০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
স্বাস্থ্যকর খাদ্য কেন এখনও নাগালের বাইরে? যুক্তরাষ্ট্রে আফগান অভিবাসীদের তথ্য সংগ্রহ ঘিরে নতুন উদ্বেগ, জোরালো হচ্ছে বিতর্ক যুক্তরাষ্ট্রে কমছে সহিংস অপরাধ, স্বস্তি ফিরছে শহরগুলোতে সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদ ও সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রে সুপারমার্কেটের সামনে গাড়িচাপায় ৮২ বছরের নারী নিহত, বিচারের দাবিতে পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, দেশে প্রাণহানি বেড়ে ৪৩ সিলেটে গাছ থেকে তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে তদন্ত মুম্বাইয়ের গল্পে গুলজারের ৭৬ বছর: যে শহর এক কিশোর অভিবাসীকে কবি বানিয়েছে পাঁচ বইয়ে পাঁচ ভুবনের যাত্রা, ইতিহাস থেকে ভবিষ্যৎ—পাঠকের জন্য নতুন পাঁচ ঠিকানা সৌদি আরবকে পরমাণু জ্বালানি সমৃদ্ধকরণে ছাড়, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রশ্ন—‘আমাদের নয় কেন?’

শিশু নির্যাতনের অভিযোগে শারমিন একাডেমির প্রশাসনিক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

ঢাকার নয়াপল্টন এলাকায় অবস্থিত শারমিন একাডেমির এক প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে চার বছরের এক শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক জনমনে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

গ্রেপ্তারের ঘটনা
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম পবিত্র কুমার বড়ুয়া। তাঁর বয়স সাতচল্লিশ বছর। শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে মিরপুর ছয় নম্বর এলাকা থেকে বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে তাঁকে আটক করা হয়।

ঘটনার বিবরণ
ভুক্তভোগী শিশুর নাম মুহাম্মদ ফারজ বিন আমান। সে গত উনিশ নভেম্বর দুই হাজার পঁচিশ সালে শারমিন একাডেমির প্লে শ্রেণিতে ভর্তি হয়। চলতি বছরের আঠারো জানুয়ারি সকাল এগারোটা বিশ মিনিটের দিকে তার মা তাকে স্কুলে রেখে যান।

বিকেলে শিশুটিকে নিতে এসে মা দেখতে পান, স্কুলের অধ্যক্ষ শারমিন জাহান এবং পবিত্র কুমার বড়ুয়া একটি অফিস কক্ষে শিশুটিকে ধরে রেখেছেন। পরে শিশুটি তার বাবা-মাকে জানায়, তাকে মারধর করা হয়েছে এবং বিষয়টি কাউকে জানাতে নিষেধ করা হয়েছে।

ভিডিও ও প্রমাণ
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয়দের সহায়তায় সংগৃহীত সিসিটিভি ফুটেজেও শিশুটির ওপর নির্যাতনের দৃশ্য ধরা পড়েছে।

শিশুর শারীরিক অবস্থা
নির্যাতনের ফলে শিশুটির মাথা, গলা ও কানে আঘাত লাগে। প্রথমে তাকে নয়াপল্টন ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

মামলা ও আইনি পদক্ষেপ
শিশুটির মা বাইশ জানুয়ারি শিশু আইনে অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ স্কুলের অধ্যক্ষ শারমিন জাহান, তার স্বামী এবং পবিত্র কুমার বড়ুয়ার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যকর খাদ্য কেন এখনও নাগালের বাইরে?

শিশু নির্যাতনের অভিযোগে শারমিন একাডেমির প্রশাসনিক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

০৭:১৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকার নয়াপল্টন এলাকায় অবস্থিত শারমিন একাডেমির এক প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে চার বছরের এক শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক জনমনে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

গ্রেপ্তারের ঘটনা
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম পবিত্র কুমার বড়ুয়া। তাঁর বয়স সাতচল্লিশ বছর। শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে মিরপুর ছয় নম্বর এলাকা থেকে বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে তাঁকে আটক করা হয়।

ঘটনার বিবরণ
ভুক্তভোগী শিশুর নাম মুহাম্মদ ফারজ বিন আমান। সে গত উনিশ নভেম্বর দুই হাজার পঁচিশ সালে শারমিন একাডেমির প্লে শ্রেণিতে ভর্তি হয়। চলতি বছরের আঠারো জানুয়ারি সকাল এগারোটা বিশ মিনিটের দিকে তার মা তাকে স্কুলে রেখে যান।

বিকেলে শিশুটিকে নিতে এসে মা দেখতে পান, স্কুলের অধ্যক্ষ শারমিন জাহান এবং পবিত্র কুমার বড়ুয়া একটি অফিস কক্ষে শিশুটিকে ধরে রেখেছেন। পরে শিশুটি তার বাবা-মাকে জানায়, তাকে মারধর করা হয়েছে এবং বিষয়টি কাউকে জানাতে নিষেধ করা হয়েছে।

ভিডিও ও প্রমাণ
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয়দের সহায়তায় সংগৃহীত সিসিটিভি ফুটেজেও শিশুটির ওপর নির্যাতনের দৃশ্য ধরা পড়েছে।

শিশুর শারীরিক অবস্থা
নির্যাতনের ফলে শিশুটির মাথা, গলা ও কানে আঘাত লাগে। প্রথমে তাকে নয়াপল্টন ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

মামলা ও আইনি পদক্ষেপ
শিশুটির মা বাইশ জানুয়ারি শিশু আইনে অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ স্কুলের অধ্যক্ষ শারমিন জাহান, তার স্বামী এবং পবিত্র কুমার বড়ুয়ার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।