০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
গরুর বুদ্ধির চমক! ঝাড়ু ব্যবহার করে নিজেই চুলকানি মেটায় ‘ভেরোনিকা’ গাজায় যুদ্ধের নতুন ছায়া: থমকে গেছে পুর্ণগঠন,আবার শক্তি বাড়াচ্ছে হামাস রঙ বদলে লুকিয়ে থাকা সমুদ্রের ক্ষুদে শিকারি: ক্যান্ডি কাঁকড়ার বিস্ময়কর জীবন কোন দেশে সবচেয়ে বেশি আত্মমুগ্ধ মানুষ? বিশ্বজুড়ে জরিপে চমকপ্রদ ফল কমেডি দুনিয়ায় বড় প্রত্যাবর্তন: নতুন সিরিজ ‘রেজি ডিঙ্কিন্স’ ফিরিয়ে আনছে ত্রিশ রকের সেই ঝড় আমেরিকার ‘রাজপরিবার’ কাহিনি: কেনেডি প্রেমগাথা সিরিজে বাস্তবের চেয়ে নাটকই বেশি? ওজন কমানোর বড়ি: চিকিৎসায় নতুন যুগ নাকি নতুন ঝুঁকি? মানুষের রক্তেই ঝুঁকছে মশা! বন ধ্বংসে বাড়ছে নতুন বিপদ রোজার রাতে আমিরাতের ‘ঘাবগা’ ঐতিহ্য: পরিবার-বন্ধুদের মিলনে ভরে ওঠে রাত তেল সরবরাহে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধাক্কা, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নিয়ে সতর্ক করল আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা

বাংলাদেশের সঙ্গে টাকা ও ট্যারিফ বিরোধে আন্তর্জাতিক সালিশিতে আদানি পাওয়ার”

বিরোধের উৎস ও কেন তা গুরুত্বপূর্ণ
ভারতের আদানি পাওয়ার জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের গোদ্ডায় স্থাপিত ১,৬০০ মেগাওয়াট প্ল্যান্ট থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানির যে চুক্তি ২০১৭ সালে হয়েছিল, পরিশোধ ও কিছু ব্যয়ের হিসাব মিল না হওয়ায় তারা এখন আন্তর্জাতিক সালিশি পথে যাচ্ছে। কোম্পানির দাবি, জ্বালানি, কর ছাড় ও অন্যান্য ‘পাস-থ্রু’ খরচ কীভাবে বিল করা হবে তা চুক্তিতে স্পষ্ট; কিন্তু সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বাংলাদেশি ক্রেতা সংস্থা কিছু বিল কমিয়ে বা বিলম্ব করে পরিশোধ করায় সেটা চুক্তিভঙ্গের পর্যায়ে চলে গেছে। ঢাকা বলছে, তারা আসলে কিছু হিসাব স্পষ্ট করতে চেয়েছিল এবং আলোচনাই প্রথম পছন্দ; কিন্তু সালিশি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় এখন বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উভয় পক্ষকেই ব্যাখ্যা করতে হবে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, গোদ্ডা প্ল্যান্ট থেকে আসা বিদ্যুৎ কখনও কখনও বাংলাদেশের মোট সরবরাহের প্রায় দশভাগ পূরণ করেছে, তাই কাগুজে বিরোধও ব্যাংকার ও ভবিষ্যৎ বিনিয়োগকারীদের কাছে সতর্কবার্তা হয়ে যায়।
ভবিষ্যৎ সীমান্তপারের বিদ্যুৎ বাণিজ্যের জন্য ইঙ্গিত
দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশ ভারতীয় বেসরকারি প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে; তাই টাকার মানের ওঠানামা, ডলারে পরিশোধ ও কর-সুবিধার ব্যবহার নিয়ে একবার বিরোধ সৃষ্টি হলে বাকি প্রকল্পগুলোও সতর্ক হয়ে যাবে। বিদ্যুৎ কিনে নেওয়া দেশের মুদ্রা দুর্বল হলে বা তারা অভ্যন্তরীণ রাজনীতির কারণে বিল আটকে রাখলে প্রকল্পের ঋণ পরিশোধ চাপের মুখে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত সালিশিই একমাত্র রাস্তা হয়—যা সময় ও খরচ দুটোই বাড়ায়। বাংলাদেশের জন্য এটি একটি স্পষ্ট বার্তা: নতুন চুক্তিতে বৈদেশিক মুদ্রার ঝুঁকি, রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টি, কর ছাড়ের শর্ত ও সালিশি পর্যন্ত যাওয়ার টাইমলাইন আরও নির্দিষ্ট করতে হবে। দুই পক্ষই বলছে তারা সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়, তাই মীমাংসার সুযোগ আছে; কিন্তু সেই মীমাংসায় ভবিষ্যতের বড় শক্তি আমদানির জন্য আরও কঠোর শর্ত যুক্ত হয়ে যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গরুর বুদ্ধির চমক! ঝাড়ু ব্যবহার করে নিজেই চুলকানি মেটায় ‘ভেরোনিকা’

বাংলাদেশের সঙ্গে টাকা ও ট্যারিফ বিরোধে আন্তর্জাতিক সালিশিতে আদানি পাওয়ার”

০৭:৫৯:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

বিরোধের উৎস ও কেন তা গুরুত্বপূর্ণ
ভারতের আদানি পাওয়ার জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের গোদ্ডায় স্থাপিত ১,৬০০ মেগাওয়াট প্ল্যান্ট থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানির যে চুক্তি ২০১৭ সালে হয়েছিল, পরিশোধ ও কিছু ব্যয়ের হিসাব মিল না হওয়ায় তারা এখন আন্তর্জাতিক সালিশি পথে যাচ্ছে। কোম্পানির দাবি, জ্বালানি, কর ছাড় ও অন্যান্য ‘পাস-থ্রু’ খরচ কীভাবে বিল করা হবে তা চুক্তিতে স্পষ্ট; কিন্তু সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বাংলাদেশি ক্রেতা সংস্থা কিছু বিল কমিয়ে বা বিলম্ব করে পরিশোধ করায় সেটা চুক্তিভঙ্গের পর্যায়ে চলে গেছে। ঢাকা বলছে, তারা আসলে কিছু হিসাব স্পষ্ট করতে চেয়েছিল এবং আলোচনাই প্রথম পছন্দ; কিন্তু সালিশি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় এখন বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উভয় পক্ষকেই ব্যাখ্যা করতে হবে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, গোদ্ডা প্ল্যান্ট থেকে আসা বিদ্যুৎ কখনও কখনও বাংলাদেশের মোট সরবরাহের প্রায় দশভাগ পূরণ করেছে, তাই কাগুজে বিরোধও ব্যাংকার ও ভবিষ্যৎ বিনিয়োগকারীদের কাছে সতর্কবার্তা হয়ে যায়।
ভবিষ্যৎ সীমান্তপারের বিদ্যুৎ বাণিজ্যের জন্য ইঙ্গিত
দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশ ভারতীয় বেসরকারি প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে; তাই টাকার মানের ওঠানামা, ডলারে পরিশোধ ও কর-সুবিধার ব্যবহার নিয়ে একবার বিরোধ সৃষ্টি হলে বাকি প্রকল্পগুলোও সতর্ক হয়ে যাবে। বিদ্যুৎ কিনে নেওয়া দেশের মুদ্রা দুর্বল হলে বা তারা অভ্যন্তরীণ রাজনীতির কারণে বিল আটকে রাখলে প্রকল্পের ঋণ পরিশোধ চাপের মুখে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত সালিশিই একমাত্র রাস্তা হয়—যা সময় ও খরচ দুটোই বাড়ায়। বাংলাদেশের জন্য এটি একটি স্পষ্ট বার্তা: নতুন চুক্তিতে বৈদেশিক মুদ্রার ঝুঁকি, রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টি, কর ছাড়ের শর্ত ও সালিশি পর্যন্ত যাওয়ার টাইমলাইন আরও নির্দিষ্ট করতে হবে। দুই পক্ষই বলছে তারা সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়, তাই মীমাংসার সুযোগ আছে; কিন্তু সেই মীমাংসায় ভবিষ্যতের বড় শক্তি আমদানির জন্য আরও কঠোর শর্ত যুক্ত হয়ে যাবে।