০৭:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
গণতন্ত্রের মুখোশে সাংবাদিক দমন, বাড়ছে দুর্নীতির অন্ধকার সহায়তা প্রাপ্ত মৃত্যুর পথে আমেরিকার বড় মোড়, এক তৃতীয়াংশ মানুষের সামনে নতুন আইন ইরানের ক্ষমতার কাঠামো ভাঙার প্রশ্নে নতুন সমীকরণ, পরিবর্তনের পথে গণভোটের আহ্বান নতুন একক গানে আরও ব্যক্তিগত পথে নিক জোনাস চিকিৎসার খোঁজে চীনে বিদেশিদের ঢল, কম খরচে দ্রুত সেবায় বাড়ছে মেডিকেল পর্যটন বিজ্ঞান বাজেটে কংগ্রেসের প্রতিরোধ, ট্রাম্পের কাটছাঁট পরিকল্পনায় ধাক্কা কলম্বিয়ার সাবেক সেনাদের বিদেশযুদ্ধে টান, ঝুঁকি বাড়াচ্ছে অস্থির ভবিষ্যৎ চীনের পুনর্ব্যবহারযোগ্য ‘শেনলং’ মহাকাশযানের চতুর্থ মিশন কক্ষপথে মাগুরায় ট্রাকের ধাক্কায় পুলিশ সদস্য নিহত ঢাকা-১৪ ও ১৬ আসন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, জানিয়েছে সেনাবাহিনী

নিল ডায়মন্ডকে ছুঁয়ে হিউ জ্যাকম্যানের হৃদয়ের গান

শৈশবের স্মৃতি, জীবনের গান আর বড় পর্দার আবেগ—সব মিলিয়ে নিল ডায়মন্ডকে ঘিরে এক গভীর ভালোবাসার গল্প বলছে নতুন সিনেমা ‘সং সাং ব্লু’। এই ছবির মাধ্যমে প্রথমবার নিল ডায়মন্ডের সংগীত জগতে পুরোপুরি প্রবেশ করলেন হলিউড তারকা হিউ জ্যাকম্যান। তার ভাষায়, এই ছবি শুধু একটি সিনেমা নয়, এটি একদিকে মাইক সারডিনার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যদিকে নিল ডায়মন্ডের প্রতি ভালোবাসার চিঠি।

শৈশব থেকে ডায়মন্ডের গান
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বড় হওয়া হিউ জ্যাকম্যান জানান, সত্তরের দশকে নিল ডায়মন্ডের গান ছাড়া জীবন কল্পনাই করা যেত না। রাস্তা দিয়ে সাইকেল চালালেই কোথাও না কোথাও বাজত ‘হট অগাস্ট নাইট’। অস্ট্রেলিয়া ছিল নিল ডায়মন্ডের অন্যতম বড় ভক্তঘাঁটি। সেই শোনার অভ্যাসই পরে গভীর ভালোবাসায় রূপ নেয়, যখন ছবির প্রস্তুতির সময় টানা তেরোটি গানের জন্য ডায়মন্ডের গানেই নিজেকে ডুবিয়ে রাখেন তিনি।

সংগ্রামী শিল্পীর গল্প
‘সং সাং ব্লু’ সিনেমায় জ্যাকম্যান অভিনয় করেছেন মাইক সারডিনার চরিত্রে। নব্বইয়ের দশকে যুক্তরাষ্ট্রের মিলওয়াকি এলাকায় স্ত্রী ক্লেয়ারের সঙ্গে ‘লাইটনিং অ্যান্ড থান্ডার’ নামে নিল ডায়মন্ডের গান গেয়ে জনপ্রিয় হয়েছিলেন সারডিনা। তিনি কখনো নিল ডায়মন্ডকে নকল করতে চাননি, বরং তার গানের আবেগ আর আত্মাকে নিজের কণ্ঠে ধরতে চেয়েছিলেন। এই সংগ্রামী শিল্পীর গল্পই জ্যাকম্যানকে সবচেয়ে বেশি ছুঁয়েছে।

Good times never felt so weirdly good in Neil Diamond cover-band romance Song  Sung Blue - The Globe and Mail

ভালোবাসা আর স্বপ্নের সিনেমা
এই ছবির পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার ক্রেইগ ব্রুয়ার বহু বছর আগে ‘সং সাং ব্লু’ নামের তথ্যচিত্র দেখে সারডিনাদের গল্পে মুগ্ধ হন। চার বছরের চেষ্টায় অবশেষে সিনেমাটি বাস্তব রূপ পায়। জ্যাকম্যানের মতে, এটি দুই শিল্পীর ভালোবাসার গল্প, যারা জীবনের সব প্রতিকূলতার মাঝেও স্বপ্ন ছাড়েনি, একে অপরকে আঁকড়ে ধরে এগিয়ে গেছে।

পোশাক, রূপ আর স্বাচ্ছন্দ্য
চরিত্রের জন্য নিল ডায়মন্ড ঘরানার চুলের স্টাইল, ঝলমলে কিন্তু ঘরোয়া পোশাক—সবকিছুতেই ছিল বাস্তবতার ছোঁয়া। এমনকি তথ্যচিত্রে থাকা একটি দৃশ্যের অনুকরণে ছবিতে অন্তর্বাস পরেও অভিনয় করেছেন জ্যাকম্যান। তার মতে, মাইক সারডিনার মধ্যে লজ্জা ছিল না বললেই চলে, আর সেই স্বচ্ছন্দ্যটাই চরিত্রকে জীবন্ত করেছে।

ডায়মন্ডের বাড়িতে ক্যারাওকে রাত
ছবির শুটিং শেষে নিল ডায়মন্ডের আমন্ত্রণে তার কলোরাডোর বাড়িতে যান হিউ জ্যাকম্যান। পারকিনসন রোগের কারণে যিনি মঞ্চ ছাড়লেও গানের প্রতি ভালোবাসা ছাড়েননি, সেই কিংবদন্তির সঙ্গে ক্যারাওকে গাওয়া ছিল জ্যাকম্যানের জীবনের স্মরণীয় মুহূর্ত। নিল ডায়মন্ড নিজেই বেছে দেন গান, গাওয়া হয় ‘সুইট ক্যারোলাইন’সহ আরও কিছু ক্লাসিক। জ্যাকম্যান একে বলেছেন নিজের জীবনকে বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় এমন এক মুহূর্ত।

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতন্ত্রের মুখোশে সাংবাদিক দমন, বাড়ছে দুর্নীতির অন্ধকার

নিল ডায়মন্ডকে ছুঁয়ে হিউ জ্যাকম্যানের হৃদয়ের গান

১২:৩০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

শৈশবের স্মৃতি, জীবনের গান আর বড় পর্দার আবেগ—সব মিলিয়ে নিল ডায়মন্ডকে ঘিরে এক গভীর ভালোবাসার গল্প বলছে নতুন সিনেমা ‘সং সাং ব্লু’। এই ছবির মাধ্যমে প্রথমবার নিল ডায়মন্ডের সংগীত জগতে পুরোপুরি প্রবেশ করলেন হলিউড তারকা হিউ জ্যাকম্যান। তার ভাষায়, এই ছবি শুধু একটি সিনেমা নয়, এটি একদিকে মাইক সারডিনার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যদিকে নিল ডায়মন্ডের প্রতি ভালোবাসার চিঠি।

শৈশব থেকে ডায়মন্ডের গান
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বড় হওয়া হিউ জ্যাকম্যান জানান, সত্তরের দশকে নিল ডায়মন্ডের গান ছাড়া জীবন কল্পনাই করা যেত না। রাস্তা দিয়ে সাইকেল চালালেই কোথাও না কোথাও বাজত ‘হট অগাস্ট নাইট’। অস্ট্রেলিয়া ছিল নিল ডায়মন্ডের অন্যতম বড় ভক্তঘাঁটি। সেই শোনার অভ্যাসই পরে গভীর ভালোবাসায় রূপ নেয়, যখন ছবির প্রস্তুতির সময় টানা তেরোটি গানের জন্য ডায়মন্ডের গানেই নিজেকে ডুবিয়ে রাখেন তিনি।

সংগ্রামী শিল্পীর গল্প
‘সং সাং ব্লু’ সিনেমায় জ্যাকম্যান অভিনয় করেছেন মাইক সারডিনার চরিত্রে। নব্বইয়ের দশকে যুক্তরাষ্ট্রের মিলওয়াকি এলাকায় স্ত্রী ক্লেয়ারের সঙ্গে ‘লাইটনিং অ্যান্ড থান্ডার’ নামে নিল ডায়মন্ডের গান গেয়ে জনপ্রিয় হয়েছিলেন সারডিনা। তিনি কখনো নিল ডায়মন্ডকে নকল করতে চাননি, বরং তার গানের আবেগ আর আত্মাকে নিজের কণ্ঠে ধরতে চেয়েছিলেন। এই সংগ্রামী শিল্পীর গল্পই জ্যাকম্যানকে সবচেয়ে বেশি ছুঁয়েছে।

Good times never felt so weirdly good in Neil Diamond cover-band romance Song  Sung Blue - The Globe and Mail

ভালোবাসা আর স্বপ্নের সিনেমা
এই ছবির পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার ক্রেইগ ব্রুয়ার বহু বছর আগে ‘সং সাং ব্লু’ নামের তথ্যচিত্র দেখে সারডিনাদের গল্পে মুগ্ধ হন। চার বছরের চেষ্টায় অবশেষে সিনেমাটি বাস্তব রূপ পায়। জ্যাকম্যানের মতে, এটি দুই শিল্পীর ভালোবাসার গল্প, যারা জীবনের সব প্রতিকূলতার মাঝেও স্বপ্ন ছাড়েনি, একে অপরকে আঁকড়ে ধরে এগিয়ে গেছে।

পোশাক, রূপ আর স্বাচ্ছন্দ্য
চরিত্রের জন্য নিল ডায়মন্ড ঘরানার চুলের স্টাইল, ঝলমলে কিন্তু ঘরোয়া পোশাক—সবকিছুতেই ছিল বাস্তবতার ছোঁয়া। এমনকি তথ্যচিত্রে থাকা একটি দৃশ্যের অনুকরণে ছবিতে অন্তর্বাস পরেও অভিনয় করেছেন জ্যাকম্যান। তার মতে, মাইক সারডিনার মধ্যে লজ্জা ছিল না বললেই চলে, আর সেই স্বচ্ছন্দ্যটাই চরিত্রকে জীবন্ত করেছে।

ডায়মন্ডের বাড়িতে ক্যারাওকে রাত
ছবির শুটিং শেষে নিল ডায়মন্ডের আমন্ত্রণে তার কলোরাডোর বাড়িতে যান হিউ জ্যাকম্যান। পারকিনসন রোগের কারণে যিনি মঞ্চ ছাড়লেও গানের প্রতি ভালোবাসা ছাড়েননি, সেই কিংবদন্তির সঙ্গে ক্যারাওকে গাওয়া ছিল জ্যাকম্যানের জীবনের স্মরণীয় মুহূর্ত। নিল ডায়মন্ড নিজেই বেছে দেন গান, গাওয়া হয় ‘সুইট ক্যারোলাইন’সহ আরও কিছু ক্লাসিক। জ্যাকম্যান একে বলেছেন নিজের জীবনকে বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় এমন এক মুহূর্ত।