সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন ও অন্যান্য নির্বাচন স্থগিত সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মধ্যরাতে বিক্ষোভ হয়েছে। শিক্ষার্থীরা মিছিল ও স্লোগানে ক্যাম্পাস উত্তাল করে তোলে। তাদের বক্তব্য, নির্ধারিত সময়সূচি ও প্রস্তুতির মধ্যেই নির্বাচন সামনে ছিল—এ অবস্থায় স্থগিতাদেশে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব ও ক্যাম্পাস গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এই বিক্ষোভকে ঘিরে মূল উদ্বেগ তৈরি হয়েছে জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা প্রশ্নে। রাতের বিক্ষোভে বড় সমাবেশ হলে হঠাৎ উত্তেজনা, ধাক্কাধাক্কি বা সংঘর্ষের ঝুঁকি বাড়ে—বিশেষ করে প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ ঘাটতি থাকলে পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হতে পারে। ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, বিক্ষোভকারীরা নির্বাচন ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়ে প্রশাসনের কাছ থেকে স্পষ্ট অবস্থান চেয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো—একদিকে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার নিশ্চিত করা, অন্যদিকে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং পরীক্ষা/ক্লাস/অফিস কার্যক্রম ব্যাহত না করা। পরিস্থিতি দীর্ঘ হলে আশপাশের শহরেও প্রভাব পড়তে পারে—যান চলাচল, জনজটলা এবং আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়।
এদিকে শিক্ষার্থীদের অনেকেই বলছেন, নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্ত ও তার সময়সীমা/যুক্তি সম্পর্কে পরিষ্কার বার্তা না থাকায় বিভ্রান্তি বাড়ছে। ফলে ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ হিসেবে প্রশাসন–শিক্ষার্থী সংলাপ, সময়রেখা স্পষ্ট করা এবং শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির জন্য নির্দিষ্ট স্থান/রুট ঠিক করে দেওয়া—এসব ব্যবস্থা পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে সহায়ক হতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















