০৮:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
ক্যানসার চিকিৎসায় উপেক্ষিত মানসিক যন্ত্রণা, জাতীয় পরিকল্পনায় পরিবর্তনের দাবি জোরালো ব্যারাকই শুধু শুরু, একের পর এক স্থানে অভিবাসী আবাসনের ঘোষণা মাহমুদের মৌনি রায়ের পুরোনো দিন ফিরে দেখা, দুই হাজার সাতের অডিশনের অদেখা ভিডিওতে আবেগঘন স্মৃতি নেতাজির পরাক্রম আজও জীবন্ত, আলোকিত করে জাতির পথচলা ১৬ বছরের নিচে সামাজিক মাধ্যম বন্ধে অন্ধ্রের ভাবনা, মন্ত্রিসভার বিশেষ কমিটি গঠন সাংবাদিকদের প্রশ্নে নীরব বিসিসিআই সভাপতি, বাংলাদেশ ইস্যুতে স্পষ্ট অবস্থান নেই ভারতের শিশু নির্যাতনের অভিযোগে শারমিন একাডেমির প্রশাসনিক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার বিশ্ব অস্থিরতার যুগে ভারত-ইইউ ঘনিষ্ঠতা বিশ্ব অর্থনীতিকে স্থিতি দিতে পারে: জয়শঙ্কর ডলারের বিপরীতে নতুন তলানিতে রুপি, বাজারে বাড়ছে অনিশ্চয়তা ইরানকে অর্ধশতক ধরে পিছিয়ে রেখেছে এই মোহ

বিকেলে বসানো সিসিটিভি, সন্ধ্যাতেই ভাঙচুরে উত্তেজনা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মাগুরা সদর উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রে বসানো সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাগুরা-১ আসনের ছোটফালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে, যা এলাকায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

নির্বাচনী নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি স্থাপন
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মাগুরা জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের নির্দেশে মঙ্গলবার বিকেলে ভোটকেন্দ্রটিতে দুটি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচন কার্যক্রমকে সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নিরাপদভাবে পর্যবেক্ষণ করা। তবে স্থাপনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই একটি ক্যামেরা ভেঙে ফেলা হয়।

ভাঙচুরের ঘটনা ও ফুটেজ
স্থানীয় সূত্র জানায়, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি লাঠি দিয়ে আঘাত করে ক্যামেরাটি ভেঙে দেয়। ভাঙচুরের পুরো ঘটনাটি ক্যামেরার ফুটেজে ধরা পড়লেও পর্যাপ্ত আলোর অভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তির মুখ স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে বৃহস্পতিবার এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত কেন্দ্র
ছোটফালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান জানান, ভোটকেন্দ্রের সামনে বড় খেলার মাঠ এবং পাশে নিরিবিলি সড়ক থাকায় এলাকাটিকে আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ধরা হয়েছিল। সে কারণেই বাড়তি নজরদারির জন্য সিসিটিভি বসানো হয়। কিন্তু রাতের মধ্যেই দুর্বৃত্তরা একটি ক্যামেরা ভেঙে ফেলে। পরদিন সকালে বিদ্যালয়ের নাইটগার্ড ভাঙা ক্যামেরাটি দেখতে পান। প্রাথমিকভাবে স্থানীয় ছয়জন যুবককে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

পুলিশের অবস্থান
মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আশিকুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্যানসার চিকিৎসায় উপেক্ষিত মানসিক যন্ত্রণা, জাতীয় পরিকল্পনায় পরিবর্তনের দাবি জোরালো

বিকেলে বসানো সিসিটিভি, সন্ধ্যাতেই ভাঙচুরে উত্তেজনা

০৬:৩২:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মাগুরা সদর উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রে বসানো সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাগুরা-১ আসনের ছোটফালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে, যা এলাকায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

নির্বাচনী নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি স্থাপন
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মাগুরা জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের নির্দেশে মঙ্গলবার বিকেলে ভোটকেন্দ্রটিতে দুটি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচন কার্যক্রমকে সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নিরাপদভাবে পর্যবেক্ষণ করা। তবে স্থাপনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই একটি ক্যামেরা ভেঙে ফেলা হয়।

ভাঙচুরের ঘটনা ও ফুটেজ
স্থানীয় সূত্র জানায়, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি লাঠি দিয়ে আঘাত করে ক্যামেরাটি ভেঙে দেয়। ভাঙচুরের পুরো ঘটনাটি ক্যামেরার ফুটেজে ধরা পড়লেও পর্যাপ্ত আলোর অভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তির মুখ স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে বৃহস্পতিবার এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত কেন্দ্র
ছোটফালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান জানান, ভোটকেন্দ্রের সামনে বড় খেলার মাঠ এবং পাশে নিরিবিলি সড়ক থাকায় এলাকাটিকে আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ধরা হয়েছিল। সে কারণেই বাড়তি নজরদারির জন্য সিসিটিভি বসানো হয়। কিন্তু রাতের মধ্যেই দুর্বৃত্তরা একটি ক্যামেরা ভেঙে ফেলে। পরদিন সকালে বিদ্যালয়ের নাইটগার্ড ভাঙা ক্যামেরাটি দেখতে পান। প্রাথমিকভাবে স্থানীয় ছয়জন যুবককে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

পুলিশের অবস্থান
মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আশিকুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।