০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
“আমি এ বছরই দেশে ফিরব” – শেখ হাসিনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চাহিদায় উড়ছে সিঙ্গাপুরের কারখানা উৎপাদন, টানা নয় মাস প্রবৃদ্ধি নামমাত্র পরিচালক হয়ে বিপাকে সিঙ্গাপুরের নারী, চাকরি হারিয়ে এখনও ১৫ প্রতিষ্ঠানের পরিচালক! নতুন শ্রবণ পরীক্ষা বুথে অপেক্ষার সময় অর্ধেক, দ্রুত সেবা পাচ্ছেন রোগীরা সিঙ্গাপুরে দুই মসজিদের সাবেক চেয়ারম্যানের কারাদণ্ড, ঠিকাদারি কাজ পাইয়ে দিতে দুর্নীতির প্রমাণ এয়ারএশিয়ার বড় সিদ্ধান্ত: ১ জুলাই থেকে বন্ধ সিঙ্গাপুর-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট, বাড়বে যাত্রার সময় স্থানীয় নির্বাচনে একক প্রার্থী দিতে বহু কৌশল বিএনপির নেশার বিরুদ্ধে বড় অভিযান: ৬৮০ মিলিয়ন ডলারের মাদক আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করল মিয়ানমার পেন্টাগনের নতুন নীতি: যুদ্ধক্ষেত্রে লক্ষ্য নির্ধারণে বাড়ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা ইসরায়েল-লেবানন সমঝোতার পথে নতুন উদ্যোগ, দক্ষিণ লেবাননে ‘হিজবুল্লাহমুক্ত অঞ্চল’ নিয়ে আলোচনা

ঢাকায় সড়ক নিরাপত্তা সচেতনতা অভিযান জোরদার, দুর্ঘটনা কমাতে জনসচেতনতার আহ্বান

ঢাকার সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমাতে ব্যাপক সড়ক নিরাপত্তা সচেতনতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মঙ্গলবার আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা একটি বেসরকারি সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রতিরক্ষামূলক গাড়ি চালনা প্রশিক্ষক, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, অধিকারকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা অংশ নেন।

সড়ক দুর্ঘটনার মূল কারণ আইন না মানা ও সচেতনতার অভাব

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ট্রাফিক আইন না মানা এবং সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে মানুষের অজ্ঞতা দুর্ঘটনার অন্যতম বড় কারণ। আয়োজকদের প্রধান উপদেষ্টা মীর আবদুল মোতালেব বলেন, চালকেরা যদি নিয়ম মেনে গাড়ি চালাতেন এবং সাধারণ মানুষ যদি সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন থাকতেন, তাহলে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা অনেকটাই কমানো সম্ভব হতো।

তিনি আরও বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে আইন মানার সংস্কৃতি গড়ে তোলা জরুরি। শুধু আইন প্রয়োগ করলেই হবে না, নাগরিকদের মধ্যেও দায়িত্বশীল আচরণ গড়ে তুলতে হবে।

সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন

যানজটে প্রতিদিন বিপুল কর্মঘণ্টা নষ্ট

অনুষ্ঠানে সংগঠনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুজ্জামান পলাশ বলেন, রাজধানী ঢাকায় যানজটের কারণে প্রতিদিন বিপুল কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। তাঁর মতে, শুধু ঢাকাতেই প্রতিদিন প্রায় আশি লাখ কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়, যার ফলে অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় এক হাজার চারশ কোটি টাকা।

তিনি বলেন, সড়ক ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এবং সবার মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা গেলে এই ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

আইন প্রয়োগ ও জনসম্পৃক্ততার গুরুত্ব

সড়ক নিরাপত্তায় শিক্ষার্থীদের সচেতনতা জরুরি

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়ন সম্ভব নয় বলেও মত দেন তারা।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের উপদেষ্টা শিয়াবুর রহমান শিহাব, নিরাপত্তা পরামর্শক মোহাম্মদ জিয়াউল আহসান, পরিচালক শরিফ হোসেন হৃদয়সহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

লিফলেট ও স্টিকারের মাধ্যমে সচেতনতা

সচেতনতা কর্মসূচির অংশ হিসেবে পথচারী ও চালকদের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয় এবং গাড়িতে লাগানোর জন্য স্টিকার দেওয়া হয়। এছাড়া ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ডের মাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন বার্তা প্রচার করা হয়।

আয়োজকদের আশা, এমন উদ্যোগ মানুষের মধ্যে দায়িত্বশীল আচরণ গড়ে তুলবে এবং সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

“আমি এ বছরই দেশে ফিরব” – শেখ হাসিনা

ঢাকায় সড়ক নিরাপত্তা সচেতনতা অভিযান জোরদার, দুর্ঘটনা কমাতে জনসচেতনতার আহ্বান

০৫:২৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

ঢাকার সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমাতে ব্যাপক সড়ক নিরাপত্তা সচেতনতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মঙ্গলবার আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা একটি বেসরকারি সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রতিরক্ষামূলক গাড়ি চালনা প্রশিক্ষক, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, অধিকারকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা অংশ নেন।

সড়ক দুর্ঘটনার মূল কারণ আইন না মানা ও সচেতনতার অভাব

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ট্রাফিক আইন না মানা এবং সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে মানুষের অজ্ঞতা দুর্ঘটনার অন্যতম বড় কারণ। আয়োজকদের প্রধান উপদেষ্টা মীর আবদুল মোতালেব বলেন, চালকেরা যদি নিয়ম মেনে গাড়ি চালাতেন এবং সাধারণ মানুষ যদি সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন থাকতেন, তাহলে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা অনেকটাই কমানো সম্ভব হতো।

তিনি আরও বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে আইন মানার সংস্কৃতি গড়ে তোলা জরুরি। শুধু আইন প্রয়োগ করলেই হবে না, নাগরিকদের মধ্যেও দায়িত্বশীল আচরণ গড়ে তুলতে হবে।

সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন

যানজটে প্রতিদিন বিপুল কর্মঘণ্টা নষ্ট

অনুষ্ঠানে সংগঠনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুজ্জামান পলাশ বলেন, রাজধানী ঢাকায় যানজটের কারণে প্রতিদিন বিপুল কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। তাঁর মতে, শুধু ঢাকাতেই প্রতিদিন প্রায় আশি লাখ কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়, যার ফলে অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় এক হাজার চারশ কোটি টাকা।

তিনি বলেন, সড়ক ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এবং সবার মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা গেলে এই ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

আইন প্রয়োগ ও জনসম্পৃক্ততার গুরুত্ব

সড়ক নিরাপত্তায় শিক্ষার্থীদের সচেতনতা জরুরি

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়ন সম্ভব নয় বলেও মত দেন তারা।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের উপদেষ্টা শিয়াবুর রহমান শিহাব, নিরাপত্তা পরামর্শক মোহাম্মদ জিয়াউল আহসান, পরিচালক শরিফ হোসেন হৃদয়সহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

লিফলেট ও স্টিকারের মাধ্যমে সচেতনতা

সচেতনতা কর্মসূচির অংশ হিসেবে পথচারী ও চালকদের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয় এবং গাড়িতে লাগানোর জন্য স্টিকার দেওয়া হয়। এছাড়া ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ডের মাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন বার্তা প্রচার করা হয়।

আয়োজকদের আশা, এমন উদ্যোগ মানুষের মধ্যে দায়িত্বশীল আচরণ গড়ে তুলবে এবং সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।