০৪:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
আমেরিকায় লেফটোভার বিপ্লব: মুদ্রাস্ফীতির চাপে রান্নাঘরে ফিরে আসছে সৃজনশীলতা ওয়াশিংটন হত্যাকাণ্ডের পর ট্রাম্পের নতুন অভিবাসন দমন: ‘রিভার্স মাইগ্রেশন’ এখন প্রশাসনের অগ্রাধিকার ইসরায়েলের সতর্কতা: ইরানের সঙ্গে আরেক দফা যুদ্ধ কি সামনে দাঁড়িয়ে? ইরানের নতুন বার্তা: পরমাণু আলোচনায় ফেরার বিরল সুযোগ এখনই ট্রাম্প প্রশাসনের অগ্রাধিকার নিয়ে উদ্বেগে অরিগনের উপকূলীয় মাছধরা শহর কাবুলের ইন্টারকনটিনেন্টাল: জাঁকজমক, যুদ্ধ আর মানুষের ভূতের মতো স্মৃতি সামুদ্রিক ফাঁদ টেনে তুলে নিল নেকড়ে: মানুষের রেখে যাওয়া ‘যন্ত্র’ ব্যবহার করে অবাক আচরণ পিপড়ের উপনিবেশে সিংহাসন দখল: ভুয়া রাণীর অভ্যুত্থান হংকংয়ের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১২৮ জন নিহত: ভবন–নিরাপত্তা, দুর্নীতি এবং সরকারি নজরদারি নিয়ে প্রশ্নের ঝড় সোলার রেডিয়েশনে ত্রুটি—বিশ্বজুড়ে ৬,০০০ এর বেশি Airbus A320 জরুরি মেরামতের তালিকায়

কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ধীরগতি: সঠিক নেতৃত্ব ও প্রশিক্ষণই বদলে দিতে পারে চিত্র

কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিপ্লব—যা আমরা কল্পনা করি—তা এখনো ছড়িয়ে পড়েনি পুরো সংগঠনে। বরং ছোট ছোট দলে, বিচ্ছিন্ন জায়গায় এআই–এর ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। এআই–কে ঘিরে যে সব আতঙ্ক ছড়ানো হয়—তা অনেক সময় ভুল ব্যাখ্যা, প্রসঙ্গহীন তথ্য বা অতিরঞ্জিত আশঙ্কার ফল।

মাইক্রোসফট রিসার্চের একটি আলোচিত গবেষণা উদাহরণ হতে পারে। গবেষণাটি দেখছিল—কোন কোন কাজে এআই সবচেয়ে বেশি সহায়ক হতে পারে। কিন্তু অনেকেই এটিকে চাকরি–ঝুঁকির তালিকা হিসেবে ব্যাখ্যা করেন—যেখানে ইতিহাসবিদেরা নাকি দ্বিতীয় সর্বাধিক ঝুঁকিতে! বাস্তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন।

প্রথম দিকের গ্রহণকারীরা তরুণ কর্মী—কিন্তু যাদের সবচেয়ে বেশি দরকার, তারা অনেক সময় পিছিয়ে

নতুন গবেষণা বলছে—পুরো সংগঠন নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের ভেতরের ছোট দলগুলোতে দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। এক ওষুধ কোম্পানির ৫০,০০০ কর্মীর ডেটা বিশ্লেষণ করে Workhelix দেখেছে—সবচেয়ে বেশি এআই ব্যবহার করছে ইন্টার্নরা।

Workhelix–এর সিইও জেমস মিলিনের মতে—কর্মীর পদ নয়, নতুন কিছু পরীক্ষা করতে আগ্রহ—এটাই এআই গ্রহণের প্রধান চালক। বয়সও নির্ভরযোগ্য সূচক নয়—অনেক তরুণও এআই–বিরোধী।

আরেকটি দল যেখানে এআই ব্যবহারের জোয়ার—R&D বিজ্ঞানীরা। তাদের ক্যারিয়ারই গড়ে উঠেছে নতুন প্রযুক্তি দ্রুত কাজে লাগানোর দক্ষতার উপর।

গবেষকেরা বলছেন, এই চিত্র পুরো করপোরেট জগতের প্রতিফলন। ফলে স্টার্টআপগুলোর সুযোগ বাড়ছে—কারণ বড় কোম্পানিগুলো ধীর গতিতে বদলায়, আর তরুণ টিম সহজেই পাল্টে নিতে পারে কাজের ধরন।

এআই প্রয়োগের বড় বাধা—পুরো কর্মপ্রবাহ পাল্টাতে হয়

ম্যাকিন্সি প্রায় এক দশক ধরে এআই গ্রহণ নিয়ে নির্বাহীদের সমীক্ষা করছে। তাদের সর্বশেষ জরিপ বলছে—দুই–তৃতীয়াংশ কোম্পানি এখনো “পাইলট প্রজেক্ট” স্তরে; আর মাত্র প্রতি ২০টির মধ্যে একটি কোম্পানি এআই পুরোপুরি একীভূত করে আয়েও ৫%–এর বেশি প্রভাব দেখছে।

মাইকেল চুই, ম্যাকিন্সির গবেষক, বলছেন—বছরের পর বছর আগের মতোই দুর্গতি একই—এআই প্রয়োগ মানে পুরো কর্মপ্রবাহ বদলে দেওয়া, যেখানে বহুজন জড়িত। শুধু প্রযুক্তি দেওয়াই সমাধান নয়—এটি কার্যক্রমকে সাময়িকভাবে আরও ধীরও করতে পারে।

এই ধীরগতির ঘটনাই পুনরাবৃত্তি করছে সোলোর ‘প্রোডাক্টিভিটি প্যারাডক্স’: নতুন প্রযুক্তির সুফল আসতে সময় লাগে, কারণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজেদের ভেতর কাজের ধরন পুনর্গঠন করতে হয়।

লজিকমনিটর উদাহরণ: নেতৃত্ব চাইলে পরিবর্তন দ্রুত ছড়ায়

২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত সফটওয়্যার কোম্পানি লজিকমনিটরের নেতৃত্ব সম্প্রতি সিদ্ধান্ত নেয়—তারা জেনারেটিভ এআই–এ সর্বাত্মক বিনিয়োগ করবে।
প্রথম পদক্ষেপ—সব কর্মীর জন্য ChatGPT Enterprise।
তারপর টপ-ডাউন নির্দেশ—সবার পরীক্ষামূলক ব্যবহার বাধ্যতামূলক।

ফল? কোম্পানির ৯৬% কর্মী এখন এআই নিয়ে কমপক্ষে কিছু না কিছু করছে। বিক্রয়, আইন, প্রকৌশল—সব বিভাগ মিলিয়ে ১,৬০০–র বেশি কাস্টম চ্যাটবট তৈরি হয়েছে। নেতৃত্ব নিজে ১২% চ্যাটবট বানিয়েছে।

Workhelix–এর ‘এআই অ্যাডপশন’ মূল্যায়নে দেখা যায়—সবচেয়ে এগিয়ে ভারত-ভিত্তিক তরুণ প্রকৌশলীরা। এই তথ্য দেখে প্রতিষ্ঠানটি এখন সিনিয়র মার্কিন প্রকৌশলীদেরও এআই ব্যবহারে উৎসাহ দিচ্ছে।

গবেষণার আসল বার্তা: যাদের কাজে এআই–এর সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, তারাই সবচেয়ে পিছিয়ে

মাইক্রোসফট গবেষণাটি যে বিষয়টি স্পষ্ট করতে চেয়েছিল—এআই সবচেয়ে কার্যকর হবে গবেষণা ও লেখাভিত্তিক কাজে। কিন্তু এই ক্ষেত্রগুলোতেই গ্রহণ সবচেয়ে ধীর। ইতিহাসবিদ থেকে নীতি গবেষক—সবাইয়ের কাজে এআই বিশাল সহায়ক হতে পারে, কিন্তু তারা এখনো শুরুতেই আটকে।

বাস্তবতা হলো—এআই গ্রহণ এখনো প্রথম ধাপেই। সবচেয়ে উৎসাহী ব্যবহারকারী তরুণ কর্মী—যারা নিজেদের মূল্য বাড়াতে ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে প্রযুক্তি শিখছে। নেতাদের দায়িত্ব—তাদের কাছ থেকেই শেখা, এবং সংগঠনের ভেতর পরিবর্তনের পথ খুলে দেওয়া।

শেষকথা—এআই আপনার চাকরি নেবে কি নেবে না—তা নয়, বরং এআই ব্যবহারকারী কেউ আপনার চাকরি নিতে পারে। কোম্পানির ক্ষেত্রেও একই সত্য।

Meta Description: কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহার এখনো ধীর ও অসমান। তরুণ কর্মী এগিয়ে, কিন্তু প্রতিষ্ঠানের বড় অংশে নেতৃত্ব, প্রশিক্ষণ ও workflow পরিবর্তন ছাড়া অগ্রগতি অসম্ভব।

Keyphrase: কর্মক্ষেত্রে এআই গ্রহণ

Facebook Caption:
গবেষণায় দেখা যাচ্ছে—এআই বিপ্লব এখনো বিচ্ছিন্ন দলে সীমাবদ্ধ। যারা সবচেয়ে উপকৃত হওয়ার কথা, তারাই সবচেয়ে পিছিয়ে। নেতৃত্ব, প্রশিক্ষণ ও workflow পরিবর্তনই এআই ব্যবহারের গতি বাড়াতে পারে।

#AI #FutureOfWork #Technology #Sarakhon #ThePresentWorld

জনপ্রিয় সংবাদ

আমেরিকায় লেফটোভার বিপ্লব: মুদ্রাস্ফীতির চাপে রান্নাঘরে ফিরে আসছে সৃজনশীলতা

কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ধীরগতি: সঠিক নেতৃত্ব ও প্রশিক্ষণই বদলে দিতে পারে চিত্র

০২:৫৬:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিপ্লব—যা আমরা কল্পনা করি—তা এখনো ছড়িয়ে পড়েনি পুরো সংগঠনে। বরং ছোট ছোট দলে, বিচ্ছিন্ন জায়গায় এআই–এর ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। এআই–কে ঘিরে যে সব আতঙ্ক ছড়ানো হয়—তা অনেক সময় ভুল ব্যাখ্যা, প্রসঙ্গহীন তথ্য বা অতিরঞ্জিত আশঙ্কার ফল।

মাইক্রোসফট রিসার্চের একটি আলোচিত গবেষণা উদাহরণ হতে পারে। গবেষণাটি দেখছিল—কোন কোন কাজে এআই সবচেয়ে বেশি সহায়ক হতে পারে। কিন্তু অনেকেই এটিকে চাকরি–ঝুঁকির তালিকা হিসেবে ব্যাখ্যা করেন—যেখানে ইতিহাসবিদেরা নাকি দ্বিতীয় সর্বাধিক ঝুঁকিতে! বাস্তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন।

প্রথম দিকের গ্রহণকারীরা তরুণ কর্মী—কিন্তু যাদের সবচেয়ে বেশি দরকার, তারা অনেক সময় পিছিয়ে

নতুন গবেষণা বলছে—পুরো সংগঠন নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের ভেতরের ছোট দলগুলোতে দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। এক ওষুধ কোম্পানির ৫০,০০০ কর্মীর ডেটা বিশ্লেষণ করে Workhelix দেখেছে—সবচেয়ে বেশি এআই ব্যবহার করছে ইন্টার্নরা।

Workhelix–এর সিইও জেমস মিলিনের মতে—কর্মীর পদ নয়, নতুন কিছু পরীক্ষা করতে আগ্রহ—এটাই এআই গ্রহণের প্রধান চালক। বয়সও নির্ভরযোগ্য সূচক নয়—অনেক তরুণও এআই–বিরোধী।

আরেকটি দল যেখানে এআই ব্যবহারের জোয়ার—R&D বিজ্ঞানীরা। তাদের ক্যারিয়ারই গড়ে উঠেছে নতুন প্রযুক্তি দ্রুত কাজে লাগানোর দক্ষতার উপর।

গবেষকেরা বলছেন, এই চিত্র পুরো করপোরেট জগতের প্রতিফলন। ফলে স্টার্টআপগুলোর সুযোগ বাড়ছে—কারণ বড় কোম্পানিগুলো ধীর গতিতে বদলায়, আর তরুণ টিম সহজেই পাল্টে নিতে পারে কাজের ধরন।

এআই প্রয়োগের বড় বাধা—পুরো কর্মপ্রবাহ পাল্টাতে হয়

ম্যাকিন্সি প্রায় এক দশক ধরে এআই গ্রহণ নিয়ে নির্বাহীদের সমীক্ষা করছে। তাদের সর্বশেষ জরিপ বলছে—দুই–তৃতীয়াংশ কোম্পানি এখনো “পাইলট প্রজেক্ট” স্তরে; আর মাত্র প্রতি ২০টির মধ্যে একটি কোম্পানি এআই পুরোপুরি একীভূত করে আয়েও ৫%–এর বেশি প্রভাব দেখছে।

মাইকেল চুই, ম্যাকিন্সির গবেষক, বলছেন—বছরের পর বছর আগের মতোই দুর্গতি একই—এআই প্রয়োগ মানে পুরো কর্মপ্রবাহ বদলে দেওয়া, যেখানে বহুজন জড়িত। শুধু প্রযুক্তি দেওয়াই সমাধান নয়—এটি কার্যক্রমকে সাময়িকভাবে আরও ধীরও করতে পারে।

এই ধীরগতির ঘটনাই পুনরাবৃত্তি করছে সোলোর ‘প্রোডাক্টিভিটি প্যারাডক্স’: নতুন প্রযুক্তির সুফল আসতে সময় লাগে, কারণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজেদের ভেতর কাজের ধরন পুনর্গঠন করতে হয়।

লজিকমনিটর উদাহরণ: নেতৃত্ব চাইলে পরিবর্তন দ্রুত ছড়ায়

২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত সফটওয়্যার কোম্পানি লজিকমনিটরের নেতৃত্ব সম্প্রতি সিদ্ধান্ত নেয়—তারা জেনারেটিভ এআই–এ সর্বাত্মক বিনিয়োগ করবে।
প্রথম পদক্ষেপ—সব কর্মীর জন্য ChatGPT Enterprise।
তারপর টপ-ডাউন নির্দেশ—সবার পরীক্ষামূলক ব্যবহার বাধ্যতামূলক।

ফল? কোম্পানির ৯৬% কর্মী এখন এআই নিয়ে কমপক্ষে কিছু না কিছু করছে। বিক্রয়, আইন, প্রকৌশল—সব বিভাগ মিলিয়ে ১,৬০০–র বেশি কাস্টম চ্যাটবট তৈরি হয়েছে। নেতৃত্ব নিজে ১২% চ্যাটবট বানিয়েছে।

Workhelix–এর ‘এআই অ্যাডপশন’ মূল্যায়নে দেখা যায়—সবচেয়ে এগিয়ে ভারত-ভিত্তিক তরুণ প্রকৌশলীরা। এই তথ্য দেখে প্রতিষ্ঠানটি এখন সিনিয়র মার্কিন প্রকৌশলীদেরও এআই ব্যবহারে উৎসাহ দিচ্ছে।

গবেষণার আসল বার্তা: যাদের কাজে এআই–এর সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, তারাই সবচেয়ে পিছিয়ে

মাইক্রোসফট গবেষণাটি যে বিষয়টি স্পষ্ট করতে চেয়েছিল—এআই সবচেয়ে কার্যকর হবে গবেষণা ও লেখাভিত্তিক কাজে। কিন্তু এই ক্ষেত্রগুলোতেই গ্রহণ সবচেয়ে ধীর। ইতিহাসবিদ থেকে নীতি গবেষক—সবাইয়ের কাজে এআই বিশাল সহায়ক হতে পারে, কিন্তু তারা এখনো শুরুতেই আটকে।

বাস্তবতা হলো—এআই গ্রহণ এখনো প্রথম ধাপেই। সবচেয়ে উৎসাহী ব্যবহারকারী তরুণ কর্মী—যারা নিজেদের মূল্য বাড়াতে ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে প্রযুক্তি শিখছে। নেতাদের দায়িত্ব—তাদের কাছ থেকেই শেখা, এবং সংগঠনের ভেতর পরিবর্তনের পথ খুলে দেওয়া।

শেষকথা—এআই আপনার চাকরি নেবে কি নেবে না—তা নয়, বরং এআই ব্যবহারকারী কেউ আপনার চাকরি নিতে পারে। কোম্পানির ক্ষেত্রেও একই সত্য।

Meta Description: কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহার এখনো ধীর ও অসমান। তরুণ কর্মী এগিয়ে, কিন্তু প্রতিষ্ঠানের বড় অংশে নেতৃত্ব, প্রশিক্ষণ ও workflow পরিবর্তন ছাড়া অগ্রগতি অসম্ভব।

Keyphrase: কর্মক্ষেত্রে এআই গ্রহণ

Facebook Caption:
গবেষণায় দেখা যাচ্ছে—এআই বিপ্লব এখনো বিচ্ছিন্ন দলে সীমাবদ্ধ। যারা সবচেয়ে উপকৃত হওয়ার কথা, তারাই সবচেয়ে পিছিয়ে। নেতৃত্ব, প্রশিক্ষণ ও workflow পরিবর্তনই এআই ব্যবহারের গতি বাড়াতে পারে।

#AI #FutureOfWork #Technology #Sarakhon #ThePresentWorld