০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
লিফটের বিধিনিষেধ কীভাবে আমেরিকার আবাসন বাজারে জটিলতা তৈরি করছে গরুর বুদ্ধির চমক! ঝাড়ু ব্যবহার করে নিজেই চুলকানি মেটায় ‘ভেরোনিকা’ গাজায় যুদ্ধের নতুন ছায়া: থমকে গেছে পুর্ণগঠন,আবার শক্তি বাড়াচ্ছে হামাস রঙ বদলে লুকিয়ে থাকা সমুদ্রের ক্ষুদে শিকারি: ক্যান্ডি কাঁকড়ার বিস্ময়কর জীবন কোন দেশে সবচেয়ে বেশি আত্মমুগ্ধ মানুষ? বিশ্বজুড়ে জরিপে চমকপ্রদ ফল কমেডি দুনিয়ায় বড় প্রত্যাবর্তন: নতুন সিরিজ ‘রেজি ডিঙ্কিন্স’ ফিরিয়ে আনছে ত্রিশ রকের সেই ঝড় আমেরিকার ‘রাজপরিবার’ কাহিনি: কেনেডি প্রেমগাথা সিরিজে বাস্তবের চেয়ে নাটকই বেশি? ওজন কমানোর বড়ি: চিকিৎসায় নতুন যুগ নাকি নতুন ঝুঁকি? মানুষের রক্তেই ঝুঁকছে মশা! বন ধ্বংসে বাড়ছে নতুন বিপদ রোজার রাতে আমিরাতের ‘ঘাবগা’ ঐতিহ্য: পরিবার-বন্ধুদের মিলনে ভরে ওঠে রাত

আহত শিউলি

হেমন্তের শিশিরে শিউলি ফুলগুলো
তাদের কমলা ও শাদায় মিশানো শরীর নিয়ে
সবুজ দুর্বাদলের ওপর শুয়েছিলো—
অথচ তুমি তাদের দিকে না তাকিয়ে
ভোরের বাতাসে তোমার প্রিয়তমের
হাত ধরে চলে গেলে।
তোমার পায়ে নয়, জুতায় পিষ্ট হলো
ফুলগুলো—

একবার তোমার মুখের দিকে তাকিয়ে
একবার দলিত ফুলগুলোর দিকে তাকিয়ে—
আমি জানালা দিয়ে আকাশ দেখলাম—
হেমন্তের শিশিরে কুড়িয়ে নিয়ে এলাম
আহত শিউলিগুলো—
টেবিলের ফ্লাওয়ার ভাজ-এ শীতল পানি দিয়ে
শুইয়ে দিলাম আহত শিউলিদের—
ওরা আহত শব্দমালার মতো জলে ভেসে থাকলো।

দিন শেষে ওরা ওদের নিয়তিকে আলিঙ্গন করলো—
পাশের মন্দিরের ভজনের সুরে তখন
অন্ধকার ভেঙে যাচ্ছিলো— কেঁপে কেঁপে —
আমি রুমের সব আলোর সুইচ অফ করে
অন্ধকারে—

শিউলির আহত দেহ বা মৃত্যু নয়—
ভজনের গভীর সুর নয়—
আরও অনেক অনেক আহত শরীর—
আরও বেশি গভীর অন্ধকারের
অপেক্ষায় বসে রইলাম—

তোমার অনিন্দ্য সুন্দর মুখমণ্ডল মনে করে
আমার কেবলই মনে হতে থাকে—
এমনও সময় আসে,
যখন আলো জ্বালতে নেই—
আলোকে আসতে দিতে নেই—
আলো এলেই আহত বা নিহত শিউলিগুলোকে—
দেখা ছাড়া চোখের জন্যে
আর কোনো দৃষ্টিসীমা থাকে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

লিফটের বিধিনিষেধ কীভাবে আমেরিকার আবাসন বাজারে জটিলতা তৈরি করছে

আহত শিউলি

০৭:৪০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

হেমন্তের শিশিরে শিউলি ফুলগুলো
তাদের কমলা ও শাদায় মিশানো শরীর নিয়ে
সবুজ দুর্বাদলের ওপর শুয়েছিলো—
অথচ তুমি তাদের দিকে না তাকিয়ে
ভোরের বাতাসে তোমার প্রিয়তমের
হাত ধরে চলে গেলে।
তোমার পায়ে নয়, জুতায় পিষ্ট হলো
ফুলগুলো—

একবার তোমার মুখের দিকে তাকিয়ে
একবার দলিত ফুলগুলোর দিকে তাকিয়ে—
আমি জানালা দিয়ে আকাশ দেখলাম—
হেমন্তের শিশিরে কুড়িয়ে নিয়ে এলাম
আহত শিউলিগুলো—
টেবিলের ফ্লাওয়ার ভাজ-এ শীতল পানি দিয়ে
শুইয়ে দিলাম আহত শিউলিদের—
ওরা আহত শব্দমালার মতো জলে ভেসে থাকলো।

দিন শেষে ওরা ওদের নিয়তিকে আলিঙ্গন করলো—
পাশের মন্দিরের ভজনের সুরে তখন
অন্ধকার ভেঙে যাচ্ছিলো— কেঁপে কেঁপে —
আমি রুমের সব আলোর সুইচ অফ করে
অন্ধকারে—

শিউলির আহত দেহ বা মৃত্যু নয়—
ভজনের গভীর সুর নয়—
আরও অনেক অনেক আহত শরীর—
আরও বেশি গভীর অন্ধকারের
অপেক্ষায় বসে রইলাম—

তোমার অনিন্দ্য সুন্দর মুখমণ্ডল মনে করে
আমার কেবলই মনে হতে থাকে—
এমনও সময় আসে,
যখন আলো জ্বালতে নেই—
আলোকে আসতে দিতে নেই—
আলো এলেই আহত বা নিহত শিউলিগুলোকে—
দেখা ছাড়া চোখের জন্যে
আর কোনো দৃষ্টিসীমা থাকে না।