আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশের সব তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান টানা চার দিন বন্ধ থাকবে। আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, এরপর সাপ্তাহিক ছুটির কারণে ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি ও বন্ধ থাকায় ব্যাংকিং লেনদেন কার্যত চার দিনের বিরতিতে যাচ্ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ গুলো পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে, আইনগত ক্ষমতাবলে নির্ধারিত দুই দিনে সব তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে। নির্বাচনকালীন শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের কাছে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

সাধারণ ছুটি ও চার দিনের বিরতি
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সাধারণ ছুটি কার্যকর থাকবে। এর সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় টানা চার দিন ব্যাংকিং সেবা বন্ধ থাকবে। ফলে গ্রাহকদের জরুরি লেনদেন শেষ করার জন্য নির্ধারিত সময় সীমিত হয়ে এসেছে।
গ্রাহকদের প্রস্তুতি ও বিকল্প সেবা
দীর্ঘ ছুটির আগে অনেক গ্রাহক চেক নিষ্পত্তি, ঋণপত্র সংক্রান্ত কাজসহ গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার চেষ্টা করছেন। যদিও শাখা বন্ধ থাকবে, তবুও এটিএম বুথ, ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যাংকিং, মোবাইল আর্থিক সেবা এবং বিক্রয় কেন্দ্র ভিত্তিক লেনদেন চালু রাখার জন্য ব্যাংকগুলোকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অর্থনীতিবিদরা নগদ অর্থ হাতে রাখার বিষয়ে সতর্ক থাকার কথা বলেছেন, যাতে দৈনন্দিন লেনদেনে বিঘ্ন না ঘটে।

স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফেরা
চার দিনের বিরতির পর ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো আবার নিয়মিত সময়সূচিতে কার্যক্রম শুরু করবে। নির্বাচনকে ঘিরে এই সাময়িক বিরতি আর্থিক ব্যবস্থায় বড় প্রভাব না ফেললে ও আগাম প্রস্তুতি নেওয়া ই গ্রাহকদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















