০৭:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
চীনের কয়লাখনি বিস্ফোরণ: প্রযুক্তির অগ্রগতির আড়ালে রয়ে গেছে শ্রমিকদের ঝুঁকিপূর্ণ জীবন ৪৫ ডিগ্রি তাপেও থামে না জীবন, দিল্লির শ্রমজীবী মানুষের কাছে বেঁচে থাকাই বড় চ্যালেঞ্জ ভাইরাল নাচে নতুন প্রাণ পাচ্ছে গান, বদলে যাচ্ছে পপসংস্কৃতির চিত্র পেন্টাগনের গোপন ইউএফও নথি প্রকাশ, রহস্য আরও ঘনীভূত চালের দামের রকেট গতি, বাংলাদেশি টাকায় ১১৬ টাকা কেজি দরে ৫ লাখ টন চাল রপ্তানি করছে ইন্দোনেশিয়া দিল্লির সাকেত মেট্রো স্টেশনের কাছে বহুতল ভবন ধস, ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়ার আশঙ্কা টয়োটার বড় সিদ্ধান্ত: স্থগিত হচ্ছে পরবর্তী প্রজন্মের বৈদ্যুতিক গাড়ি প্রকল্প বিতর্কে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ স্থগিত মোদির মিতব্যয়ী বার্তা নিয়ে অসন্তোষ, চাপে ভারতের মধ্যবিত্ত ও করদাতা শ্রেণি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় শক্তিশালী হচ্ছে কর্তৃত্ববাদী শাসন, নেতৃত্বে নতুন মুখের উত্থান

দিপু চন্দ্র দাস হত্যার বিচার দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংখ্যালঘুদের মানববন্ধন

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাকশ্রমিক দিপু চন্দ্র দাস হত্যার ঘটনায় ন্যায়বিচারের দাবিতে রাজধানীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে সংখ্যালঘু অধিকারকর্মীরা। সোমবার সকালে ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে সংখ্যালঘু ঐক্য মোর্চা।

মানববন্ধনে হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানান এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তোলেন। তাদের বক্তব্যে উঠে আসে, এই হত্যাকাণ্ড শুধু একটি ব্যক্তিগত অপরাধ নয়, বরং সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগের প্রতিফলন।

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নির্মল রোজারিও বলেন, দিপু চন্দ্র দাসকে হত্যার ঘটনা একটি জঘন্য অপরাধ। তিনি দ্রুত ও কার্যকর বিচার নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এই ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনতেই হবে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। এসব ঘটনার বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে বলেও তিনি দাবি জানান।

পাঁচ আগস্টের গণআন্দোলনের পর দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও নিপীড়নের ঘটনা বেড়েছে উল্লেখ করে নির্মল রোজারিও বলেন, এসব ঘটনার একটি প্রতিবেদন ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে জাতির সামনে তুলে ধরা হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত কার্যকর বিচার বা দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, গণআন্দোলনের পর সংঘটিত প্রতিটি সহিংসতা ও নিপীড়নের ঘটনাই বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় আনতে হবে। দিপু চন্দ্র দাস হত্যার ক্ষেত্রেও বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবিতেই এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, সরকার যেন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এবং দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়, সেটিই তাদের প্রধান দাবি। একই সঙ্গে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়, তা সংগঠনের পক্ষ থেকে পর্যবেক্ষণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভকারীরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি জাতীয় প্রেস ক্লাব এলাকা থেকে শুরু হয়ে নয়াপল্টন মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের কয়লাখনি বিস্ফোরণ: প্রযুক্তির অগ্রগতির আড়ালে রয়ে গেছে শ্রমিকদের ঝুঁকিপূর্ণ জীবন

দিপু চন্দ্র দাস হত্যার বিচার দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংখ্যালঘুদের মানববন্ধন

০৩:৫১:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাকশ্রমিক দিপু চন্দ্র দাস হত্যার ঘটনায় ন্যায়বিচারের দাবিতে রাজধানীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে সংখ্যালঘু অধিকারকর্মীরা। সোমবার সকালে ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে সংখ্যালঘু ঐক্য মোর্চা।

মানববন্ধনে হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানান এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তোলেন। তাদের বক্তব্যে উঠে আসে, এই হত্যাকাণ্ড শুধু একটি ব্যক্তিগত অপরাধ নয়, বরং সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগের প্রতিফলন।

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নির্মল রোজারিও বলেন, দিপু চন্দ্র দাসকে হত্যার ঘটনা একটি জঘন্য অপরাধ। তিনি দ্রুত ও কার্যকর বিচার নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এই ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনতেই হবে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। এসব ঘটনার বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে বলেও তিনি দাবি জানান।

পাঁচ আগস্টের গণআন্দোলনের পর দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও নিপীড়নের ঘটনা বেড়েছে উল্লেখ করে নির্মল রোজারিও বলেন, এসব ঘটনার একটি প্রতিবেদন ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে জাতির সামনে তুলে ধরা হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত কার্যকর বিচার বা দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, গণআন্দোলনের পর সংঘটিত প্রতিটি সহিংসতা ও নিপীড়নের ঘটনাই বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় আনতে হবে। দিপু চন্দ্র দাস হত্যার ক্ষেত্রেও বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবিতেই এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, সরকার যেন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এবং দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়, সেটিই তাদের প্রধান দাবি। একই সঙ্গে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়, তা সংগঠনের পক্ষ থেকে পর্যবেক্ষণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভকারীরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি জাতীয় প্রেস ক্লাব এলাকা থেকে শুরু হয়ে নয়াপল্টন মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।