০৫:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
উজানে বন্যার তাণ্ডব, বাংলাদেশে কতটা ঝুঁকি? আসাম-অরুণাচলের পরিস্থিতি কী বার্তা দিচ্ছে আজ কিউবা, কাল অন্য কেউ? ক্যারিবীয় অঞ্চলে আবারও যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি-রাজনীতির প্রত্যাবর্তন শিল্পনীতি তখনই সফল, যখন তা রাজধানীর বাইরেও ভবিষ্যৎ গড়ে আজ আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, দেশে হামে ও হামের উপসর্গে মোট প্রাণহানি ৭১৬ আফগান নারীদের পাশে মিস ইউনিভার্স ফাতিমা বোস: শিক্ষা ও সমঅধিকারের পক্ষে জোরালো আহ্বান পাকিস্তান-আফগান সীমান্তে অভিযানে ২৯ জঙ্গি নিহত, দাবি ইসলামাবাদের চিন্তার দিক বদলালেই বদলে যায় জীবন সোনম ওয়াংচুকের অনশন: সারা দেশে একদিনের উপবাসে শামিল হওয়ার আহ্বান নতুন গাজার ছায়া লেবাননে: যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তবতা কি কূটনীতিকে পরাজিত করবে? ‘না’ বলার অধিকারকে ভয় পেলে সমাজও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে

আহত শিউলি

হেমন্তের শিশিরে শিউলি ফুলগুলো
তাদের কমলা ও শাদায় মিশানো শরীর নিয়ে
সবুজ দুর্বাদলের ওপর শুয়েছিলো—
অথচ তুমি তাদের দিকে না তাকিয়ে
ভোরের বাতাসে তোমার প্রিয়তমের
হাত ধরে চলে গেলে।
তোমার পায়ে নয়, জুতায় পিষ্ট হলো
ফুলগুলো—

একবার তোমার মুখের দিকে তাকিয়ে
একবার দলিত ফুলগুলোর দিকে তাকিয়ে—
আমি জানালা দিয়ে আকাশ দেখলাম—
হেমন্তের শিশিরে কুড়িয়ে নিয়ে এলাম
আহত শিউলিগুলো—
টেবিলের ফ্লাওয়ার ভাজ-এ শীতল পানি দিয়ে
শুইয়ে দিলাম আহত শিউলিদের—
ওরা আহত শব্দমালার মতো জলে ভেসে থাকলো।

দিন শেষে ওরা ওদের নিয়তিকে আলিঙ্গন করলো—
পাশের মন্দিরের ভজনের সুরে তখন
অন্ধকার ভেঙে যাচ্ছিলো— কেঁপে কেঁপে —
আমি রুমের সব আলোর সুইচ অফ করে
অন্ধকারে—

শিউলির আহত দেহ বা মৃত্যু নয়—
ভজনের গভীর সুর নয়—
আরও অনেক অনেক আহত শরীর—
আরও বেশি গভীর অন্ধকারের
অপেক্ষায় বসে রইলাম—

তোমার অনিন্দ্য সুন্দর মুখমণ্ডল মনে করে
আমার কেবলই মনে হতে থাকে—
এমনও সময় আসে,
যখন আলো জ্বালতে নেই—
আলোকে আসতে দিতে নেই—
আলো এলেই আহত বা নিহত শিউলিগুলোকে—
দেখা ছাড়া চোখের জন্যে
আর কোনো দৃষ্টিসীমা থাকে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

উজানে বন্যার তাণ্ডব, বাংলাদেশে কতটা ঝুঁকি? আসাম-অরুণাচলের পরিস্থিতি কী বার্তা দিচ্ছে

আহত শিউলি

০৭:৪০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

হেমন্তের শিশিরে শিউলি ফুলগুলো
তাদের কমলা ও শাদায় মিশানো শরীর নিয়ে
সবুজ দুর্বাদলের ওপর শুয়েছিলো—
অথচ তুমি তাদের দিকে না তাকিয়ে
ভোরের বাতাসে তোমার প্রিয়তমের
হাত ধরে চলে গেলে।
তোমার পায়ে নয়, জুতায় পিষ্ট হলো
ফুলগুলো—

একবার তোমার মুখের দিকে তাকিয়ে
একবার দলিত ফুলগুলোর দিকে তাকিয়ে—
আমি জানালা দিয়ে আকাশ দেখলাম—
হেমন্তের শিশিরে কুড়িয়ে নিয়ে এলাম
আহত শিউলিগুলো—
টেবিলের ফ্লাওয়ার ভাজ-এ শীতল পানি দিয়ে
শুইয়ে দিলাম আহত শিউলিদের—
ওরা আহত শব্দমালার মতো জলে ভেসে থাকলো।

দিন শেষে ওরা ওদের নিয়তিকে আলিঙ্গন করলো—
পাশের মন্দিরের ভজনের সুরে তখন
অন্ধকার ভেঙে যাচ্ছিলো— কেঁপে কেঁপে —
আমি রুমের সব আলোর সুইচ অফ করে
অন্ধকারে—

শিউলির আহত দেহ বা মৃত্যু নয়—
ভজনের গভীর সুর নয়—
আরও অনেক অনেক আহত শরীর—
আরও বেশি গভীর অন্ধকারের
অপেক্ষায় বসে রইলাম—

তোমার অনিন্দ্য সুন্দর মুখমণ্ডল মনে করে
আমার কেবলই মনে হতে থাকে—
এমনও সময় আসে,
যখন আলো জ্বালতে নেই—
আলোকে আসতে দিতে নেই—
আলো এলেই আহত বা নিহত শিউলিগুলোকে—
দেখা ছাড়া চোখের জন্যে
আর কোনো দৃষ্টিসীমা থাকে না।