মনোনয়ন যাচাই প্রক্রিয়ায় বৈষম্যের অভিযোগ তুলে দলীয় মানসিকতার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের অপসারণ দাবি করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বুধবার এ অভিযোগ করেন।
নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক
রাজধানীর নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি জানান, একই দেশে একই আইনের ভিন্ন প্রয়োগ দেখা যাচ্ছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে এবং প্রতিবাদ করা হয়েছে।
দলীয় প্রভাবের অভিযোগ
ডা. তাহের বলেন, মনোনয়ন যাচাইয়ের সময় বিভিন্ন জায়গায় এমন কিছু জেলা প্রশাসক দায়িত্ব পালন করছেন, যাঁরা আইনের পরিবর্তে দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন। একই ধরনের ঘটনায় কোথাও মনোনয়ন গ্রহণ করা হয়েছে, আবার কোথাও বাতিল করা হয়েছে। এ কারণে দলীয় মানসিকতার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের প্রত্যাহার করে নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে।
দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে অসঙ্গতি
তিনি অভিযোগ করেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়ে জামায়াত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে চরম বৈষম্য করা হয়েছে। একই ধরনের অভিযোগে কোথাও মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হলেও অন্য জায়গায় তা বাতিল করা হয়েছে। কুড়িগ্রামে জামায়াতের প্রার্থী মাহবুব সালেহিনের মনোনয়ন বাতিলের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, একই পরিস্থিতিতে অন্য প্রার্থীদের মনোনয়ন গ্রহণ করা হলেও তাঁদের প্রার্থীর ক্ষেত্রে তা হয়নি। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরে আনা হয়েছে।
পুরোনো মামলার রায় নিয়ে অভিযোগ
ডা. তাহের আরও বলেন, আগের আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেওয়া কিছু মামলার রায় নিয়েও বৈষম্য করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, অবৈধভাবে দণ্ডিত তিন নেতার মধ্যে দুজনের মনোনয়ন গ্রহণ করা হলেও একই অবস্থায় জামায়াত প্রার্থী হামিদুর রহমান আজাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
প্রতিনিধি দলের সদস্যরা
ছয় সদস্যের জামায়াত প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং জামায়াতের সংসদ সদস্য প্রার্থী শিশির মনি।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















