০৫:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
উজানে বন্যার তাণ্ডব, বাংলাদেশে কতটা ঝুঁকি? আসাম-অরুণাচলের পরিস্থিতি কী বার্তা দিচ্ছে আজ কিউবা, কাল অন্য কেউ? ক্যারিবীয় অঞ্চলে আবারও যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি-রাজনীতির প্রত্যাবর্তন শিল্পনীতি তখনই সফল, যখন তা রাজধানীর বাইরেও ভবিষ্যৎ গড়ে আজ আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, দেশে হামে ও হামের উপসর্গে মোট প্রাণহানি ৭১৬ আফগান নারীদের পাশে মিস ইউনিভার্স ফাতিমা বোস: শিক্ষা ও সমঅধিকারের পক্ষে জোরালো আহ্বান পাকিস্তান-আফগান সীমান্তে অভিযানে ২৯ জঙ্গি নিহত, দাবি ইসলামাবাদের চিন্তার দিক বদলালেই বদলে যায় জীবন সোনম ওয়াংচুকের অনশন: সারা দেশে একদিনের উপবাসে শামিল হওয়ার আহ্বান নতুন গাজার ছায়া লেবাননে: যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তবতা কি কূটনীতিকে পরাজিত করবে? ‘না’ বলার অধিকারকে ভয় পেলে সমাজও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে

রণক্ষেত্রে (পর্ব-১১৩)

একাদশ পরিচ্ছেদ

একে একে সব কথা খুলে বললুম কমরেডদের। কী করে শ্বেতরক্ষীদের সঙ্গে আমার দেখা হয়ে গিয়েছিল, কী করে ধরা পড়ে মারা গেলেন আমাদের বীর চুবুক

সব কথা। কেবল একটা কথা লুকিয়েছিলুম চুবুকের শেষ থুথু ছোড়ার কথাটা। আর গল্পটা বলার সময় শ্বেতরক্ষীদের স্থানীয় সদরঘাঁটিতে ওদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্বন্ধে যা যা শুনেছিলুম আর জিখারেভ আর শুভাৎসের বাহিনী দুটোকে আমাদের ধরার জন্যে যে-নির্দেশ দেয়া হয়েছিল সে সবকিছু রিপোর্ট করলুম।

‘হা’ যুদ্ধে অনবরত ব্যবহারের ফলে কালো-হয়ে-যাওয়া তরোয়ালখানার ওপর

শরীরের ভর রেখে বললেন শেবালভ, ‘চুবুক সম্বন্ধে যা কইলে, খুবই দুঃসংবাদ। লাল ফৌজের চমৎকার সেপাই ছিল চুবুক, আমাদের সেরা লড়য়ে, সেরা কমরেড আমাদের। খুব খারাপ খবর দিলে। তুমি মস্ত ভুল করেছিলে, ছেলে… মস্ত বড় ভুল।’ তারপর দীর্ঘশ্বাস ফেলে ফের বললেন, ‘তবে যে মারা গেচে সে তো আর ফিরবে

না। কী করা। তোমারে কিছু বলার নেই আমার কর নি, সে তো ঠিকই। অন্য যে-কারো বেলায় এমনধারা হতি পারত।’

‘ঠিক। অন্য যে-কারো বেলায় এমনধারা হতি পারত,’ কয়েকটা গলায় প্রতিধ্বনি উঠল।

‘তবে তুমি জিখারেভের খবরটা যেমন বৃদ্ধি খরচ করি যোগাড় করেচ আর চটপট তোমার কমরেডদের কাছে রিপোর্ট করার জন্যি ছুটে এয়েচ তার জন্যি এই আমার হাত বাড়িয়ে দিচ্চি তোমার দিকি আর তোমারে ধন্যবাদ জানাচ্চি!’

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

উজানে বন্যার তাণ্ডব, বাংলাদেশে কতটা ঝুঁকি? আসাম-অরুণাচলের পরিস্থিতি কী বার্তা দিচ্ছে

রণক্ষেত্রে (পর্ব-১১৩)

১০:০০:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫

একাদশ পরিচ্ছেদ

একে একে সব কথা খুলে বললুম কমরেডদের। কী করে শ্বেতরক্ষীদের সঙ্গে আমার দেখা হয়ে গিয়েছিল, কী করে ধরা পড়ে মারা গেলেন আমাদের বীর চুবুক

সব কথা। কেবল একটা কথা লুকিয়েছিলুম চুবুকের শেষ থুথু ছোড়ার কথাটা। আর গল্পটা বলার সময় শ্বেতরক্ষীদের স্থানীয় সদরঘাঁটিতে ওদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্বন্ধে যা যা শুনেছিলুম আর জিখারেভ আর শুভাৎসের বাহিনী দুটোকে আমাদের ধরার জন্যে যে-নির্দেশ দেয়া হয়েছিল সে সবকিছু রিপোর্ট করলুম।

‘হা’ যুদ্ধে অনবরত ব্যবহারের ফলে কালো-হয়ে-যাওয়া তরোয়ালখানার ওপর

শরীরের ভর রেখে বললেন শেবালভ, ‘চুবুক সম্বন্ধে যা কইলে, খুবই দুঃসংবাদ। লাল ফৌজের চমৎকার সেপাই ছিল চুবুক, আমাদের সেরা লড়য়ে, সেরা কমরেড আমাদের। খুব খারাপ খবর দিলে। তুমি মস্ত ভুল করেছিলে, ছেলে… মস্ত বড় ভুল।’ তারপর দীর্ঘশ্বাস ফেলে ফের বললেন, ‘তবে যে মারা গেচে সে তো আর ফিরবে

না। কী করা। তোমারে কিছু বলার নেই আমার কর নি, সে তো ঠিকই। অন্য যে-কারো বেলায় এমনধারা হতি পারত।’

‘ঠিক। অন্য যে-কারো বেলায় এমনধারা হতি পারত,’ কয়েকটা গলায় প্রতিধ্বনি উঠল।

‘তবে তুমি জিখারেভের খবরটা যেমন বৃদ্ধি খরচ করি যোগাড় করেচ আর চটপট তোমার কমরেডদের কাছে রিপোর্ট করার জন্যি ছুটে এয়েচ তার জন্যি এই আমার হাত বাড়িয়ে দিচ্চি তোমার দিকি আর তোমারে ধন্যবাদ জানাচ্চি!’