০৬:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
বিকেলে বসানো সিসিটিভি, সন্ধ্যাতেই ভাঙচুরে উত্তেজনা ক্যাম্বোডিয়ায় প্রতারণা চক্রে ধস, পলায়নকারী বিদেশি শ্রমিকে ভরে উঠছে নম পেন ট্রাম্পের শান্তি বোর্ডে যোগদান নিয়ে প্রশ্নের ঝড়, সংসদ এড়িয়ে সিদ্ধান্তে সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে বিরোধীদের তীব্র আপত্তি ট্রাম্পের শুল্কচাপে ভারতের পাশে চীন, রপ্তানিতে নতুন গতি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘিরে নতুন বিতর্ক, বাংলাদেশকে সরাতে পাকিস্তানের উসকানি দাবি মদন লালের ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে আতঙ্ক, আহমেদাবাদ ও নয়ডার একাধিক স্কুলে বোমা হামলার হুমকি টিকটক বাঁচাতে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন যৌথ উদ্যোগ, মালিকানায় আমেরিকান আধিপত্য গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পূর্ণ প্রবেশাধিকার’ দাবি, ন্যাটোর ছায়ায় স্বস্তি হলেও অনিশ্চয়তা কাটেনি ঢাকায় আজও ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু—পিএম ২.৫ দূষণে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে বার্সেলোনায় ঘরে ঘরে চিকিৎসা, তরুণদের হাতে ভবিষ্যৎ

চট্টগ্রামে রোড ক্র্যাশে নিহত–আহতদের স্মরণে মানববন্ধন

সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের দাবি
চট্টগ্রামে রোড ক্র্যাশে নিহত ও আহতদের স্মরণে বিশ্ব স্মরণ দিবস ২০২৫ উপলক্ষে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। “সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামাও, সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের দাবি” স্লোগানে আয়োজিত এ কর্মসূচি ২ ডিসেম্বর ২০২৫ বিকাল ৩টা ৪৫ মিনিটে জিইসি কনভেনশন হলের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির আয়োজন করে স্টেপস টুয়ার্ডস ডেভেলপমেন্ট, পলিসি ইনফ্লুয়েন্স গ্রুপ–চট্টগ্রাম এবং ক্যাব চট্টগ্রাম।


অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব ও অংশগ্রহণ
সভাপতিত্ব করেন পলিসি ইনফ্লুয়েন্স গ্রুপ চট্টগ্রামের সভাপতি ও বিশিষ্ট কলামিস্ট মুহাম্মদ মুসা খান। সঞ্চালনায় ছিলেন আইএসডিই-র কর্মসূচি কর্মকর্তা রাইসুল ইসলাম। সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, মানবাধিকার কর্মী রোটারিয়ান এস এম আজিজসহ বিভিন্ন উন্নয়নকর্মী, সামাজিক সংগঠক ও যুব প্রতিনিধিরা। দিবসের ধারণাপত্র পাঠ করেন রাসেল উদ্দীন।

রোড ক্র্যাশ: বৈশ্বিক সংকট ও ক্রমবর্ধমান ক্ষয়ক্ষতি
বক্তারা বলেন, প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এর গভীর প্রভাব পড়ছে অসংখ্য পরিবারের ওপর—শোক, শারীরিক ক্ষতি, মানসিক আঘাত ও আর্থিক দুর্ভোগ দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে।
এ সময় বক্তারা জরুরি সেবা কর্মী, চিকিৎসক ও পুলিশ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান, যারা প্রতিদিন দুর্ঘটনার ভয়াবহতার মুখোমুখি হন এবং পরিস্থিতি মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

কার্যকর সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের দাবি
বক্তাদের মতে, বাংলাদেশে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ও শক্তিশালী আইনি কাঠামো এখনো যথেষ্ট নয়। তাই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের আলোকে দ্রুত একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন জরুরি।
তারা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে সড়ক নিরাপত্তা ইস্যু অন্তর্ভুক্ত করারও দাবি জানান।


রোড ক্র্যাশ: বৈশ্বিক পরিসংখ্যান ও সামাজিক-অর্থনৈতিক ক্ষতি
বক্তারা জানান, প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় ৫০ মিলিয়ন ব্যক্তি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান বা আহত হন। এটি দুর্বল জনগোষ্ঠী ও তরুণদের ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে। আহত হওয়া ব্যক্তিদের দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক যন্ত্রণার পাশাপাশি মৃতদের পরিবারকে সহ্য করতে হয় গভীর শোক। এর সঙ্গে যুক্ত হয় দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব।
২০২১–২০৩০ সালের সড়ক নিরাপত্তা কর্মদশকে বৈশ্বিকভাবে সড়ক দুর্ঘটনা ৫০ শতাংশ কমানোর যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—বিশ্ব স্মরণ দিবস এ লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিশ্ব স্মরণ দিবস: পটভূমি ও এ বছরের প্রতিপাদ্য
প্রতি বছর নভেম্বরের তৃতীয় রবিবার “রোড ক্র্যাশে হতাহতদের জন্য স্মরণ দিবস” পালিত হয়। ২০২৫ সালে দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল:
“মনে রেখো, সমর্থন করো, কাজ করো”
এই প্রতিপাদ্য সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণ, আহত ও শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এবং সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরে।


জনপ্রিয় সংবাদ

বিকেলে বসানো সিসিটিভি, সন্ধ্যাতেই ভাঙচুরে উত্তেজনা

চট্টগ্রামে রোড ক্র্যাশে নিহত–আহতদের স্মরণে মানববন্ধন

০৮:৪৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের দাবি
চট্টগ্রামে রোড ক্র্যাশে নিহত ও আহতদের স্মরণে বিশ্ব স্মরণ দিবস ২০২৫ উপলক্ষে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। “সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামাও, সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের দাবি” স্লোগানে আয়োজিত এ কর্মসূচি ২ ডিসেম্বর ২০২৫ বিকাল ৩টা ৪৫ মিনিটে জিইসি কনভেনশন হলের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির আয়োজন করে স্টেপস টুয়ার্ডস ডেভেলপমেন্ট, পলিসি ইনফ্লুয়েন্স গ্রুপ–চট্টগ্রাম এবং ক্যাব চট্টগ্রাম।


অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব ও অংশগ্রহণ
সভাপতিত্ব করেন পলিসি ইনফ্লুয়েন্স গ্রুপ চট্টগ্রামের সভাপতি ও বিশিষ্ট কলামিস্ট মুহাম্মদ মুসা খান। সঞ্চালনায় ছিলেন আইএসডিই-র কর্মসূচি কর্মকর্তা রাইসুল ইসলাম। সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, মানবাধিকার কর্মী রোটারিয়ান এস এম আজিজসহ বিভিন্ন উন্নয়নকর্মী, সামাজিক সংগঠক ও যুব প্রতিনিধিরা। দিবসের ধারণাপত্র পাঠ করেন রাসেল উদ্দীন।

রোড ক্র্যাশ: বৈশ্বিক সংকট ও ক্রমবর্ধমান ক্ষয়ক্ষতি
বক্তারা বলেন, প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এর গভীর প্রভাব পড়ছে অসংখ্য পরিবারের ওপর—শোক, শারীরিক ক্ষতি, মানসিক আঘাত ও আর্থিক দুর্ভোগ দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে।
এ সময় বক্তারা জরুরি সেবা কর্মী, চিকিৎসক ও পুলিশ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান, যারা প্রতিদিন দুর্ঘটনার ভয়াবহতার মুখোমুখি হন এবং পরিস্থিতি মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

কার্যকর সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের দাবি
বক্তাদের মতে, বাংলাদেশে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ও শক্তিশালী আইনি কাঠামো এখনো যথেষ্ট নয়। তাই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের আলোকে দ্রুত একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন জরুরি।
তারা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে সড়ক নিরাপত্তা ইস্যু অন্তর্ভুক্ত করারও দাবি জানান।


রোড ক্র্যাশ: বৈশ্বিক পরিসংখ্যান ও সামাজিক-অর্থনৈতিক ক্ষতি
বক্তারা জানান, প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় ৫০ মিলিয়ন ব্যক্তি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান বা আহত হন। এটি দুর্বল জনগোষ্ঠী ও তরুণদের ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে। আহত হওয়া ব্যক্তিদের দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক যন্ত্রণার পাশাপাশি মৃতদের পরিবারকে সহ্য করতে হয় গভীর শোক। এর সঙ্গে যুক্ত হয় দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব।
২০২১–২০৩০ সালের সড়ক নিরাপত্তা কর্মদশকে বৈশ্বিকভাবে সড়ক দুর্ঘটনা ৫০ শতাংশ কমানোর যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—বিশ্ব স্মরণ দিবস এ লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিশ্ব স্মরণ দিবস: পটভূমি ও এ বছরের প্রতিপাদ্য
প্রতি বছর নভেম্বরের তৃতীয় রবিবার “রোড ক্র্যাশে হতাহতদের জন্য স্মরণ দিবস” পালিত হয়। ২০২৫ সালে দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল:
“মনে রেখো, সমর্থন করো, কাজ করো”
এই প্রতিপাদ্য সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণ, আহত ও শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এবং সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরে।