০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

কোহলির সেঞ্চুরি হাতছাড়া, তবু জয়ে শুরু ভারতের

ভাদোদরায় প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ঠান্ডা মাথার ক্রিকেট খেলেই জয়ের হাসি হাসল ভারত। সেঞ্চুরি ছুঁয়ে ফেলতে না পারলেও বিরাট কোহলির দৃঢ় ইনিংসে ভর করে চার উইকেটে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজ শুরু করল স্বাগতিকরা।

চাপের লক্ষ্য, শান্ত ভারতের রান তাড়া

৩০১ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। রোহিত শর্মা দ্রুত ফিরে যান ২৬ রান করে। তবে এরপর ক্রিজে দাঁড়িয়ে যান বিরাট কোহলি। এক প্রান্ত আগলে রেখে তিনি ইনিংসকে গুছিয়ে নেন, খেলেন ৯১ বলে পরিপক্ব ৯৩ রানের ইনিংস। সেঞ্চুরি হাতছাড়া হলেও ম্যাচের রাশ ছিল তার হাতেই।

কোহলির সঙ্গে অধিনায়ক শুভমান গিল গড়ে তোলেন ১১৮ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। গিল ৭২ বলে ৫৬ রান করে আউট হলেও ততক্ষণে ভারতের ভিত শক্ত হয়ে যায়। এরপর শ্রেয়াস আইয়ারের সঙ্গে কোহলি যোগ করেন আরও ৭৭ রান। আইয়ার করেন সাবলীল ৪৯।

শেষ মুহূর্তে ধাক্কা, রাহুলের স্থিরতা

কোহলি আউট হওয়ার পর হঠাৎ কয়েকটি উইকেট পড়ে যায়। মুহূর্তের জন্য চাপে পড়ে ভারত। তবে অভিজ্ঞ কেএল রাহুল পরিস্থিতি বুঝে শান্ত থেকে খেলেন। তিনি ২৯ রান করে দলকে এক ওভার হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।

নিউজিল্যান্ডের লড়াকু সংগ্রহ

এর আগে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড তোলে ৩০০ রান ৮ উইকেটে। ওপেনিংয়ে ডেভন কনওয়ে ও হেনরি নিকোলস দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন। দুজনের জুটিতে আসে ১১৭ রান। নিকোলস ৬৯ বলে ৬২ এবং কনওয়ে ৬৭ বলে ৫৬ রান করে ফিরে যান।

মাঝের ওভারে রান কিছুটা থমকে গেলেও ড্যারিল মিচেল একাই ইনিংস ধরে রাখেন। তিনি ৭১ বলে শক্তিশালী ৮৪ রান করেন। শেষদিকে ক্রিস্টিয়ান ক্লার্ক ঝরঝরে ২৪ রানে অপরাজিত থেকে দলকে তিনশোর গণ্ডি পার করান।

আত্মবিশ্বাসী শুরু ভারতের

সব মিলিয়ে চাপের ম্যাচে ধৈর্য আর অভিজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছে ভারত। কোহলির ইনিংস, মাঝের জুটিগুলো এবং রাহুলের ঠান্ডা মাথার ফিনিশ প্রথম ম্যাচেই সিরিজে বাড়তি আত্মবিশ্বাস এনে দিল স্বাগতিক শিবিরে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

কোহলির সেঞ্চুরি হাতছাড়া, তবু জয়ে শুরু ভারতের

০৬:১৩:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

ভাদোদরায় প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ঠান্ডা মাথার ক্রিকেট খেলেই জয়ের হাসি হাসল ভারত। সেঞ্চুরি ছুঁয়ে ফেলতে না পারলেও বিরাট কোহলির দৃঢ় ইনিংসে ভর করে চার উইকেটে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজ শুরু করল স্বাগতিকরা।

চাপের লক্ষ্য, শান্ত ভারতের রান তাড়া

৩০১ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। রোহিত শর্মা দ্রুত ফিরে যান ২৬ রান করে। তবে এরপর ক্রিজে দাঁড়িয়ে যান বিরাট কোহলি। এক প্রান্ত আগলে রেখে তিনি ইনিংসকে গুছিয়ে নেন, খেলেন ৯১ বলে পরিপক্ব ৯৩ রানের ইনিংস। সেঞ্চুরি হাতছাড়া হলেও ম্যাচের রাশ ছিল তার হাতেই।

কোহলির সঙ্গে অধিনায়ক শুভমান গিল গড়ে তোলেন ১১৮ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। গিল ৭২ বলে ৫৬ রান করে আউট হলেও ততক্ষণে ভারতের ভিত শক্ত হয়ে যায়। এরপর শ্রেয়াস আইয়ারের সঙ্গে কোহলি যোগ করেন আরও ৭৭ রান। আইয়ার করেন সাবলীল ৪৯।

শেষ মুহূর্তে ধাক্কা, রাহুলের স্থিরতা

কোহলি আউট হওয়ার পর হঠাৎ কয়েকটি উইকেট পড়ে যায়। মুহূর্তের জন্য চাপে পড়ে ভারত। তবে অভিজ্ঞ কেএল রাহুল পরিস্থিতি বুঝে শান্ত থেকে খেলেন। তিনি ২৯ রান করে দলকে এক ওভার হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।

নিউজিল্যান্ডের লড়াকু সংগ্রহ

এর আগে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড তোলে ৩০০ রান ৮ উইকেটে। ওপেনিংয়ে ডেভন কনওয়ে ও হেনরি নিকোলস দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন। দুজনের জুটিতে আসে ১১৭ রান। নিকোলস ৬৯ বলে ৬২ এবং কনওয়ে ৬৭ বলে ৫৬ রান করে ফিরে যান।

মাঝের ওভারে রান কিছুটা থমকে গেলেও ড্যারিল মিচেল একাই ইনিংস ধরে রাখেন। তিনি ৭১ বলে শক্তিশালী ৮৪ রান করেন। শেষদিকে ক্রিস্টিয়ান ক্লার্ক ঝরঝরে ২৪ রানে অপরাজিত থেকে দলকে তিনশোর গণ্ডি পার করান।

আত্মবিশ্বাসী শুরু ভারতের

সব মিলিয়ে চাপের ম্যাচে ধৈর্য আর অভিজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছে ভারত। কোহলির ইনিংস, মাঝের জুটিগুলো এবং রাহুলের ঠান্ডা মাথার ফিনিশ প্রথম ম্যাচেই সিরিজে বাড়তি আত্মবিশ্বাস এনে দিল স্বাগতিক শিবিরে।