০৬:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্ট কর্মবিরতি রোববার থেকে, নতুন মুরিং টার্মিনাল ইস্যুতে উত্তাল শ্রমিক আন্দোলন হাইতির শেষ প্রহর: সহিংসতার অন্ধকারে জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্রের নতুন উদ্ধার অভিযান গাজায় শান্তির পথ খুললেও বাস্তবতা অন্ধকার ইরানে গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা: রক্তাক্ত দমন-পীড়নে ভেঙে পড়ছে রাষ্ট্রের ভিত সৌদি আরব কেন লাখ লাখ উটকে পাসপোর্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে? জামায়াতের হিন্দু প্রার্থী কি ভোটারদের টানতে পারবেন? তরুণ ভোট, নৌকা সমর্থকসহ যেসব ‘ফ্যাক্টর’ হিসাব পাল্টে দিতে পারে ক্যালিফোর্নিয়ায় বিলিয়নিয়ার কর নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের বিভাজন, ধনীদের দেশ ছাড়ার আশঙ্কা ভারতের গিগ অর্থনীতির বিস্ফোরণ: অনিশ্চিত শ্রম থেকে আনুষ্ঠানিক সুরক্ষার পথে নতুন বাস্তবতা অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি হামলার পর ইসরাইলের প্রেসিডেন্টের সফর, সামাজিক সম্প্রীতির বড় পরীক্ষা

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বার্তায় ২০২৬ নিয়ে সতর্কতায় বৈশ্বিক বাজার

নীতি সংকেত বিনিয়োগকারীদের মনোভাব গড়ে দিচ্ছে

মঙ্গলবার বৈশ্বিক আর্থিক বাজারে ছিল সংযত গতি। প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর নতুন বার্তায় ২০২৬ সালে সুদের হার কমানোর গতি ধীর হতে পারে—এমন ইঙ্গিত পাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থান নেয়। ইউরোপ ও এশিয়ার শেয়ার সূচকগুলো মিশ্রভাবে লেনদেন শেষ করে, আর যুক্তরাষ্ট্রের ফিউচার প্রায় অপরিবর্তিত থাকে। বন্ডের ফলন কিছুটা বাড়ে, যা দীর্ঘ সময় কড়াকড়ি নীতি বজায় থাকার প্রত্যাশা প্রতিফলিত করে।

Will Central Banks Have to Reverse Course in 2026? - CME Group

মুদ্রাবাজারেও বড় ওঠানামা হয়নি। ডলার সামান্য শক্তিশালী হয়, কারণ ফেডের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে নতুন করে হিসাব কষছেন ট্রেডাররা। পণ্যদামের স্থিতিশীলতা ও বড় ভূরাজনৈতিক ধাক্কার অভাবে উদীয়মান বাজারের মুদ্রাগুলো তুলনামূলক স্থির ছিল। বিশ্লেষকদের মতে, স্পষ্ট দিকনির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত বড় বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে যেতে চাইছেন না অনেকেই।

নীতি ঝুঁকি এখনো কেন্দ্রে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেছেন, সাম্প্রতিক মূল্যস্ফীতি কমলেও লক্ষ্যমাত্রায় ফেরার পথ মসৃণ হবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। সেবাখাতে মূল্যচাপ ও শ্রমবাজারের দৃঢ়তা দেখিয়ে তারা আগেভাগে নীতি শিথিল না করার আহ্বান জানান। এতে মাসের শুরুতে নিম্নমুখী মূল্যস্ফীতির তথ্য ঘিরে তৈরি হওয়া আশাবাদ কিছুটা কমে যায়।

Global markets brace for key week as EU, Fed data and Central Banks take  centre stage - The Economic Times

এখন বিনিয়োগকারীরা ২০২৬ সালের প্রবৃদ্ধি নিয়ে প্রত্যাশা নতুন করে সাজাচ্ছেন। অর্থনীতিবিদদের মতে, কঠোর আর্থিক পরিবেশ বিনিয়োগে চাপ ফেলতে পারে, তবে ভোক্তা ব্যয় আশঙ্কার চেয়ে ভালো আছে। পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপকদের জন্য চ্যালেঞ্জ হলো প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান ও উৎপাদনশীলতা ও জ্বালানি রূপান্তর–সংযুক্ত খাতে নির্বাচিত ঝুঁকি নেওয়ার ভারসাম্য রাখা।

Global central banks steady rates amid Mideast turmoil - Read Qatar Tribune  on the go for unrivalled news coverage

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্ট কর্মবিরতি রোববার থেকে, নতুন মুরিং টার্মিনাল ইস্যুতে উত্তাল শ্রমিক আন্দোলন

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বার্তায় ২০২৬ নিয়ে সতর্কতায় বৈশ্বিক বাজার

০৮:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

নীতি সংকেত বিনিয়োগকারীদের মনোভাব গড়ে দিচ্ছে

মঙ্গলবার বৈশ্বিক আর্থিক বাজারে ছিল সংযত গতি। প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর নতুন বার্তায় ২০২৬ সালে সুদের হার কমানোর গতি ধীর হতে পারে—এমন ইঙ্গিত পাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থান নেয়। ইউরোপ ও এশিয়ার শেয়ার সূচকগুলো মিশ্রভাবে লেনদেন শেষ করে, আর যুক্তরাষ্ট্রের ফিউচার প্রায় অপরিবর্তিত থাকে। বন্ডের ফলন কিছুটা বাড়ে, যা দীর্ঘ সময় কড়াকড়ি নীতি বজায় থাকার প্রত্যাশা প্রতিফলিত করে।

Will Central Banks Have to Reverse Course in 2026? - CME Group

মুদ্রাবাজারেও বড় ওঠানামা হয়নি। ডলার সামান্য শক্তিশালী হয়, কারণ ফেডের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে নতুন করে হিসাব কষছেন ট্রেডাররা। পণ্যদামের স্থিতিশীলতা ও বড় ভূরাজনৈতিক ধাক্কার অভাবে উদীয়মান বাজারের মুদ্রাগুলো তুলনামূলক স্থির ছিল। বিশ্লেষকদের মতে, স্পষ্ট দিকনির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত বড় বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে যেতে চাইছেন না অনেকেই।

নীতি ঝুঁকি এখনো কেন্দ্রে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেছেন, সাম্প্রতিক মূল্যস্ফীতি কমলেও লক্ষ্যমাত্রায় ফেরার পথ মসৃণ হবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। সেবাখাতে মূল্যচাপ ও শ্রমবাজারের দৃঢ়তা দেখিয়ে তারা আগেভাগে নীতি শিথিল না করার আহ্বান জানান। এতে মাসের শুরুতে নিম্নমুখী মূল্যস্ফীতির তথ্য ঘিরে তৈরি হওয়া আশাবাদ কিছুটা কমে যায়।

Global markets brace for key week as EU, Fed data and Central Banks take  centre stage - The Economic Times

এখন বিনিয়োগকারীরা ২০২৬ সালের প্রবৃদ্ধি নিয়ে প্রত্যাশা নতুন করে সাজাচ্ছেন। অর্থনীতিবিদদের মতে, কঠোর আর্থিক পরিবেশ বিনিয়োগে চাপ ফেলতে পারে, তবে ভোক্তা ব্যয় আশঙ্কার চেয়ে ভালো আছে। পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপকদের জন্য চ্যালেঞ্জ হলো প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান ও উৎপাদনশীলতা ও জ্বালানি রূপান্তর–সংযুক্ত খাতে নির্বাচিত ঝুঁকি নেওয়ার ভারসাম্য রাখা।

Global central banks steady rates amid Mideast turmoil - Read Qatar Tribune  on the go for unrivalled news coverage