০৬:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
ইরানে কি স্থলযুদ্ধের প্রস্তুতি? সেনা মোতায়েনের মধ্যেই নতুন পরিকল্পনা—যা জানা গেছে নওগাঁর মান্দায় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু ডিজেল সংকটে বিপর্যস্ত উত্তরাঞ্চলের বোরো সেচ, উৎপাদন কমার শঙ্কা রাজধানীর কলাবাগানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক ডিজিএফআই প্রধান ও সাবেক এমপিকে ৭ এপ্রিল হাজিরের নির্দেশ চট্টগ্রামে মাছ প্রক্রিয়াজাত কারখানায় আগুন, বিপুল ক্ষয়ক্ষতি উন্নত জীবনের স্বপ্নে দেশ ছাড়লেন শায়েখ, সাগরে ঝরল জীবন স্বপ্ন ওয়েবসাইট হ্যাক, গ্রাহকদের তথ্য ফাঁস ফিলিং স্টেশন তদারকিতে ট্যাগ অফিসারদের নতুন দায়িত্ব নির্ধারণ নড়াইলে পাম্প ম্যানেজার হত্যার প্রতিবাদে সব ফিলিং স্টেশন বন্ধ

আহত শিউলি

হেমন্তের শিশিরে শিউলি ফুলগুলো
তাদের কমলা ও শাদায় মিশানো শরীর নিয়ে
সবুজ দুর্বাদলের ওপর শুয়েছিলো—
অথচ তুমি তাদের দিকে না তাকিয়ে
ভোরের বাতাসে তোমার প্রিয়তমের
হাত ধরে চলে গেলে।
তোমার পায়ে নয়, জুতায় পিষ্ট হলো
ফুলগুলো—

একবার তোমার মুখের দিকে তাকিয়ে
একবার দলিত ফুলগুলোর দিকে তাকিয়ে—
আমি জানালা দিয়ে আকাশ দেখলাম—
হেমন্তের শিশিরে কুড়িয়ে নিয়ে এলাম
আহত শিউলিগুলো—
টেবিলের ফ্লাওয়ার ভাজ-এ শীতল পানি দিয়ে
শুইয়ে দিলাম আহত শিউলিদের—
ওরা আহত শব্দমালার মতো জলে ভেসে থাকলো।

দিন শেষে ওরা ওদের নিয়তিকে আলিঙ্গন করলো—
পাশের মন্দিরের ভজনের সুরে তখন
অন্ধকার ভেঙে যাচ্ছিলো— কেঁপে কেঁপে —
আমি রুমের সব আলোর সুইচ অফ করে
অন্ধকারে—

শিউলির আহত দেহ বা মৃত্যু নয়—
ভজনের গভীর সুর নয়—
আরও অনেক অনেক আহত শরীর—
আরও বেশি গভীর অন্ধকারের
অপেক্ষায় বসে রইলাম—

তোমার অনিন্দ্য সুন্দর মুখমণ্ডল মনে করে
আমার কেবলই মনে হতে থাকে—
এমনও সময় আসে,
যখন আলো জ্বালতে নেই—
আলোকে আসতে দিতে নেই—
আলো এলেই আহত বা নিহত শিউলিগুলোকে—
দেখা ছাড়া চোখের জন্যে
আর কোনো দৃষ্টিসীমা থাকে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে কি স্থলযুদ্ধের প্রস্তুতি? সেনা মোতায়েনের মধ্যেই নতুন পরিকল্পনা—যা জানা গেছে

আহত শিউলি

০৭:৪০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

হেমন্তের শিশিরে শিউলি ফুলগুলো
তাদের কমলা ও শাদায় মিশানো শরীর নিয়ে
সবুজ দুর্বাদলের ওপর শুয়েছিলো—
অথচ তুমি তাদের দিকে না তাকিয়ে
ভোরের বাতাসে তোমার প্রিয়তমের
হাত ধরে চলে গেলে।
তোমার পায়ে নয়, জুতায় পিষ্ট হলো
ফুলগুলো—

একবার তোমার মুখের দিকে তাকিয়ে
একবার দলিত ফুলগুলোর দিকে তাকিয়ে—
আমি জানালা দিয়ে আকাশ দেখলাম—
হেমন্তের শিশিরে কুড়িয়ে নিয়ে এলাম
আহত শিউলিগুলো—
টেবিলের ফ্লাওয়ার ভাজ-এ শীতল পানি দিয়ে
শুইয়ে দিলাম আহত শিউলিদের—
ওরা আহত শব্দমালার মতো জলে ভেসে থাকলো।

দিন শেষে ওরা ওদের নিয়তিকে আলিঙ্গন করলো—
পাশের মন্দিরের ভজনের সুরে তখন
অন্ধকার ভেঙে যাচ্ছিলো— কেঁপে কেঁপে —
আমি রুমের সব আলোর সুইচ অফ করে
অন্ধকারে—

শিউলির আহত দেহ বা মৃত্যু নয়—
ভজনের গভীর সুর নয়—
আরও অনেক অনেক আহত শরীর—
আরও বেশি গভীর অন্ধকারের
অপেক্ষায় বসে রইলাম—

তোমার অনিন্দ্য সুন্দর মুখমণ্ডল মনে করে
আমার কেবলই মনে হতে থাকে—
এমনও সময় আসে,
যখন আলো জ্বালতে নেই—
আলোকে আসতে দিতে নেই—
আলো এলেই আহত বা নিহত শিউলিগুলোকে—
দেখা ছাড়া চোখের জন্যে
আর কোনো দৃষ্টিসীমা থাকে না।