০৭:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

বছরের প্রথম সুপারমুনে আলোকিত বেইজিংয়ের রাত

২০২৬ সালের প্রথম সুপারমুনের আলোয় ৩ জানুয়ারি রাতে অন্যরকম এক দৃশ্যের সাক্ষী হলো বেইজিং। গভীর রাতে আকাশে ভেসে ওঠা বিশাল ও উজ্জ্বল চাঁদ শহরের আকাশরেখাকে করে তোলে মোহনীয়। প্রাকৃতিক এই বিরল দৃশ্য দেখতে বেইজিংয়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ জড়ো হন, বিশেষ করে হংগুয়াং পাহাড় এলাকায়।

চাঁদের আলোয় পাহাড় আর শহর

রাত যত গভীর হয়েছে, সুপারমুনের আলো ততই স্পষ্ট হয়েছে। স্বাভাবিক পূর্ণিমার চাঁদের তুলনায় বড় ও উজ্জ্বল এই চাঁদ পাহাড়ের চূড়া আর শহরের আলোয় তৈরি করেছে অনন্য মিশেল। অনেকেই পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে এই দৃশ্য উপভোগ করেন এবং স্মৃতি ধরে রাখতে ছবি তোলেন।

কীভাবে হলো সুপারমুন

জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায়, চাঁদ যখন পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে থেকে পূর্ণিমা হয়, তখন তাকে সুপারমুন বলা হয়। এই কারণে চাঁদকে আকাশে তুলনামূলক বড় ও উজ্জ্বল দেখায়। ২০২৬ সালের প্রথম এই সুপারমুন তাই আগ্রহ কাড়ে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আকাশপ্রেমীদের।

আলোকচিত্রে ধরা পড়া মুহূর্ত

এই রাতের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেছেন আলোকচিত্রী লি হাও। তাঁর তোলা ছবিতে সুপারমুনের আলোয় বেইজিংয়ের পাহাড় ও শহরের নানান রূপ ফুটে উঠেছে, যা সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

বছরের প্রথম সুপারমুনে আলোকিত বেইজিংয়ের রাত

০৪:০৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

২০২৬ সালের প্রথম সুপারমুনের আলোয় ৩ জানুয়ারি রাতে অন্যরকম এক দৃশ্যের সাক্ষী হলো বেইজিং। গভীর রাতে আকাশে ভেসে ওঠা বিশাল ও উজ্জ্বল চাঁদ শহরের আকাশরেখাকে করে তোলে মোহনীয়। প্রাকৃতিক এই বিরল দৃশ্য দেখতে বেইজিংয়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ জড়ো হন, বিশেষ করে হংগুয়াং পাহাড় এলাকায়।

চাঁদের আলোয় পাহাড় আর শহর

রাত যত গভীর হয়েছে, সুপারমুনের আলো ততই স্পষ্ট হয়েছে। স্বাভাবিক পূর্ণিমার চাঁদের তুলনায় বড় ও উজ্জ্বল এই চাঁদ পাহাড়ের চূড়া আর শহরের আলোয় তৈরি করেছে অনন্য মিশেল। অনেকেই পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে এই দৃশ্য উপভোগ করেন এবং স্মৃতি ধরে রাখতে ছবি তোলেন।

কীভাবে হলো সুপারমুন

জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায়, চাঁদ যখন পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে থেকে পূর্ণিমা হয়, তখন তাকে সুপারমুন বলা হয়। এই কারণে চাঁদকে আকাশে তুলনামূলক বড় ও উজ্জ্বল দেখায়। ২০২৬ সালের প্রথম এই সুপারমুন তাই আগ্রহ কাড়ে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আকাশপ্রেমীদের।

আলোকচিত্রে ধরা পড়া মুহূর্ত

এই রাতের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেছেন আলোকচিত্রী লি হাও। তাঁর তোলা ছবিতে সুপারমুনের আলোয় বেইজিংয়ের পাহাড় ও শহরের নানান রূপ ফুটে উঠেছে, যা সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।