০৯:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
আমেরিকার শক্তির অবসান নাকি নতুন বাস্তবতার শুরু দেশের স্বার্থ রক্ষা না হলে মার্কিন চুক্তির ধারা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে ডিমের বাজারে অস্থিরতা, এক মাসে ডজনে বেড়েছে ৪০ টাকা ইরানের সঙ্গে আমেরিকার দ্বন্দ্ব: শক্তির সীমা নাকি কৌশলের ব্যর্থতা? কদমতলীর সাদ্দাম মার্কেটে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট সাত সন্তান একসঙ্গে জন্ম, কিন্তু বাঁচল না কেউ: নড়াইলে শোকের ছায়া তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনের দৌড়ে বিজয়, গভর্নরের কাছে ১১৮ বিধায়কের সমর্থনের দাবি মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা, বর্ষায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার শঙ্কা হরমুজ সংকটে ভারতের এলপিজি আমদানি অর্ধেকে, সরবরাহ সংকট দীর্ঘ হওয়ার আশঙ্কা এআই কি মানবসভ্যতার জন্য নতুন হুমকি? মো গাওদাতের সতর্কবার্তায় গভীর উদ্বেগ

স্বর্ণের দামে আবারও ইতিহাস, ভরিতে বাড়ল এক হাজার পঞ্চাশ টাকা

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। এক দফা দাম বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ আঠারো হাজার একশ সতেরো টাকা। এটি দেশের ইতিহাসে এক ভরি স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি জানিয়েছে, রোববার রাতে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সোমবার থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

এর আগেও চলতি মাসে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের সমন্বয় করা হয়েছিল। গত ১৫ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় দাম বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল দুই লাখ সতেরো হাজার সাতষট্টি টাকা। নতুন ঘোষণায় সেই দামের সঙ্গে আরও এক হাজার পঞ্চাশ টাকা যোগ হলো।

হালনাগাদ মূল্যতালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দুই লাখ আঠারো হাজার একশ সতেরো টাকা। একই সঙ্গে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে দুই লাখ আট হাজার দুইশ দুই টাকায়। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ আটাত্তর হাজার চারশ ঊনষাট টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ আটচল্লিশ হাজার পাঁচশ নিরানব্বই টাকা।

পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট সাতাশি বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ষাট বারই দাম বাড়ানো হয়েছে, আর দাম কমানো হয়েছে সাতাশ বার। তুলনায় গত বছর দেশের বাজারে মোট বাষট্টি বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন পঁয়ত্রিশ বার দাম বেড়েছিল এবং সাতাশ বার কমানো হয়েছিল।

বারবার দাম বৃদ্ধির এই ধারা স্বর্ণবাজারে নতুন উদ্বেগ ও আলোচনার জন্ম দিচ্ছে। বিনিয়োগকারী ও সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে বাড়ছে অনিশ্চয়তা, একই সঙ্গে নজর এখন আন্তর্জাতিক বাজার ও ডলারের গতিবিধির দিকে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আমেরিকার শক্তির অবসান নাকি নতুন বাস্তবতার শুরু

স্বর্ণের দামে আবারও ইতিহাস, ভরিতে বাড়ল এক হাজার পঞ্চাশ টাকা

০৩:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। এক দফা দাম বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ আঠারো হাজার একশ সতেরো টাকা। এটি দেশের ইতিহাসে এক ভরি স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি জানিয়েছে, রোববার রাতে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সোমবার থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

এর আগেও চলতি মাসে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের সমন্বয় করা হয়েছিল। গত ১৫ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় দাম বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল দুই লাখ সতেরো হাজার সাতষট্টি টাকা। নতুন ঘোষণায় সেই দামের সঙ্গে আরও এক হাজার পঞ্চাশ টাকা যোগ হলো।

হালনাগাদ মূল্যতালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দুই লাখ আঠারো হাজার একশ সতেরো টাকা। একই সঙ্গে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে দুই লাখ আট হাজার দুইশ দুই টাকায়। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ আটাত্তর হাজার চারশ ঊনষাট টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ আটচল্লিশ হাজার পাঁচশ নিরানব্বই টাকা।

পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট সাতাশি বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ষাট বারই দাম বাড়ানো হয়েছে, আর দাম কমানো হয়েছে সাতাশ বার। তুলনায় গত বছর দেশের বাজারে মোট বাষট্টি বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন পঁয়ত্রিশ বার দাম বেড়েছিল এবং সাতাশ বার কমানো হয়েছিল।

বারবার দাম বৃদ্ধির এই ধারা স্বর্ণবাজারে নতুন উদ্বেগ ও আলোচনার জন্ম দিচ্ছে। বিনিয়োগকারী ও সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে বাড়ছে অনিশ্চয়তা, একই সঙ্গে নজর এখন আন্তর্জাতিক বাজার ও ডলারের গতিবিধির দিকে।