০৩:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
চীনের রাষ্ট্র-সমর্থিত থ্রিলার কি অজানা গুপ্তচরবৃত্তি কেসের তথ্য উন্মোচন করবে? মার্কিন ডলারের প্রতি আস্থা কমলে বিশ্ব অর্থনীতি ঝুঁকিতে, সতর্ক করলেন আইএমএফের সাবেক কর্মকর্তা চিপ নয়, এখন লড়াই তাপ নিয়ন্ত্রণে: এআই ডেটা সেন্টারের তাপ চ্যালেঞ্জে চীনের নতুন কৌশল রমজানে বয়কটের হুমকি, তবু ২০ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা পবিত্র মাসে মুসলমানদের ইবাদত, সংযম ও সামষ্টিক জীবনের রূপ কুষ্টিয়ার চার আসনে জামায়াতের তিনটিতে জয়, ১৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত জাকার্তা: বিপদ আর সম্ভাবনার শহর মালয়েশিয়ার ই-আবর্জনা নিষেধাজ্ঞা: কি বিশ্বব্যাপী টক্সিক বর্জ্য প্রবাহ বন্ধ করতে পারবে? এবার কারাগারে মারা গেলো গাইবান্দা আওয়ামী লীগ সভাপতি অক্সিজেন ফিরে এসেছে বিশ্ব ক্রিকেটে পাকিস্তান ও ভারতের মহাযুদ্ধ সামনে

হালাল পণ্যের মান ও স্বীকৃতিতে বাংলাদেশ–পাকিস্তান এমওইউ স্বাক্ষর

বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সোমবার হালাল পণ্যের মান, সার্টিফিকেশন ও পারস্পরিক স্বীকৃতি জোরদারের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তি হালাল পণ্য বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করবে বলে কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন।


মান ও স্বীকৃতিতে নতুন মাইলফলক

চুক্তির মাধ্যমে উভয় দেশ জাতীয় মান সংক্রান্ত সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি হালাল পণ্যের বাণিজ্য আরও সহজ করার পদক্ষেপ নিচ্ছে।

এনইসি কনফারেন্সে স্বাক্ষর অনুষ্ঠান

চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত নবম বাংলাদেশ – পাকিস্তান যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বৈঠকে। বাংলাদেশের পক্ষে বৈঠকে নেতৃত্ব দেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং পাকিস্তানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী আলি পারভেজ মালিক।

প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে চুক্তি স্বাক্ষর

বাংলাদেশের পক্ষে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাকসুদারা নূর এবং পাকিস্তানের পক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত হাইকমিশনার ইমরান হায়দার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

পণ্যের পারস্পরিক স্বীকৃতি

এমওইউ অনুযায়ী, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) কর্তৃক হালাল সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত পণ্য পাকিস্তানে পুনঃপরীক্ষা ছাড়াই গ্রহণযোগ্য হবে। একইভাবে, পাকিস্তান হালাল অথরিটি (পিএইচএ) কর্তৃক সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত পণ্য বাংলাদেশে অতিরিক্ত যাচাই ছাড়াই আমদানি করা যাবে।

বাণিজ্য সহজীকরণ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা

উভয় দেশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই উদ্যোগ হালাল পণ্য রপ্তানির প্রক্রিয়া সহজ করবে, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি করবে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও গভীর করবে।

সহযোগিতা জোরদারে দুই দেশের মন্তব্য

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসম্পন্ন বেশ কয়েকটি ক্ষেত্র চিহ্নিত হয়েছে যা দুই দেশের সহযোগিতা বাড়াতে সহায়ক হবে। তিনি আরও বলেন, “সার্ক পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগও চলমান রয়েছে। আশা করি, এই অংশীদারিত্ব জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করবে।”

পাকিস্তানের পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী আলি পারভেজ মালিক বলেন, এই চুক্তি পারস্পরিক আস্থা বাড়াবে এবং হালাল সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত পণ্যের বাণিজ্যকে উৎসাহিত করবে।

নতুন সম্ভাবনার দুয়ার

দুই দেশের কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, এই চুক্তি হালাল বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করবে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণে অবদান রাখবে।


# বাংলাদেশ_পাকিস্তান_বাণিজ্য, হালাল_পণ্য, বিএসটিআই, পিএইচএ, যৌথ_অর্থনৈতিক_কমিশন, সার্ক, দ্বিপাক্ষিক_সহযোগিতা, সারাক্ষণ_রিপোর্ট

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের রাষ্ট্র-সমর্থিত থ্রিলার কি অজানা গুপ্তচরবৃত্তি কেসের তথ্য উন্মোচন করবে?

হালাল পণ্যের মান ও স্বীকৃতিতে বাংলাদেশ–পাকিস্তান এমওইউ স্বাক্ষর

০৯:১১:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সোমবার হালাল পণ্যের মান, সার্টিফিকেশন ও পারস্পরিক স্বীকৃতি জোরদারের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তি হালাল পণ্য বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করবে বলে কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন।


মান ও স্বীকৃতিতে নতুন মাইলফলক

চুক্তির মাধ্যমে উভয় দেশ জাতীয় মান সংক্রান্ত সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি হালাল পণ্যের বাণিজ্য আরও সহজ করার পদক্ষেপ নিচ্ছে।

এনইসি কনফারেন্সে স্বাক্ষর অনুষ্ঠান

চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত নবম বাংলাদেশ – পাকিস্তান যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বৈঠকে। বাংলাদেশের পক্ষে বৈঠকে নেতৃত্ব দেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং পাকিস্তানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী আলি পারভেজ মালিক।

প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে চুক্তি স্বাক্ষর

বাংলাদেশের পক্ষে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাকসুদারা নূর এবং পাকিস্তানের পক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত হাইকমিশনার ইমরান হায়দার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

পণ্যের পারস্পরিক স্বীকৃতি

এমওইউ অনুযায়ী, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) কর্তৃক হালাল সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত পণ্য পাকিস্তানে পুনঃপরীক্ষা ছাড়াই গ্রহণযোগ্য হবে। একইভাবে, পাকিস্তান হালাল অথরিটি (পিএইচএ) কর্তৃক সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত পণ্য বাংলাদেশে অতিরিক্ত যাচাই ছাড়াই আমদানি করা যাবে।

বাণিজ্য সহজীকরণ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা

উভয় দেশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই উদ্যোগ হালাল পণ্য রপ্তানির প্রক্রিয়া সহজ করবে, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি করবে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও গভীর করবে।

সহযোগিতা জোরদারে দুই দেশের মন্তব্য

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসম্পন্ন বেশ কয়েকটি ক্ষেত্র চিহ্নিত হয়েছে যা দুই দেশের সহযোগিতা বাড়াতে সহায়ক হবে। তিনি আরও বলেন, “সার্ক পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগও চলমান রয়েছে। আশা করি, এই অংশীদারিত্ব জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করবে।”

পাকিস্তানের পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী আলি পারভেজ মালিক বলেন, এই চুক্তি পারস্পরিক আস্থা বাড়াবে এবং হালাল সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত পণ্যের বাণিজ্যকে উৎসাহিত করবে।

নতুন সম্ভাবনার দুয়ার

দুই দেশের কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, এই চুক্তি হালাল বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করবে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণে অবদান রাখবে।


# বাংলাদেশ_পাকিস্তান_বাণিজ্য, হালাল_পণ্য, বিএসটিআই, পিএইচএ, যৌথ_অর্থনৈতিক_কমিশন, সার্ক, দ্বিপাক্ষিক_সহযোগিতা, সারাক্ষণ_রিপোর্ট