ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলিসহ এক যুবককে গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। র্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড তাজা গুলি ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাষ্য, রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় অপরাধে আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার ঠেকাতে অস্ত্রের উৎস ও সরবরাহ নেটওয়ার্ক শনাক্ত করাই এখন তদন্তের মূল লক্ষ্য।

কেরানীগঞ্জ ঢাকার আশপাশে দ্রুত বর্ধনশীল জনবসতি ও বাণিজ্যিক এলাকার একটি—এখানে অস্ত্রের উপস্থিতি মানে কেবল একটি গ্রেপ্তার নয়, বরং অপরাধচক্রের সম্ভাব্য “সাপ্লাই রুট” সক্রিয় থাকা। সাধারণত এসব অস্ত্র লেনদেন গোপনে বাসা/গুদামভিত্তিক হয় বা ছোট ছোট ডেলিভারি পয়েন্টের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। কর্তৃপক্ষ বলছে, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের নম্বর/উৎপত্তি যাচাই এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তির যোগাযোগ তালিকা, মোবাইল ডেটা ও আর্থিক লেনদেন বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য ক্রেতা–বিক্রেতা চক্র বের করার চেষ্টা চলছে।
এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি বড় উদ্বেগ হলো—অস্ত্র যদি আগে থেকেই এলাকায় ঘুরে বেড়াত, তাহলে তা দিয়ে সহিংসতা বা ডাকাতির মতো অপরাধ যে কোনো সময় ঘটতে পারত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ ধরনের অভিযান বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছে। একইসঙ্গে নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সন্দেহজনক গতিবিধি, গোপন লেনদেন বা ভাড়া বাসায় অস্বাভাবিক আনাগোনার তথ্য দ্রুত থানায়/আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জানানোর আহ্বানও গুরুত্ব পাচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















