ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর অংশে একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় দুই নারীসহ তিনজন ভ্যানযাত্রী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মহাসড়কের একটি ব্রিজের ঢালে বরিশালগামী কাভার্ডভ্যান ব্যাটারিচালিত ভ্যানকে চাপা দেয় বলে জানানো হয়েছে। ঘটনায় আরও আহত হন অন্তত দুজন; আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পর একজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়—এমন তথ্য বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে।
দুর্ঘটনার পরপরই ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ও আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করলে প্রায় দুই ঘণ্টা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন দীর্ঘ যানজটে আটকে পড়ে। পুলিশের পাশাপাশি হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে এবং বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।

এই দুর্ঘটনা আবারও মহাসড়কে ধীরগতির যান (ভ্যান/ইজিবাইক) ও ভারী যানবাহনের একই লেনে চলাচলের ঝুঁকি সামনে এনেছে। বিশেষ করে ব্রিজের ঢাল, বাঁক, বাসস্ট্যান্ড ও বাজারঘেঁষা অংশে অপ্রত্যাশিতভাবে ভ্যান থামা, যাত্রী ওঠানামা বা লেন বদলের কারণে দ্রুতগতির কাভার্ডভ্যান/ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষের ঝুঁকি বেড়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে স্পিড কন্ট্রোল, আলাদা লেন/সার্ভিস রোড, কার্যকর সাইনেজ এবং নিয়মিত হাইওয়ে টহল জোরদার না হলে প্রাণহানি কমবে না।
এই ঘটনার পর নিহতদের পরিচয় শনাক্ত, চালকের দায়, গাড়ির ফিটনেস ও গতি নিয়ন্ত্রণের বিষয়গুলো তদন্তে গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















