ্ঞানই শক্তি

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে নিহত দুই ছাত্রদল নেতা

১১:২৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের (জেডিসি) দুই স্থানীয় নেতা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে একে একে দুজনেরই মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।


হাটহাজারীতে ভয়াবহ ছুরিকাঘাত

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার চৌধুরীহাট এলাকায় সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের (জেডিসি) দুই স্থানীয় নেতা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে এবং বুধবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন চিকনদণ্ডি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি অপি দাস (২৬) এবং মির্জাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য তানিম (২০)। অপি ছিলেন বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মির মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের অনুসারী। তানিমের বাড়ি উপজেলার সরকারহাট এলাকায়; তার বাবার নাম জাহাঙ্গীর আলম।


রাতের হামলা ও আহতদের উদ্ধার

হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া জানান, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে চৌধুরীহাট এলাকার দাতারাম রোড দিয়ে যাওয়ার সময় একদল সন্ত্রাসী অপি ও তানিমের ওপর হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর নির্বিচারে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে যায়।

স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে হাটহাজারীর একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।


হাসপাতালে মৃত্যু ও তদন্তের অগ্রগতি

চমেক হাসপাতালে রাতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় অপি দাস মারা যান। বুধবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তানিমও।

পুলিশ ইতোমধ্যে সন্দেহভাজন হিসেবে আফসার উদ্দিন (১৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী তারেক আজিজ জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্যকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা

এই হত্যাকাণ্ডে স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। তারা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন। এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে, বিশেষ করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার আশঙ্কায় অনেকে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।


ঘটনার প্রেক্ষাপট ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি

হাটহাজারী এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক সহিংসতা বেড়ে গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রশাসন জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


#চট্টগ্রাম, হাটহাজারী, ছাত্রদল, রাজনৈতিক সহিংসতা, অপি দাস, তানিম, সারাক্ষণ রিপোর্ট