০৩:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ-মুন্সীগঞ্জে ২১ ঘণ্টা তীব্র গ্যাস চাপ সংকট, সতর্কবার্তা তিতাসের পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, খেলাধুলায় রাজনীতি নয় চীন–ভারত বাণিজ্য ২০২৫ সালে ১৫৫ বিলিয়ন ডলার, নতুন উষ্ণতায় সম্পর্ক মধ্যপ্রাচ্য কি যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে, তেহরান-ওয়াশিংটন উত্তেজনায় বিশ্বজুড়ে শঙ্কা প্রজন্মকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে ভারত ম্যাচ বর্জন, পিসিবিকে কড়া বার্তা কাপিল দেব স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, সঙ্গে ঊর্ধ্বমুখী রুপা মেটিকুলাস ডিজাইন ও আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচনে বৈধতা বোয়িং ড্রিমলাইনারের জ্বালানি সুইচ নিয়ে প্রশ্নে চাপে এয়ার ইন্ডিয়া শুল্কস্বস্তিতে ভারতের বাজারে স্বল্পমেয়াদি উত্থান, টেকসই প্রবৃদ্ধি নিয়ে সংশয় রাশিয়ার প্রস্তাবে আবার আলোচনায় ইরানের ইউরেনিয়াম, সিদ্ধান্ত তেহরানের হাতেই

সাবেক প্রধান বিচারপতিকে কেন জামিন নয়, হাইকোটে রুল

জুলাই আন্দোলনের সময় যুবদলকর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতি ও প্লট জালিয়াতির পাঁচ মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে কেন জামিন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রবিবার বিচারপতি এ এস এম আবদুল মোবিন ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসরুল হক চৌধুরী ও কামরুল হক সিদ্দিকী। সঙ্গে ছিলেন মোনায়েম নবী শাহীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। গত ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের বিরুদ্ধে এ মামলা ছাড়াও আরও চারটি মামলা হয়। একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে গত ২৭ আগস্ট শাহবাগ থানায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীনের মামলা। ২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় আরেকটি মামলা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী ভূঁইয়া। একই অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় ২৫ আগস্ট আরেকটি মামলা করেন নুরুল ইসলাম মোল্লা। এর আগে ৪ আগস্ট প্লট জালিয়াতিতে দুর্নীতির অভিযোগে দুদকও একটি মামলা করেছে। এসব মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন নামঞ্জুরের পর তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন।
এর আগে গত ৭ আগস্ট ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলা বাতিল ও জামিন চেয়ে হাইকোর্টে বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক আবেদন করেছিলেন। যেটি শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান খায়রুল হক। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়। ২০১১ সালের ১৭ মে তিনি অবসরে যান। এরপর তিন বার তিনি আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হন।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জ-মুন্সীগঞ্জে ২১ ঘণ্টা তীব্র গ্যাস চাপ সংকট, সতর্কবার্তা তিতাসের

সাবেক প্রধান বিচারপতিকে কেন জামিন নয়, হাইকোটে রুল

০৫:৫৪:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

জুলাই আন্দোলনের সময় যুবদলকর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতি ও প্লট জালিয়াতির পাঁচ মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে কেন জামিন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রবিবার বিচারপতি এ এস এম আবদুল মোবিন ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসরুল হক চৌধুরী ও কামরুল হক সিদ্দিকী। সঙ্গে ছিলেন মোনায়েম নবী শাহীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। গত ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের বিরুদ্ধে এ মামলা ছাড়াও আরও চারটি মামলা হয়। একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে গত ২৭ আগস্ট শাহবাগ থানায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীনের মামলা। ২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় আরেকটি মামলা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী ভূঁইয়া। একই অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় ২৫ আগস্ট আরেকটি মামলা করেন নুরুল ইসলাম মোল্লা। এর আগে ৪ আগস্ট প্লট জালিয়াতিতে দুর্নীতির অভিযোগে দুদকও একটি মামলা করেছে। এসব মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন নামঞ্জুরের পর তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন।
এর আগে গত ৭ আগস্ট ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলা বাতিল ও জামিন চেয়ে হাইকোর্টে বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক আবেদন করেছিলেন। যেটি শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান খায়রুল হক। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়। ২০১১ সালের ১৭ মে তিনি অবসরে যান। এরপর তিন বার তিনি আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হন।