১১:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
মরুভূমিতে স্কি স্বপ্ন ভেঙে গেল: সৌদি আরবের ট্রোজেনা প্রকল্পে বড় ধাক্কা অপ্রত্যাশিত সম্পর্কের গল্পে নতুন ঝড়: ‘ফ্যান্টাসি লাইফ’-এ মধ্যবয়সের শূন্যতা ও ভালোবাসার খোঁজ মধ্যপ্রাচ্যে পাল্টে যাচ্ছে সমীকরণ: ইরানের দখলে যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ, চাপে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: এশিয়ার বন্দরে জট, বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় সংকট ভূমিকম্পের এক বছর পরও থমকে পুনর্গঠন, মিয়ানমারে দুঃস্বপ্ন এখনো জীবন্ত ইরান থেকে পালানোর পথ তুরস্ক সীমান্ত: অন্তহীন যুদ্ধের ক্লান্তি আর মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই সামাজিক মাধ্যমে আসক্তি প্রমাণ, কোটি টাকার ক্ষতিপূরণে বিপাকে প্রযুক্তি জায়ান্ট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবটের ঝুঁকি বাড়ছে, ব্যবহারকারীর সুরক্ষায় বাধ্যতামূলক নজরদারির দাবি চীনের উত্থানে নতুন বৈশ্বিক পথ: সহযোগিতার ডাক সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীর ইরান যুদ্ধের ভিডিও শেয়ার ঠেকাতে উপসাগরীয় দেশগুলোর কঠোর অভিযান, শতাধিক গ্রেপ্তার

বছরের প্রথম সুপারমুনে আলোকিত বেইজিংয়ের রাত

২০২৬ সালের প্রথম সুপারমুনের আলোয় ৩ জানুয়ারি রাতে অন্যরকম এক দৃশ্যের সাক্ষী হলো বেইজিং। গভীর রাতে আকাশে ভেসে ওঠা বিশাল ও উজ্জ্বল চাঁদ শহরের আকাশরেখাকে করে তোলে মোহনীয়। প্রাকৃতিক এই বিরল দৃশ্য দেখতে বেইজিংয়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ জড়ো হন, বিশেষ করে হংগুয়াং পাহাড় এলাকায়।

চাঁদের আলোয় পাহাড় আর শহর

রাত যত গভীর হয়েছে, সুপারমুনের আলো ততই স্পষ্ট হয়েছে। স্বাভাবিক পূর্ণিমার চাঁদের তুলনায় বড় ও উজ্জ্বল এই চাঁদ পাহাড়ের চূড়া আর শহরের আলোয় তৈরি করেছে অনন্য মিশেল। অনেকেই পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে এই দৃশ্য উপভোগ করেন এবং স্মৃতি ধরে রাখতে ছবি তোলেন।

কীভাবে হলো সুপারমুন

জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায়, চাঁদ যখন পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে থেকে পূর্ণিমা হয়, তখন তাকে সুপারমুন বলা হয়। এই কারণে চাঁদকে আকাশে তুলনামূলক বড় ও উজ্জ্বল দেখায়। ২০২৬ সালের প্রথম এই সুপারমুন তাই আগ্রহ কাড়ে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আকাশপ্রেমীদের।

আলোকচিত্রে ধরা পড়া মুহূর্ত

এই রাতের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেছেন আলোকচিত্রী লি হাও। তাঁর তোলা ছবিতে সুপারমুনের আলোয় বেইজিংয়ের পাহাড় ও শহরের নানান রূপ ফুটে উঠেছে, যা সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মরুভূমিতে স্কি স্বপ্ন ভেঙে গেল: সৌদি আরবের ট্রোজেনা প্রকল্পে বড় ধাক্কা

বছরের প্রথম সুপারমুনে আলোকিত বেইজিংয়ের রাত

০৪:০৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

২০২৬ সালের প্রথম সুপারমুনের আলোয় ৩ জানুয়ারি রাতে অন্যরকম এক দৃশ্যের সাক্ষী হলো বেইজিং। গভীর রাতে আকাশে ভেসে ওঠা বিশাল ও উজ্জ্বল চাঁদ শহরের আকাশরেখাকে করে তোলে মোহনীয়। প্রাকৃতিক এই বিরল দৃশ্য দেখতে বেইজিংয়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ জড়ো হন, বিশেষ করে হংগুয়াং পাহাড় এলাকায়।

চাঁদের আলোয় পাহাড় আর শহর

রাত যত গভীর হয়েছে, সুপারমুনের আলো ততই স্পষ্ট হয়েছে। স্বাভাবিক পূর্ণিমার চাঁদের তুলনায় বড় ও উজ্জ্বল এই চাঁদ পাহাড়ের চূড়া আর শহরের আলোয় তৈরি করেছে অনন্য মিশেল। অনেকেই পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে এই দৃশ্য উপভোগ করেন এবং স্মৃতি ধরে রাখতে ছবি তোলেন।

কীভাবে হলো সুপারমুন

জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায়, চাঁদ যখন পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে থেকে পূর্ণিমা হয়, তখন তাকে সুপারমুন বলা হয়। এই কারণে চাঁদকে আকাশে তুলনামূলক বড় ও উজ্জ্বল দেখায়। ২০২৬ সালের প্রথম এই সুপারমুন তাই আগ্রহ কাড়ে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আকাশপ্রেমীদের।

আলোকচিত্রে ধরা পড়া মুহূর্ত

এই রাতের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেছেন আলোকচিত্রী লি হাও। তাঁর তোলা ছবিতে সুপারমুনের আলোয় বেইজিংয়ের পাহাড় ও শহরের নানান রূপ ফুটে উঠেছে, যা সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।