০৯:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
মিত্রতা থেকে মুখ ফেরাল ওয়াশিংটন, কুর্দিদের ছেড়ে নতুন সিরিয়ার পাশে যুক্তরাষ্ট্র সরকারপ্রধান ও প্রেস সচিবের বক্তব্যে সন্দেহ অনিবার্য: গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট বাগেরহাটে কারাবন্দি ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী ও শিশুপুত্রের মরদেহ উদ্ধার সেগার রূপকার ডেভিড রোজেন ভিডিও গেম শিল্পের নীরব স্থপতির বিদায় দ্য প্রিন্টকে দেয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা : নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা স্বৈরতন্ত্র, গণতন্ত্র নয় ধর্ষণের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত ব্যর্থ আশ্রয়প্রার্থীকে ফেরত পাঠানোর পথে যুক্তরাজ্য মাদ্রিদে ভেনেজুয়েলার নির্বাচিতদের অপেক্ষা, মাদুরো ধরা পড়লেও ক্ষমতা এখনো তার ঘনিষ্ঠদের হাতে ট্রাম্প নীতির দীর্ঘ ছায়া, আজ স্থিতিশীল দেখালেও ভবিষ্যতে চাপে পড়তে পারে মার্কিন অর্থনীতি নবজাতক হত্যা মামলায় লুসি লেটবি: নতুন তথ্যচিত্রে কান্না, অস্বীকার আর তদন্তের অন্ধকার অধ্যায় ক্যানসার চিকিৎসায় উপেক্ষিত মানসিক যন্ত্রণা, জাতীয় পরিকল্পনায় পরিবর্তনের দাবি জোরালো

শিশু নির্যাতনের অভিযোগে শারমিন একাডেমির প্রশাসনিক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

ঢাকার নয়াপল্টন এলাকায় অবস্থিত শারমিন একাডেমির এক প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে চার বছরের এক শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক জনমনে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

গ্রেপ্তারের ঘটনা
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম পবিত্র কুমার বড়ুয়া। তাঁর বয়স সাতচল্লিশ বছর। শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে মিরপুর ছয় নম্বর এলাকা থেকে বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে তাঁকে আটক করা হয়।

ঘটনার বিবরণ
ভুক্তভোগী শিশুর নাম মুহাম্মদ ফারজ বিন আমান। সে গত উনিশ নভেম্বর দুই হাজার পঁচিশ সালে শারমিন একাডেমির প্লে শ্রেণিতে ভর্তি হয়। চলতি বছরের আঠারো জানুয়ারি সকাল এগারোটা বিশ মিনিটের দিকে তার মা তাকে স্কুলে রেখে যান।

বিকেলে শিশুটিকে নিতে এসে মা দেখতে পান, স্কুলের অধ্যক্ষ শারমিন জাহান এবং পবিত্র কুমার বড়ুয়া একটি অফিস কক্ষে শিশুটিকে ধরে রেখেছেন। পরে শিশুটি তার বাবা-মাকে জানায়, তাকে মারধর করা হয়েছে এবং বিষয়টি কাউকে জানাতে নিষেধ করা হয়েছে।

ভিডিও ও প্রমাণ
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয়দের সহায়তায় সংগৃহীত সিসিটিভি ফুটেজেও শিশুটির ওপর নির্যাতনের দৃশ্য ধরা পড়েছে।

শিশুর শারীরিক অবস্থা
নির্যাতনের ফলে শিশুটির মাথা, গলা ও কানে আঘাত লাগে। প্রথমে তাকে নয়াপল্টন ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

মামলা ও আইনি পদক্ষেপ
শিশুটির মা বাইশ জানুয়ারি শিশু আইনে অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ স্কুলের অধ্যক্ষ শারমিন জাহান, তার স্বামী এবং পবিত্র কুমার বড়ুয়ার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মিত্রতা থেকে মুখ ফেরাল ওয়াশিংটন, কুর্দিদের ছেড়ে নতুন সিরিয়ার পাশে যুক্তরাষ্ট্র

শিশু নির্যাতনের অভিযোগে শারমিন একাডেমির প্রশাসনিক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

০৭:১৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকার নয়াপল্টন এলাকায় অবস্থিত শারমিন একাডেমির এক প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে চার বছরের এক শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক জনমনে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

গ্রেপ্তারের ঘটনা
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম পবিত্র কুমার বড়ুয়া। তাঁর বয়স সাতচল্লিশ বছর। শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে মিরপুর ছয় নম্বর এলাকা থেকে বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে তাঁকে আটক করা হয়।

ঘটনার বিবরণ
ভুক্তভোগী শিশুর নাম মুহাম্মদ ফারজ বিন আমান। সে গত উনিশ নভেম্বর দুই হাজার পঁচিশ সালে শারমিন একাডেমির প্লে শ্রেণিতে ভর্তি হয়। চলতি বছরের আঠারো জানুয়ারি সকাল এগারোটা বিশ মিনিটের দিকে তার মা তাকে স্কুলে রেখে যান।

বিকেলে শিশুটিকে নিতে এসে মা দেখতে পান, স্কুলের অধ্যক্ষ শারমিন জাহান এবং পবিত্র কুমার বড়ুয়া একটি অফিস কক্ষে শিশুটিকে ধরে রেখেছেন। পরে শিশুটি তার বাবা-মাকে জানায়, তাকে মারধর করা হয়েছে এবং বিষয়টি কাউকে জানাতে নিষেধ করা হয়েছে।

ভিডিও ও প্রমাণ
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয়দের সহায়তায় সংগৃহীত সিসিটিভি ফুটেজেও শিশুটির ওপর নির্যাতনের দৃশ্য ধরা পড়েছে।

শিশুর শারীরিক অবস্থা
নির্যাতনের ফলে শিশুটির মাথা, গলা ও কানে আঘাত লাগে। প্রথমে তাকে নয়াপল্টন ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

মামলা ও আইনি পদক্ষেপ
শিশুটির মা বাইশ জানুয়ারি শিশু আইনে অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ স্কুলের অধ্যক্ষ শারমিন জাহান, তার স্বামী এবং পবিত্র কুমার বড়ুয়ার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।