০৩:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
দিল্লি চলচ্চিত্র উৎসবে ‘মিনার-ই-দিল্লি’ সম্মানে রুনা লায়লা, মঞ্চ কাঁপালেন উষা উত্থুপের সঙ্গে দ্বৈত পরিবেশনায় আরাকান আর্মির প্রধান তুয়ান ম্রাত নাইং: মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে আলোচনা, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে খোলামেলা সাক্ষাৎকার বড় পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রে আবার উৎপাদন বন্ধ  ৪৭ আসনে জয়ের ব্যবধান ছাড়িয়েছে বাদ পড়া ভোটার—বঙ্গের ফলাফলে এসআইআর নিয়ে নতুন প্রশ্ন ভারতে প্রথমবার তরুণ ভোটারদের জোয়ারে বদলের বার্তা- নতুন রাজনৈতিক সংকেত পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের কৌশল: অঞ্চলভিত্তিক পরিকল্পনা, ইস্যুভিত্তিক লড়াই হিমন্ত বিশ্ব শর্মা: উত্তর-পূর্বে বিজেপির উত্থানের মুখ, টানা তৃতীয় জয়ে আরও শক্ত অবস্থান পশ্চিমবঙ্গের ‘ঝালমুড়ি’ রাজনীতি মমতা: শেষ অধ্যায়, নাকি ফিনিক্সের মতো নতুন করে উত্থান? মেট গালার আগে ঝলমলে আভাস, নিউইয়র্কে জোয়ি ক্রাভিৎসের স্বচ্ছ পোশাক আর বাগদানের আংটি নজর কাড়ল

চিপ চাহিদায় দক্ষিণ কোরিয়ার রফতানি পুনরুদ্ধার

নভেম্বর মাসে দক্ষিণ কোরিয়ার রফতানি এখনো ঘোরানো হয়েছে মাইক্রোচিপ ও সেমিকন্ডাক্টারের জন্য। বিশেষজ্ঞদের জরিপ অনুযায়ী, রফতানি ৫.৭% বৃদ্ধি পেতে পারে — অক্টোবরের ৩.৫% থেকে। প্রথম ২০ দিনে চিপ রফতানি ২৬.৫% বাড়েছে। গাড়ি রফতানিও উন্নতি পেয়েছে, ২২.৯% বৃদ্ধি। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনসহ বড় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে।

এই উত্থান শুধুই কোরিয়ার জন্য না — পুরো পূর্ব এশিয়ার প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স শিল্পে চেইন-ইফেক্ট ফেলতে পারে। চিপের চাহিদা ও সরবরাহ বাড়লে, বানিজ্যিকভাবে সংযুক্ত দেশগুলোই উপকৃত হবে। উত্থান দেখা দিয়েছে উৎস্রুত সরবরাহ-চেইনে। বিশ্লেষকরা বলছেন, স্মৃতি চিপ এবং এআই-চিপ চাহিদা যদি এমন থাকে, তাহলে ২০২৬ সালের গোড়াও রফতানি ভালো থাকতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দিল্লি চলচ্চিত্র উৎসবে ‘মিনার-ই-দিল্লি’ সম্মানে রুনা লায়লা, মঞ্চ কাঁপালেন উষা উত্থুপের সঙ্গে দ্বৈত পরিবেশনায়

চিপ চাহিদায় দক্ষিণ কোরিয়ার রফতানি পুনরুদ্ধার

০৫:০০:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

নভেম্বর মাসে দক্ষিণ কোরিয়ার রফতানি এখনো ঘোরানো হয়েছে মাইক্রোচিপ ও সেমিকন্ডাক্টারের জন্য। বিশেষজ্ঞদের জরিপ অনুযায়ী, রফতানি ৫.৭% বৃদ্ধি পেতে পারে — অক্টোবরের ৩.৫% থেকে। প্রথম ২০ দিনে চিপ রফতানি ২৬.৫% বাড়েছে। গাড়ি রফতানিও উন্নতি পেয়েছে, ২২.৯% বৃদ্ধি। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনসহ বড় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে।

এই উত্থান শুধুই কোরিয়ার জন্য না — পুরো পূর্ব এশিয়ার প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স শিল্পে চেইন-ইফেক্ট ফেলতে পারে। চিপের চাহিদা ও সরবরাহ বাড়লে, বানিজ্যিকভাবে সংযুক্ত দেশগুলোই উপকৃত হবে। উত্থান দেখা দিয়েছে উৎস্রুত সরবরাহ-চেইনে। বিশ্লেষকরা বলছেন, স্মৃতি চিপ এবং এআই-চিপ চাহিদা যদি এমন থাকে, তাহলে ২০২৬ সালের গোড়াও রফতানি ভালো থাকতে পারে।