০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
সিএনএনের জনক টেড টার্নার আর নেই, ২৪ ঘণ্টার সংবাদযুগের পথিকৃৎকে বিদায় বাংলাদেশের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ নাকচ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর সীমান্তে সতর্ক বিজিবি, ‘পুশ-ইন’ ঠেকাতে আগাম প্রস্তুতি বক্স অফিসের নায়ক থেকে তামিল রাজনীতির বিস্ময়, কীভাবে ‘থালাপতি’ বিজয় বদলে দিলেন তামিলনাড়ুর সমীকরণ ক্রেনশর পথ ও “আন্তঃসংযোগ”-এর জন্ম চীনা কোম্পানির বৈশ্বিক আয় রেকর্ডে, শীর্ষে ফক্সকন ও বিওয়াইডি ভারসাম্যের কূটনীতিতে ভারত-ভিয়েতনাম ঘনিষ্ঠতা, সুপারপাওয়ার নির্ভরতা কমানোর বার্তা চিপ জুয়ার ধস: এআই বুমের মাঝেই শেনজেনের ব্যবসায়ীদের কোটি কোটি ইউয়ান গায়েব মধ্যবিত্ত পৃথিবীর শেষ আশ্রয়: বারো বছরের কিশোরীরা কেন এখনও ভবিষ্যতের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আছে চীনের ক্ষোভ, ৮০ বছর পর বিদেশে ‘অফেনসিভ’ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল জাপান

এলপি গ্যাসের দাম না বাড়লে বৃহস্পতিবার থেকে দেশজুড়ে সরবরাহ বন্ধের হুঁশিয়ারি

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন মূল্য সমন্বয়ের ঘোষণা না দিলে বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশে এলপি গ্যাসের সরবরাহ ও বিপণন বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতুন দাম ঘোষণা না হলে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে এই আলটিমেটাম দেন এলপিজি ট্রেডার্স কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের নেতারা। চলমান সংকট ও খাতে অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদ জানাতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সংকটের দায় মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায়

মানববন্ধনে সংগঠনের সভাপতি সেলিম খান বলেন, দেশ বর্তমানে ভয়াবহ এলপি গ্যাস সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তার অভিযোগ, পরিবেশক ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে আলোচনা না করেই নিয়ন্ত্রক সংস্থা নতুন দাম নির্ধারণ করছে। এতে কোম্পানি, পরিবেশক ও ভোক্তা সবাই চাপে পড়ছেন।

তিনি বলেন, সংকট সমাধানের পরিবর্তে মূল্য নিয়ে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি অভিজ্ঞতাহীন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান বাজারে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। এর ফলে অনেক ব্যবসায়ী কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

বারবার দাম পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবেশকরা

সেলিম খান আরও বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা মাসে একবার এলপি গ্যাসের দাম ঘোষণা করলেও কোম্পানিগুলো একাধিকবার দাম সমন্বয় করে। এর চাপ শেষ পর্যন্ত পরিবেশকদের ওপরই পড়ছে। তিনি স্থায়ী কমিটি গঠন এবং পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন বাড়ানোর দাবি জানান।

চাহিদার তুলনায় সরবরাহে বড় ঘাটতি

সংগঠনের তথ্যমতে, দেশে প্রায় পাঁচ কোটি পঞ্চাশ লাখ এলপি গ্যাস সিলিন্ডার থাকলেও পুনরায় ভরানো হচ্ছে মাত্র এক কোটি পঁচিশ লাখের মতো। ফলে চাহিদার তুলনায় প্রায় ষাট শতাংশ সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

ব্যয় বৃদ্ধি ও কোম্পানি বন্ধ হওয়ায় সংকট তীব্র

নেতারা জানান, উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং একাধিক কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবেশকরা দেউলিয়া হওয়ার মুখে পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে সরকারের হস্তক্ষেপ ছাড়া সংকট কাটানো সম্ভব নয়।

সরকারি সহায়তার আহ্বান

এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীরা নিষ্ক্রিয় সিলিন্ডারের জন্য ভর্তুকি দেওয়া এবং নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। মানববন্ধনে সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ ব্যবসায়ীরাও অংশ নেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিএনএনের জনক টেড টার্নার আর নেই, ২৪ ঘণ্টার সংবাদযুগের পথিকৃৎকে বিদায়

এলপি গ্যাসের দাম না বাড়লে বৃহস্পতিবার থেকে দেশজুড়ে সরবরাহ বন্ধের হুঁশিয়ারি

০৭:১৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন মূল্য সমন্বয়ের ঘোষণা না দিলে বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশে এলপি গ্যাসের সরবরাহ ও বিপণন বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতুন দাম ঘোষণা না হলে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে এই আলটিমেটাম দেন এলপিজি ট্রেডার্স কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের নেতারা। চলমান সংকট ও খাতে অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদ জানাতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সংকটের দায় মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায়

মানববন্ধনে সংগঠনের সভাপতি সেলিম খান বলেন, দেশ বর্তমানে ভয়াবহ এলপি গ্যাস সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তার অভিযোগ, পরিবেশক ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে আলোচনা না করেই নিয়ন্ত্রক সংস্থা নতুন দাম নির্ধারণ করছে। এতে কোম্পানি, পরিবেশক ও ভোক্তা সবাই চাপে পড়ছেন।

তিনি বলেন, সংকট সমাধানের পরিবর্তে মূল্য নিয়ে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি অভিজ্ঞতাহীন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান বাজারে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। এর ফলে অনেক ব্যবসায়ী কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

বারবার দাম পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবেশকরা

সেলিম খান আরও বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা মাসে একবার এলপি গ্যাসের দাম ঘোষণা করলেও কোম্পানিগুলো একাধিকবার দাম সমন্বয় করে। এর চাপ শেষ পর্যন্ত পরিবেশকদের ওপরই পড়ছে। তিনি স্থায়ী কমিটি গঠন এবং পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন বাড়ানোর দাবি জানান।

চাহিদার তুলনায় সরবরাহে বড় ঘাটতি

সংগঠনের তথ্যমতে, দেশে প্রায় পাঁচ কোটি পঞ্চাশ লাখ এলপি গ্যাস সিলিন্ডার থাকলেও পুনরায় ভরানো হচ্ছে মাত্র এক কোটি পঁচিশ লাখের মতো। ফলে চাহিদার তুলনায় প্রায় ষাট শতাংশ সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

ব্যয় বৃদ্ধি ও কোম্পানি বন্ধ হওয়ায় সংকট তীব্র

নেতারা জানান, উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং একাধিক কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবেশকরা দেউলিয়া হওয়ার মুখে পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে সরকারের হস্তক্ষেপ ছাড়া সংকট কাটানো সম্ভব নয়।

সরকারি সহায়তার আহ্বান

এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীরা নিষ্ক্রিয় সিলিন্ডারের জন্য ভর্তুকি দেওয়া এবং নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। মানববন্ধনে সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ ব্যবসায়ীরাও অংশ নেন।