০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
গরুর বুদ্ধির চমক! ঝাড়ু ব্যবহার করে নিজেই চুলকানি মেটায় ‘ভেরোনিকা’ গাজায় যুদ্ধের নতুন ছায়া: থমকে গেছে পুর্ণগঠন,আবার শক্তি বাড়াচ্ছে হামাস রঙ বদলে লুকিয়ে থাকা সমুদ্রের ক্ষুদে শিকারি: ক্যান্ডি কাঁকড়ার বিস্ময়কর জীবন কোন দেশে সবচেয়ে বেশি আত্মমুগ্ধ মানুষ? বিশ্বজুড়ে জরিপে চমকপ্রদ ফল কমেডি দুনিয়ায় বড় প্রত্যাবর্তন: নতুন সিরিজ ‘রেজি ডিঙ্কিন্স’ ফিরিয়ে আনছে ত্রিশ রকের সেই ঝড় আমেরিকার ‘রাজপরিবার’ কাহিনি: কেনেডি প্রেমগাথা সিরিজে বাস্তবের চেয়ে নাটকই বেশি? ওজন কমানোর বড়ি: চিকিৎসায় নতুন যুগ নাকি নতুন ঝুঁকি? মানুষের রক্তেই ঝুঁকছে মশা! বন ধ্বংসে বাড়ছে নতুন বিপদ রোজার রাতে আমিরাতের ‘ঘাবগা’ ঐতিহ্য: পরিবার-বন্ধুদের মিলনে ভরে ওঠে রাত তেল সরবরাহে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধাক্কা, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নিয়ে সতর্ক করল আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা

আলোচনার পরিবর্তে কেন শিক্ষকদের ওপর সহিংসতা — প্রশ্ন জিএম কাদেরের

আলোচনার বদলে সহিংসতা: জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের ক্ষোভ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলনের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের প্রশ্ন তুলেছেন—“যখন আলোচনা হতে পারত, তখন কেন সহিংসতা?” তিনি বলেন, যারা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনের গুরুদায়িত্ব পালন করছেন, তাদের ওপর হামলা একেবারেই অমানবিক ও ঘৃণিত। কাদের শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং আহতদের সুচিকিৎসা ও আটক শিক্ষকদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি করেন।


এরশাদ আমলের শিক্ষাবান্ধব নীতির উদাহরণ তুলে ধরেন কাদের

এক বিবৃতিতে জিএম কাদের বলেন, “১৯৮৬ সালে পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ কোনো আন্দোলন ছাড়াই লাখ লাখ প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণ করেছিলেন। প্রতিটি উপজেলায় একটি করে হাইস্কুল, একটি কলেজ ও একটি মহিলা কলেজ সরকারি করা হয়। তাছাড়া প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে তিনি প্রতিটি উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, থানা ভবন, উপজেলা কমপ্লেক্স, ভূমি অফিস, শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় এবং ফৌজদারি ও দায়রা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট স্থাপন করেন—যেখানে জনগণের কোনো আন্দোলন বা অনশন লাগেনি।”


বর্তমান সরকারের সমালোচনা

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আরও বলেন, “১৯৯১ সাল থেকে যেসব সরকার নিজেদের গণতান্ত্রিক বলে দাবি করছে, তাদের আমলেই আমরা বারবার শিক্ষকদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা দেখেছি। যদি শিক্ষক ও শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড হয়, তাহলে তা শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ কেন থাকবে? বিভিন্ন গণমাধ্যমে শিক্ষকদের ওপর বর্বরোচিত হামলার দৃশ্যগুলো দেখে আমি মর্মাহত।”


প্রশাসনিক সহিংসতার বিরোধিতা

তিনি প্রশ্ন তোলেন, “দাবি-দাওয়া মানা না–ই বা গেল, কিন্তু আলোচনার পরিবর্তে কেন এমন প্রশাসনিক সহিংসতা?”
জিএম কাদের বলেন, সরকারের উচিত ছিল শিক্ষকদের সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা, শক্তি প্রয়োগ নয়।


জনপ্রিয় সংবাদ

গরুর বুদ্ধির চমক! ঝাড়ু ব্যবহার করে নিজেই চুলকানি মেটায় ‘ভেরোনিকা’

আলোচনার পরিবর্তে কেন শিক্ষকদের ওপর সহিংসতা — প্রশ্ন জিএম কাদেরের

০৩:০৬:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

আলোচনার বদলে সহিংসতা: জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের ক্ষোভ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলনের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের প্রশ্ন তুলেছেন—“যখন আলোচনা হতে পারত, তখন কেন সহিংসতা?” তিনি বলেন, যারা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনের গুরুদায়িত্ব পালন করছেন, তাদের ওপর হামলা একেবারেই অমানবিক ও ঘৃণিত। কাদের শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং আহতদের সুচিকিৎসা ও আটক শিক্ষকদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি করেন।


এরশাদ আমলের শিক্ষাবান্ধব নীতির উদাহরণ তুলে ধরেন কাদের

এক বিবৃতিতে জিএম কাদের বলেন, “১৯৮৬ সালে পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ কোনো আন্দোলন ছাড়াই লাখ লাখ প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণ করেছিলেন। প্রতিটি উপজেলায় একটি করে হাইস্কুল, একটি কলেজ ও একটি মহিলা কলেজ সরকারি করা হয়। তাছাড়া প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে তিনি প্রতিটি উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, থানা ভবন, উপজেলা কমপ্লেক্স, ভূমি অফিস, শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় এবং ফৌজদারি ও দায়রা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট স্থাপন করেন—যেখানে জনগণের কোনো আন্দোলন বা অনশন লাগেনি।”


বর্তমান সরকারের সমালোচনা

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আরও বলেন, “১৯৯১ সাল থেকে যেসব সরকার নিজেদের গণতান্ত্রিক বলে দাবি করছে, তাদের আমলেই আমরা বারবার শিক্ষকদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা দেখেছি। যদি শিক্ষক ও শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড হয়, তাহলে তা শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ কেন থাকবে? বিভিন্ন গণমাধ্যমে শিক্ষকদের ওপর বর্বরোচিত হামলার দৃশ্যগুলো দেখে আমি মর্মাহত।”


প্রশাসনিক সহিংসতার বিরোধিতা

তিনি প্রশ্ন তোলেন, “দাবি-দাওয়া মানা না–ই বা গেল, কিন্তু আলোচনার পরিবর্তে কেন এমন প্রশাসনিক সহিংসতা?”
জিএম কাদের বলেন, সরকারের উচিত ছিল শিক্ষকদের সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা, শক্তি প্রয়োগ নয়।