০৯:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
জি-৭-এর প্রশংসার পরও ইরানকে নতুন হুমকি ট্রাম্পের, চুক্তি বাস্তবায়নে অসন্তুষ্ট হলে ফের হামলার ইঙ্গিত ইন্দোনেশিয়ায় রুপিয়ার দরপতনে ওষুধের দাম ঊর্ধ্বমুখী, চাপে দীর্ঘমেয়াদি রোগীরা গরম কড়াইয়ের ছ্যাঁকা দিয়ে গৃহকর্মী নির্যাতন, থানা হেফাজতে পুলিশ দম্পতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন ভূরাজনীতি এবং ভারতের প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার পরীক্ষা কারাগারে ধারণক্ষমতার চেয়ে ১.৭ গুণ বেশি বন্দি, রয়েছে ৭৭ হাজার ৪০ জন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে জানালেন ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ভারতের বিএসএফ ২,৩৬৯ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইন করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মসজিদের জন্য মাইক কিনতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের সিন্ধু পানি চুক্তি: আইনের শাসন নাকি উজানের একতরফা ক্ষমতা? অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, অধিনায়ক হিসেবে নতুন দায়িত্বে হৃদয় ভারতে থমকে থাকা মৌসুমী বৃষ্টি, বৃষ্টির ঘাটতি ৩৫ শতাংশ; কৃষিতে সতর্কতা জোরদার

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১৩৫)

ইংরেজরা লালন করেছেন সবসময় তাঁদের সুদূর মাতৃভূমির, কান্ট্রিসাইডের স্মৃতি। নিজেদের অজান্তে সে ধরনের কিছু প্রভাব ফেলেছিল এই স্থাপত্য….

উল্লিখিত বাড়িগুলির মধ্যে এক ধরনের স্থাপত্যিক ঐক্য আছে। বাড়িগুলি ইটের তৈরি, ব্যবহৃত হয়েছে আর্চ। বড় বারান্দা, উঁচু ছাদ, পুরু দেওয়াল। স্থপতি ও কবি রবিউল হুসাইনের মতে, ‘গ্রোকোরোমান, ইন্দোসারাসনিক এবং ইংলিশ কান্ট্রিসাইডের বাড়ির স্টাইল সব একীভূত হয়ে সৃষ্টি করেছে এক মিশ্ররীতির।’

এর কিছু সামাজিক কারণও আছে বৈকি। ঐ আমলের অধিকাংশ ঘরবাড়িতে করিন্থিয়ান পিলার বা গ্রোকোরোমান রীতি প্রভাব ফেলেছে। যাঁরা অর্থশালী ছিলেন, তাঁরা জাঁকজমক এবং নিজেদের দাপট দেখানোর জন্যে এ স্টাইল পছন্দ করতেন। অধিকাংশ পুরোনো জমিদার বাড়িতে এটি লক্ষণীয়।

মেসার্স ওয়াইজ অ্যান্ড গ্লাস; আদালত বা কোর্ট বিল্ডিং; রেভারেন্ড শেফার্ডের বাড়ি

দেশী আবহাওয়া এবং এ দেশে থাকার কারণে তাঁরা খানিকটা ইন্দো-সারাসনিক ভাব নিয়েছেন। আর সব শেষে নস্টালজিয়া। বিশেষ করে ইংরেজরা লালন করেছেন সবসময় তাঁদের সুদূর মাতৃভূমির, কান্ট্রিসাইডের স্মৃতি। নিজেদের অজান্তে সে ধরনের কিছু প্রভাব ফেলেছিল এই স্থাপত্য।

এখন দেখা যাক ১৮৪০-এর আগে নির্মিত এসব ঘরবাড়ির ক’টি এখনও টিকে আছে এবং কী অবস্থায়।

খাজা আলিম উল্লাহর বাড়ি

জরিপ শুরু করেছিলাম আর্মেনী জমিদার আরাতুনের বাড়ি দিয়ে [ফরাশগঞ্জে যা আমাদের কাছে এখন পরিচিত রূপলাল হাউজ নামে।

উনিশ শতকের ঢাকায়, নবাব আবদুল গনির আহসান মঞ্জিল এর সঙ্গে জাঁকজমকের দিক থেকে পাল্লা দিতে পারত আরেকটি অট্টালিকা রূপলাল দাসের রূপলাল হাউজ।

আমির উদ্দিন দারোগার বাড়ি

ফরাশগঞ্জে রূপলাল ও রঘুনাথ করেছিলেন নিজেদের বাড়ি।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১৩৪)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১৩৪)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

জি-৭-এর প্রশংসার পরও ইরানকে নতুন হুমকি ট্রাম্পের, চুক্তি বাস্তবায়নে অসন্তুষ্ট হলে ফের হামলার ইঙ্গিত

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১৩৫)

০৫:০০:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

ইংরেজরা লালন করেছেন সবসময় তাঁদের সুদূর মাতৃভূমির, কান্ট্রিসাইডের স্মৃতি। নিজেদের অজান্তে সে ধরনের কিছু প্রভাব ফেলেছিল এই স্থাপত্য….

উল্লিখিত বাড়িগুলির মধ্যে এক ধরনের স্থাপত্যিক ঐক্য আছে। বাড়িগুলি ইটের তৈরি, ব্যবহৃত হয়েছে আর্চ। বড় বারান্দা, উঁচু ছাদ, পুরু দেওয়াল। স্থপতি ও কবি রবিউল হুসাইনের মতে, ‘গ্রোকোরোমান, ইন্দোসারাসনিক এবং ইংলিশ কান্ট্রিসাইডের বাড়ির স্টাইল সব একীভূত হয়ে সৃষ্টি করেছে এক মিশ্ররীতির।’

এর কিছু সামাজিক কারণও আছে বৈকি। ঐ আমলের অধিকাংশ ঘরবাড়িতে করিন্থিয়ান পিলার বা গ্রোকোরোমান রীতি প্রভাব ফেলেছে। যাঁরা অর্থশালী ছিলেন, তাঁরা জাঁকজমক এবং নিজেদের দাপট দেখানোর জন্যে এ স্টাইল পছন্দ করতেন। অধিকাংশ পুরোনো জমিদার বাড়িতে এটি লক্ষণীয়।

মেসার্স ওয়াইজ অ্যান্ড গ্লাস; আদালত বা কোর্ট বিল্ডিং; রেভারেন্ড শেফার্ডের বাড়ি

দেশী আবহাওয়া এবং এ দেশে থাকার কারণে তাঁরা খানিকটা ইন্দো-সারাসনিক ভাব নিয়েছেন। আর সব শেষে নস্টালজিয়া। বিশেষ করে ইংরেজরা লালন করেছেন সবসময় তাঁদের সুদূর মাতৃভূমির, কান্ট্রিসাইডের স্মৃতি। নিজেদের অজান্তে সে ধরনের কিছু প্রভাব ফেলেছিল এই স্থাপত্য।

এখন দেখা যাক ১৮৪০-এর আগে নির্মিত এসব ঘরবাড়ির ক’টি এখনও টিকে আছে এবং কী অবস্থায়।

খাজা আলিম উল্লাহর বাড়ি

জরিপ শুরু করেছিলাম আর্মেনী জমিদার আরাতুনের বাড়ি দিয়ে [ফরাশগঞ্জে যা আমাদের কাছে এখন পরিচিত রূপলাল হাউজ নামে।

উনিশ শতকের ঢাকায়, নবাব আবদুল গনির আহসান মঞ্জিল এর সঙ্গে জাঁকজমকের দিক থেকে পাল্লা দিতে পারত আরেকটি অট্টালিকা রূপলাল দাসের রূপলাল হাউজ।

আমির উদ্দিন দারোগার বাড়ি

ফরাশগঞ্জে রূপলাল ও রঘুনাথ করেছিলেন নিজেদের বাড়ি।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১৩৪)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১৩৪)