০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পাকিস্তানে পেট্রোল ভর্তুকিতে ৩০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়, লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন পটিয়ায় কক্সবাজার এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-চট্টগ্রামের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব, দূরপাল্লায় ২০ পয়সা ও শহরে ১৮ পয়সা তৃতীয় দেশে নির্বাসন: পানামায় পাঠানো ইরানি খ্রিষ্টানের অনিশ্চিত জীবন জার্মানিতে ডানপন্থার উত্থানের জ্বালানি: হারিয়ে যাওয়া গৌরবের নস্টালজিয়া জিন্নাহর প্রতিকৃতি সরানোয় তাইয়েবকে হুমকির অভিযোগ, তদন্তের দাবি এডিপি বাস্তবায়নে পাঁচ বছরের সর্বনিম্ন হার, দুই মাসে অগ্রগতি মাত্র ১.৮৫ শতাংশ ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১,৬৫৫ বাংলাদেশকে পাকিস্তানের ছকে দেখলে ভারতেরই কৌশলগত ক্ষতি নাক থেকে অন্ত্র—শরীরের অদৃশ্য প্রতিরক্ষা দেয়াল, কীভাবে কাজ করে মিউকোসাল ইমিউন সিস্টেম?

সীমান্তের গুলিতে আহত শিশু আফনানের মৃত্যু, টেকনাফজুড়ে শোক ও উদ্বেগ

মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত টেকনাফের শিশু হুজাইফা সুলতানা আফনান আর নেই। রাজধানীর জাতীয় স্নায়ুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিশুটির মামা মাহফুজুর রহমান। সীমান্তের সহিংসতার এই নির্মম পরিণতি স্থানীয় মানুষকে গভীর শোকের পাশাপাশি নতুন করে আতঙ্কিত করে তুলেছে।

টেকনাফ সীমান্তে গুলিবিদ্ধ সেই হুজাইফা মারা গেছে

আহত হওয়ার ঘটনা ও চিকিৎসার পথ

গত ১১ জানুয়ারি সকালে বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত হয় আফনান। প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হলেও অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পরে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকার জাতীয় স্নায়ুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

রাখাইনে সংঘাতের বিস্তার

সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিমান হামলা, ড্রোন হামলা, মর্টার শেল নিক্ষেপ এবং বিস্ফোরণের ঘটনা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। বিশেষ করে মংডু টাউনশিপের আশপাশে সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির অবস্থান লক্ষ্য করে জান্তা বাহিনীর হামলা জোরদার হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর পারস্পরিক সংঘর্ষ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

টেকনাফ সীমান্তে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান বেঁচে আছে; চমেক হাসপাতালে ভর্তি

বাংলাদেশ সীমান্তে প্রভাব ও উদ্বেগ

রাখাইনের চলমান সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জনপদে। সীমান্তের ওপার থেকে গোলাগুলির ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। শিশু আফনানের মৃত্যু সেই উদ্বেগকে আরও তীব্র করে তুলেছে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানে পেট্রোল ভর্তুকিতে ৩০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়, লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন

সীমান্তের গুলিতে আহত শিশু আফনানের মৃত্যু, টেকনাফজুড়ে শোক ও উদ্বেগ

০২:০৪:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত টেকনাফের শিশু হুজাইফা সুলতানা আফনান আর নেই। রাজধানীর জাতীয় স্নায়ুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিশুটির মামা মাহফুজুর রহমান। সীমান্তের সহিংসতার এই নির্মম পরিণতি স্থানীয় মানুষকে গভীর শোকের পাশাপাশি নতুন করে আতঙ্কিত করে তুলেছে।

টেকনাফ সীমান্তে গুলিবিদ্ধ সেই হুজাইফা মারা গেছে

আহত হওয়ার ঘটনা ও চিকিৎসার পথ

গত ১১ জানুয়ারি সকালে বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত হয় আফনান। প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হলেও অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পরে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকার জাতীয় স্নায়ুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

রাখাইনে সংঘাতের বিস্তার

সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিমান হামলা, ড্রোন হামলা, মর্টার শেল নিক্ষেপ এবং বিস্ফোরণের ঘটনা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। বিশেষ করে মংডু টাউনশিপের আশপাশে সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির অবস্থান লক্ষ্য করে জান্তা বাহিনীর হামলা জোরদার হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর পারস্পরিক সংঘর্ষ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

টেকনাফ সীমান্তে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান বেঁচে আছে; চমেক হাসপাতালে ভর্তি

বাংলাদেশ সীমান্তে প্রভাব ও উদ্বেগ

রাখাইনের চলমান সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জনপদে। সীমান্তের ওপার থেকে গোলাগুলির ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। শিশু আফনানের মৃত্যু সেই উদ্বেগকে আরও তীব্র করে তুলেছে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।