০২:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
বাজেটে ভ্যাটের বড় পরিবর্তন: ছোট ব্যবসাও আসছে করজালে, বাড়তে পারে ফ্রিজ-এসির দাম খুলনায় ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা যুবককে, পুরোনো হামলার যোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশ ইউসিবিতে ৫,৫৯৫ কোটি টাকার সংরক্ষণ ঘাটতি, মূলধন সংকট নিয়ে অডিটরের গুরুতর সতর্কবার্তা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচনে বাংলাদেশের জয় সীমান্তে অপরাধ বা অবৈধ অনুপ্রবেশের ঘটনায় মৃত্যু হলে তা ‘সীমান্ত হত্যা’ নয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পেটের ভেতরেই রোগ শনাক্ত করবে ‘খাওয়া যায়’ এমন ইলেকট্রনিকস, চিকিৎসায় খুলছে নতুন দিগন্ত ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সংঘাত থামার আশা, নতুন করে আলোচনায় ইরান অটিজম থেরাপি খাতে বিস্ফোরক প্রবৃদ্ধি, সঙ্গে বাড়ছে বিল জালিয়াতির অভিযোগ ৮৪ বছরেও নতুন বাজি: ক্যাসিনো সাম্রাজ্য গড়তে এমজিএম কিনতে চান ব্যারি ডিলার আইপিএলের উত্থানে বদলে যাচ্ছে ক্রিকেটের মানচিত্র, বাড়ছে ক্লাবভিত্তিক আধিপত্যের প্রশ্ন

আলোচনার পরিবর্তে কেন শিক্ষকদের ওপর সহিংসতা — প্রশ্ন জিএম কাদেরের

আলোচনার বদলে সহিংসতা: জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের ক্ষোভ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলনের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের প্রশ্ন তুলেছেন—“যখন আলোচনা হতে পারত, তখন কেন সহিংসতা?” তিনি বলেন, যারা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনের গুরুদায়িত্ব পালন করছেন, তাদের ওপর হামলা একেবারেই অমানবিক ও ঘৃণিত। কাদের শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং আহতদের সুচিকিৎসা ও আটক শিক্ষকদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি করেন।


এরশাদ আমলের শিক্ষাবান্ধব নীতির উদাহরণ তুলে ধরেন কাদের

এক বিবৃতিতে জিএম কাদের বলেন, “১৯৮৬ সালে পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ কোনো আন্দোলন ছাড়াই লাখ লাখ প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণ করেছিলেন। প্রতিটি উপজেলায় একটি করে হাইস্কুল, একটি কলেজ ও একটি মহিলা কলেজ সরকারি করা হয়। তাছাড়া প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে তিনি প্রতিটি উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, থানা ভবন, উপজেলা কমপ্লেক্স, ভূমি অফিস, শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় এবং ফৌজদারি ও দায়রা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট স্থাপন করেন—যেখানে জনগণের কোনো আন্দোলন বা অনশন লাগেনি।”


বর্তমান সরকারের সমালোচনা

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আরও বলেন, “১৯৯১ সাল থেকে যেসব সরকার নিজেদের গণতান্ত্রিক বলে দাবি করছে, তাদের আমলেই আমরা বারবার শিক্ষকদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা দেখেছি। যদি শিক্ষক ও শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড হয়, তাহলে তা শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ কেন থাকবে? বিভিন্ন গণমাধ্যমে শিক্ষকদের ওপর বর্বরোচিত হামলার দৃশ্যগুলো দেখে আমি মর্মাহত।”


প্রশাসনিক সহিংসতার বিরোধিতা

তিনি প্রশ্ন তোলেন, “দাবি-দাওয়া মানা না–ই বা গেল, কিন্তু আলোচনার পরিবর্তে কেন এমন প্রশাসনিক সহিংসতা?”
জিএম কাদের বলেন, সরকারের উচিত ছিল শিক্ষকদের সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা, শক্তি প্রয়োগ নয়।


জনপ্রিয় সংবাদ

বাজেটে ভ্যাটের বড় পরিবর্তন: ছোট ব্যবসাও আসছে করজালে, বাড়তে পারে ফ্রিজ-এসির দাম

আলোচনার পরিবর্তে কেন শিক্ষকদের ওপর সহিংসতা — প্রশ্ন জিএম কাদেরের

০৩:০৬:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

আলোচনার বদলে সহিংসতা: জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের ক্ষোভ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলনের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের প্রশ্ন তুলেছেন—“যখন আলোচনা হতে পারত, তখন কেন সহিংসতা?” তিনি বলেন, যারা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনের গুরুদায়িত্ব পালন করছেন, তাদের ওপর হামলা একেবারেই অমানবিক ও ঘৃণিত। কাদের শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং আহতদের সুচিকিৎসা ও আটক শিক্ষকদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি করেন।


এরশাদ আমলের শিক্ষাবান্ধব নীতির উদাহরণ তুলে ধরেন কাদের

এক বিবৃতিতে জিএম কাদের বলেন, “১৯৮৬ সালে পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ কোনো আন্দোলন ছাড়াই লাখ লাখ প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণ করেছিলেন। প্রতিটি উপজেলায় একটি করে হাইস্কুল, একটি কলেজ ও একটি মহিলা কলেজ সরকারি করা হয়। তাছাড়া প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে তিনি প্রতিটি উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, থানা ভবন, উপজেলা কমপ্লেক্স, ভূমি অফিস, শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় এবং ফৌজদারি ও দায়রা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট স্থাপন করেন—যেখানে জনগণের কোনো আন্দোলন বা অনশন লাগেনি।”


বর্তমান সরকারের সমালোচনা

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আরও বলেন, “১৯৯১ সাল থেকে যেসব সরকার নিজেদের গণতান্ত্রিক বলে দাবি করছে, তাদের আমলেই আমরা বারবার শিক্ষকদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা দেখেছি। যদি শিক্ষক ও শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড হয়, তাহলে তা শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ কেন থাকবে? বিভিন্ন গণমাধ্যমে শিক্ষকদের ওপর বর্বরোচিত হামলার দৃশ্যগুলো দেখে আমি মর্মাহত।”


প্রশাসনিক সহিংসতার বিরোধিতা

তিনি প্রশ্ন তোলেন, “দাবি-দাওয়া মানা না–ই বা গেল, কিন্তু আলোচনার পরিবর্তে কেন এমন প্রশাসনিক সহিংসতা?”
জিএম কাদের বলেন, সরকারের উচিত ছিল শিক্ষকদের সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা, শক্তি প্রয়োগ নয়।