০৩:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬
শুধু দরিদ্রদের জন্য স্কুল নয়, দরকার সবার জন্য সমতার শিক্ষা গুগলের শান্ত অধিনায়ক সুন্দর পিচাই: এআই ঝড়ে নেতৃত্বে নতুন অধ্যায় লন্ডনের নদী বাঁচাতে ‘সুপার সিউয়ার’: শতবর্ষ পুরোনো সংকটের আধুনিক সমাধান এনবিআরের ‘হয়রানি’ অভিযোগে অটোখাতে সংকটের শঙ্কা, যুক্তিসঙ্গত শুল্ক কাঠামোর দাবি বারভিডার সাতক্ষীরার উন্নয়নে ১৬ দফা দাবি: ঢাকায় যুবকদের মানববন্ধনে জোরালো বার্তা ধানমন্ডিতে ১১ তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু ৬১% আমেরিকানের চোখে ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ ‘ভুল সিদ্ধান্ত’ কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে আইবিএমের ঝড়: ভবিষ্যতের প্রযুক্তি কি বদলে দেবে সবকিছু? মস্তিষ্কের সংকেতেই চলবে প্রযুক্তি, পক্ষাঘাতগ্রস্তদের নতুন আশার নাম ‘সিঙ্ক্রন’ মেট গালার থিমে শরীরের ভাষা: পাঁচ নারী শিল্পীর দৃষ্টিতে নতুন শিল্পভাবনা

সংস্কারপন্থী রাজনীতিতে নতুন মুখ, লন্ডনের মেয়র দৌড়ে মুসলিম নারী প্রার্থী লায়লা কানিংহাম

ব্রিটেনের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করল অভিবাসনবিরোধী দল রিফর্ম ইউকে। দলটি লন্ডনের পরবর্তী মেয়র নির্বাচনের জন্য মুসলিম ব্যবসায়ী ও সাবেক আইনজীবী লায়লা কানিংহামকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে। শুক্রবার লন্ডনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির নেতা নাইজেল ফারাজ এই ঘোষণা দেন।

লন্ডনের মেয়র পদে নতুন চ্যালেঞ্জ
দলীয় ঘোষণার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে, রিফর্ম ইউকে বর্তমান মেয়র সাদিক খানের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে চায়। দুই হাজার ষোল সাল থেকে লন্ডনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সাদিক খান এখনো চতুর্থ মেয়াদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দেননি। বৈচিত্র্য ও অভিবাসীবান্ধব নীতির কারণে ডানপন্থী মহলে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি সমালোচিত।

 

লায়লা কানিংহামের রাজনৈতিক যাত্রা
আটচল্লিশ বছর বয়সী লায়লা কানিংহাম লন্ডনে রিফর্ম ইউকের প্রথম স্থানীয় কাউন্সিলর। তিনি জন্মেছেন লন্ডনে, তাঁর বাবা-মা ষাটের দশকে মিসর থেকে ব্রিটেনে পাড়ি জমান। দুই হাজার বাইশ সালে ওয়েস্টমিনস্টার এলাকায় তিনি কনজারভেটিভ দলের হয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। পরে দল পরিবর্তন করে রিফর্ম ইউকে যোগ দেন।

আইনজীবী থেকে রাজনীতির ময়দানে
কানিংহাম ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিসে আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন। তবে রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট মন্তব্যের অভিযোগে গত বছর তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়। সংবাদ সম্মেলনে তিনি লন্ডনকে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ শহর বলে উল্লেখ করলেও বলেন, শহরটির বর্তমান অবস্থার প্রতি তিনি চোখ বন্ধ করে থাকতে পারেন না। তাঁর ভাষায়, লন্ডনে নতুন শাসনের সূচনা প্রয়োজন।

রিফর্ম ইউকের কৌশল ও বাস্তবতা
নাইজেল ফারাজ দাবি করেন, লায়লা কানিংহাম স্পষ্টভাষী, উদ্যমী এবং একজন মা হিসেবে সমাজের বাস্তবতা বোঝেন। তাঁর নেতৃত্বে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে লন্ডনে বড় সাফল্যের আশায় আছে দলটি। তবে বহুসাংস্কৃতিক ও ব্যস্ত মহানগরীতে রিফর্ম ইউকের জন্য ভোটারদের মন জয় করা সহজ হবে না বলেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

শুধু দরিদ্রদের জন্য স্কুল নয়, দরকার সবার জন্য সমতার শিক্ষা

সংস্কারপন্থী রাজনীতিতে নতুন মুখ, লন্ডনের মেয়র দৌড়ে মুসলিম নারী প্রার্থী লায়লা কানিংহাম

০১:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

ব্রিটেনের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করল অভিবাসনবিরোধী দল রিফর্ম ইউকে। দলটি লন্ডনের পরবর্তী মেয়র নির্বাচনের জন্য মুসলিম ব্যবসায়ী ও সাবেক আইনজীবী লায়লা কানিংহামকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে। শুক্রবার লন্ডনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির নেতা নাইজেল ফারাজ এই ঘোষণা দেন।

লন্ডনের মেয়র পদে নতুন চ্যালেঞ্জ
দলীয় ঘোষণার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে, রিফর্ম ইউকে বর্তমান মেয়র সাদিক খানের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে চায়। দুই হাজার ষোল সাল থেকে লন্ডনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সাদিক খান এখনো চতুর্থ মেয়াদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দেননি। বৈচিত্র্য ও অভিবাসীবান্ধব নীতির কারণে ডানপন্থী মহলে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি সমালোচিত।

 

লায়লা কানিংহামের রাজনৈতিক যাত্রা
আটচল্লিশ বছর বয়সী লায়লা কানিংহাম লন্ডনে রিফর্ম ইউকের প্রথম স্থানীয় কাউন্সিলর। তিনি জন্মেছেন লন্ডনে, তাঁর বাবা-মা ষাটের দশকে মিসর থেকে ব্রিটেনে পাড়ি জমান। দুই হাজার বাইশ সালে ওয়েস্টমিনস্টার এলাকায় তিনি কনজারভেটিভ দলের হয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। পরে দল পরিবর্তন করে রিফর্ম ইউকে যোগ দেন।

আইনজীবী থেকে রাজনীতির ময়দানে
কানিংহাম ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিসে আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন। তবে রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট মন্তব্যের অভিযোগে গত বছর তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়। সংবাদ সম্মেলনে তিনি লন্ডনকে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ শহর বলে উল্লেখ করলেও বলেন, শহরটির বর্তমান অবস্থার প্রতি তিনি চোখ বন্ধ করে থাকতে পারেন না। তাঁর ভাষায়, লন্ডনে নতুন শাসনের সূচনা প্রয়োজন।

রিফর্ম ইউকের কৌশল ও বাস্তবতা
নাইজেল ফারাজ দাবি করেন, লায়লা কানিংহাম স্পষ্টভাষী, উদ্যমী এবং একজন মা হিসেবে সমাজের বাস্তবতা বোঝেন। তাঁর নেতৃত্বে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে লন্ডনে বড় সাফল্যের আশায় আছে দলটি। তবে বহুসাংস্কৃতিক ও ব্যস্ত মহানগরীতে রিফর্ম ইউকের জন্য ভোটারদের মন জয় করা সহজ হবে না বলেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।