০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
সময়ের নতুন ভাষা: আধুনিক ঘড়িতে ফিরে এলো ইতিহাসের স্পন্দন স্মৃতির শহর হারিয়ে যাচ্ছে: বোম্বে নিয়ে ডিএজি প্রদর্শনীতে উঠে এল বিস্মৃত ইতিহাস তারকার ঝলক ছাপিয়ে গয়নার জাদু: রেড কার্পেটে নতুন ট্রেন্ডের গল্প ডিলান–লেননের লিমুজিন আলাপ: সঙ্গীতের বন্ধুত্ব, দ্বন্দ্ব আর এক অস্বস্তিকর সত্য প্রোটিন আতঙ্ক নাকি প্রয়োজনীয় পরিবর্তন? স্মার্ট শহরের পথে বাংলাদেশ: প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে নগরজীবন ক্যাটওয়াক শেখার নতুন ট্রেন্ড: হাঁটার ভঙ্গিতেই বদলে যাচ্ছে আত্মবিশ্বাস বিশ্বজুড়ে অস্থিরতার মাঝেও শেয়ারবাজারে চমক, বিনিয়োগকারীদের আয়ে বড় ধাক্কা নয় বেইলি রোড অগ্নিকাণ্ডে বিল ফাঁকিতে গেট বন্ধ রাখার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ — দুই বছর পর তদন্তে চমক ২১ এপ্রিল শুরু এসএসসি পরীক্ষা — রাজশাহী বোর্ডে ১ লাখ ৭৭ হাজার পরীক্ষার্থী প্রস্তুত

প্রথম বড় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে যাচ্ছে পূর্ব তিমুর—শুরু ২০২৬-এ

জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমানোর কৌশল

পূর্ব তিমুর আগামী বছরে প্রথম ইউটিলিটি-স্কেল সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ শুরু করতে চায়। আমদানিকৃত জ্বালানি ও ডিজেল-নির্ভর গ্রিডে এটি হবে বড় বৈচিত্র্য আনা পদক্ষেপ। বিদেশি অংশীদারদের সঙ্গে প্রকল্পটি খরচ কমাবে, ব্ল্যাকআউট ঝুঁকি হ্রাস করবে এবং আঞ্চলিক বিঘ্নের সময়ে স্থিতিস্থাপকতা দেবে—এমনটি বলছে সরকার। জলবায়ু লক্ষ্য ও জ্বালানি সার্বভৌমত্ব—দুই দিক থেকেই এটি কৌশলগত বিনিয়োগ।

গ্রিড সংযোগ, সঞ্চয় ও ভোক্তা প্রভাব

দিনের বেলায় উৎপাদন খরচ কমলে শিক্ষা-স্বাস্থ্যে সরকারি ব্যয় বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। তবে সফল ইন্টিগ্রেশনের জন্য ব্যাটারি সঞ্চয়, সঞ্চালন-লাইন উন্নয়ন ও স্বচ্ছ ট্যারিফ প্রয়োজন। ডেভেলপাররা আউটপুট মসৃণ করতে স্টোরেজ বিকল্প পরীক্ষা করছে; কোথায় বিদ্যমান প্ল্যান্টের সঙ্গে সংঘাত ছাড়া সৌর বসানো যায়—তার মানচিত্রও তৈরি হচ্ছে। সময়মতো অর্থায়ন এলে ক্ষুদ্র বাজারে নবায়নযোগ্য ঝুঁকি কমানোর নকশা হিসেবে এটি নজির হতে পারে: একটি অ্যাঙ্কর প্রকল্প, দেশীয় সক্ষমতা, তারপর স্কেল-আপ। তরুণ অর্থনীতির জন্য সূর্যই হতে পারে সহজ জয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

সময়ের নতুন ভাষা: আধুনিক ঘড়িতে ফিরে এলো ইতিহাসের স্পন্দন

প্রথম বড় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে যাচ্ছে পূর্ব তিমুর—শুরু ২০২৬-এ

০৭:১১:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমানোর কৌশল

পূর্ব তিমুর আগামী বছরে প্রথম ইউটিলিটি-স্কেল সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ শুরু করতে চায়। আমদানিকৃত জ্বালানি ও ডিজেল-নির্ভর গ্রিডে এটি হবে বড় বৈচিত্র্য আনা পদক্ষেপ। বিদেশি অংশীদারদের সঙ্গে প্রকল্পটি খরচ কমাবে, ব্ল্যাকআউট ঝুঁকি হ্রাস করবে এবং আঞ্চলিক বিঘ্নের সময়ে স্থিতিস্থাপকতা দেবে—এমনটি বলছে সরকার। জলবায়ু লক্ষ্য ও জ্বালানি সার্বভৌমত্ব—দুই দিক থেকেই এটি কৌশলগত বিনিয়োগ।

গ্রিড সংযোগ, সঞ্চয় ও ভোক্তা প্রভাব

দিনের বেলায় উৎপাদন খরচ কমলে শিক্ষা-স্বাস্থ্যে সরকারি ব্যয় বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। তবে সফল ইন্টিগ্রেশনের জন্য ব্যাটারি সঞ্চয়, সঞ্চালন-লাইন উন্নয়ন ও স্বচ্ছ ট্যারিফ প্রয়োজন। ডেভেলপাররা আউটপুট মসৃণ করতে স্টোরেজ বিকল্প পরীক্ষা করছে; কোথায় বিদ্যমান প্ল্যান্টের সঙ্গে সংঘাত ছাড়া সৌর বসানো যায়—তার মানচিত্রও তৈরি হচ্ছে। সময়মতো অর্থায়ন এলে ক্ষুদ্র বাজারে নবায়নযোগ্য ঝুঁকি কমানোর নকশা হিসেবে এটি নজির হতে পারে: একটি অ্যাঙ্কর প্রকল্প, দেশীয় সক্ষমতা, তারপর স্কেল-আপ। তরুণ অর্থনীতির জন্য সূর্যই হতে পারে সহজ জয়।