০১:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬
এক হাতে শক্তি আর বিস্ফোরণ ক্ষমতার চর্চা, সিঙ্গেল আর্ম হ্যাং ক্লিনে বদলান শরীরের ছন্দ ইউরোপজুড়ে তুষার ও বরফের তাণ্ডব, বাতিল শত শত ফ্লাইট, সড়কে প্রাণহানি কুয়াশা কী, কেন হয়? কুয়াশা পড়লে ঠান্ডা বাড়ে নাকি কমে? থাইল্যান্ডের বিমানবন্দর সংযোগ দ্রুতগতি রেল প্রকল্প অনিশ্চয়তায়, রাজনৈতিক টানাপোড়েনে আটকে সাত বিলিয়ন ডলারের উদ্যোগ এক মিনিটেই বদলে যেতে পারে জীবন পাকিস্তান-বাংলাদেশের নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি ভেনেজুয়েলা ঘিরে তেলের বাজারে ‘অতিরিক্ত সরবরাহ’ শঙ্কা ওজন কমানোর আশ্বাসে ওষুধ, বাস্তবে কাজই করে না অনেকের শরীরে তেল লুটের নতুন ছক, জলবায়ুর চরম ঝুঁকি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান বিমান বাহিনী প্রধানের মধ্যে কী আলোচনা হয়েছে

বছরের প্রথম সুপারমুনে আলোকিত বেইজিংয়ের রাত

২০২৬ সালের প্রথম সুপারমুনের আলোয় ৩ জানুয়ারি রাতে অন্যরকম এক দৃশ্যের সাক্ষী হলো বেইজিং। গভীর রাতে আকাশে ভেসে ওঠা বিশাল ও উজ্জ্বল চাঁদ শহরের আকাশরেখাকে করে তোলে মোহনীয়। প্রাকৃতিক এই বিরল দৃশ্য দেখতে বেইজিংয়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ জড়ো হন, বিশেষ করে হংগুয়াং পাহাড় এলাকায়।

চাঁদের আলোয় পাহাড় আর শহর

রাত যত গভীর হয়েছে, সুপারমুনের আলো ততই স্পষ্ট হয়েছে। স্বাভাবিক পূর্ণিমার চাঁদের তুলনায় বড় ও উজ্জ্বল এই চাঁদ পাহাড়ের চূড়া আর শহরের আলোয় তৈরি করেছে অনন্য মিশেল। অনেকেই পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে এই দৃশ্য উপভোগ করেন এবং স্মৃতি ধরে রাখতে ছবি তোলেন।

কীভাবে হলো সুপারমুন

জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায়, চাঁদ যখন পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে থেকে পূর্ণিমা হয়, তখন তাকে সুপারমুন বলা হয়। এই কারণে চাঁদকে আকাশে তুলনামূলক বড় ও উজ্জ্বল দেখায়। ২০২৬ সালের প্রথম এই সুপারমুন তাই আগ্রহ কাড়ে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আকাশপ্রেমীদের।

আলোকচিত্রে ধরা পড়া মুহূর্ত

এই রাতের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেছেন আলোকচিত্রী লি হাও। তাঁর তোলা ছবিতে সুপারমুনের আলোয় বেইজিংয়ের পাহাড় ও শহরের নানান রূপ ফুটে উঠেছে, যা সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

এক হাতে শক্তি আর বিস্ফোরণ ক্ষমতার চর্চা, সিঙ্গেল আর্ম হ্যাং ক্লিনে বদলান শরীরের ছন্দ

বছরের প্রথম সুপারমুনে আলোকিত বেইজিংয়ের রাত

০৪:০৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

২০২৬ সালের প্রথম সুপারমুনের আলোয় ৩ জানুয়ারি রাতে অন্যরকম এক দৃশ্যের সাক্ষী হলো বেইজিং। গভীর রাতে আকাশে ভেসে ওঠা বিশাল ও উজ্জ্বল চাঁদ শহরের আকাশরেখাকে করে তোলে মোহনীয়। প্রাকৃতিক এই বিরল দৃশ্য দেখতে বেইজিংয়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ জড়ো হন, বিশেষ করে হংগুয়াং পাহাড় এলাকায়।

চাঁদের আলোয় পাহাড় আর শহর

রাত যত গভীর হয়েছে, সুপারমুনের আলো ততই স্পষ্ট হয়েছে। স্বাভাবিক পূর্ণিমার চাঁদের তুলনায় বড় ও উজ্জ্বল এই চাঁদ পাহাড়ের চূড়া আর শহরের আলোয় তৈরি করেছে অনন্য মিশেল। অনেকেই পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে এই দৃশ্য উপভোগ করেন এবং স্মৃতি ধরে রাখতে ছবি তোলেন।

কীভাবে হলো সুপারমুন

জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায়, চাঁদ যখন পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে থেকে পূর্ণিমা হয়, তখন তাকে সুপারমুন বলা হয়। এই কারণে চাঁদকে আকাশে তুলনামূলক বড় ও উজ্জ্বল দেখায়। ২০২৬ সালের প্রথম এই সুপারমুন তাই আগ্রহ কাড়ে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আকাশপ্রেমীদের।

আলোকচিত্রে ধরা পড়া মুহূর্ত

এই রাতের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেছেন আলোকচিত্রী লি হাও। তাঁর তোলা ছবিতে সুপারমুনের আলোয় বেইজিংয়ের পাহাড় ও শহরের নানান রূপ ফুটে উঠেছে, যা সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।