০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
নতুন বছর নতুন শুরু, নতুন চিত্রনাট্যের ইঙ্গিতে মৃণাল ঠাকুর চাকরি দারিদ্র্য দূর করার সবচেয়ে নিশ্চিত পথ, সমৃদ্ধির চাবিকাঠি ভ্যালেন্তিনো গারাভানি: রাজকীয় গ্ল্যামারের শেষ সম্রাটের বিদায় আসাদের শাসনে অপরাধ আড়াল: গণকবর, নির্যাতন আর নথি জালিয়াতির ভয়ংকর নকশা আল ধাফরা বই উৎসবে বইয়ের মহাযজ্ঞ, পরিবারকেন্দ্রিক সংস্কৃতির মিলনমেলা এ আর রহমানকে ঘিরে বিতর্কে পাশে দাঁড়ালেন নাইলা আল খাজা, ‘শব্দ নয়, প্রাপ্য সম্মান দিন’ জাতিসংঘে পাকিস্তানের সতর্কবার্তা, ইন্দাস জল চুক্তি স্থগিত হলে পানি ও খাদ্য নিরাপত্তা হুমকিতে দশ বছরের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত–ভারত গ্যাস জোট, আড়াই থেকে তিন বিলিয়ন ডলারের এলএনজি চুক্তি আল জাজিরার প্রতিবেদন:বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামী কী এবার ক্ষমতায় যাবে? অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে সম্পর্ক জোরদারে একমত বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান

চাকরি দারিদ্র্য দূর করার সবচেয়ে নিশ্চিত পথ, সমৃদ্ধির চাবিকাঠি

দারিদ্র্য মোকাবিলা এবং দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে চাকরি সৃষ্টি সবচেয়ে কার্যকর উপায়গুলোর একটি। চাকরি শুধু আয়ের উৎস নয়, এটি মানুষের মর্যাদা, আত্মবিশ্বাস ও জীবনের উদ্দেশ্য গড়ে তোলে। শক্তিশালী শ্রমবাজার গড়ে উঠলে দেশগুলো স্বনির্ভর অর্থনীতির পথে এগোতে পারে, একই সঙ্গে বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা বাড়ে এবং অস্থিরতা ও অভিবাসনের মূল কারণগুলোও কমে আসে।

চাকরির সামাজিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব
চাকরি মানুষের সম্ভাবনাকে উন্মুক্ত করে, নারীদের ক্ষমতায়ন করে এবং তরুণদের সক্রিয়ভাবে সমাজে যুক্ত রাখে। বিশেষ করে নারীদের অর্থনৈতিক সুযোগে বিনিয়োগ দারিদ্র্য কমাতে বহুগুণ প্রভাব ফেলে, কারণ নারীরা তাদের আয়ের বড় অংশ পরিবার ও সমাজে পুনঃবিনিয়োগ করেন। ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক উন্নয়নের চক্র আরও শক্তিশালী হয়।

বিশ্বব্যাংকের চাকরি-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের উন্নয়ন কৌশলের কেন্দ্রে রয়েছে চাকরি সৃষ্টি। সরকার ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি চাকরি সৃষ্টির পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে দেশগুলোকে সহায়তা করে। নীতিগত সহায়তা, কারিগরি দক্ষতা এবং টেকসই বিনিয়োগের পরিবেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়। দুই হাজার উনিশ সাল থেকে বিশ্বব্যাংকের চাকরি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সাত কোটি সত্তর লক্ষের বেশি মানুষ উপকৃত হয়েছে।

শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থানে তরুণদের যাত্রা
পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকায় শিক্ষা বিস্তারে অগ্রগতি হলেও এখনো বড় চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। সেখানে দশ বছর বয়সী শিশুদের বড় অংশ সহজ লেখা পড়ে বুঝতে পারে না এবং কোটি কোটি শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে রয়েছে। তবুও লক্ষ্যভিত্তিক শিক্ষা সংস্কার ও বিনিয়োগের মাধ্যমে এই পরিস্থিতি বদলানো সম্ভব। প্রাথমিক শিক্ষা থেকে কর্মজীবনে প্রবেশের পথ সুগম হলে তরুণ প্রজন্ম ভবিষ্যতের শ্রমবাজারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

চাকরি সৃষ্টির তিন স্তম্ভ
চাকরি বাড়াতে বিশ্বব্যাংক তিনটি মূল স্তম্ভের ওপর কাজ করছে। প্রথমত, অবকাঠামো ও মানবসম্পদে বিনিয়োগ। দ্বিতীয়ত, সুশাসন ও ব্যবসাবান্ধব নীতি জোরদার করা। তৃতীয়ত, বৃহৎ পরিসরে বেসরকারি পুঁজি সক্রিয় করা। এই তিনটি দিক একসঙ্গে এগোলে টেকসই ও মানসম্মত চাকরি সৃষ্টি সম্ভব হয়।

Jobs: The Surest Way to Fight Poverty and Unlock Prosperity

ভিত্তিমূলক অবকাঠামোতে বিনিয়োগ
চাকরি সৃষ্টির সূচনা হয় জনখাতের বিনিয়োগ থেকে। স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, পরিবহন, জ্বালানি এবং নিরাপদ পানি ও বায়ু নিশ্চিত করা হলে মানুষ ও ব্যবসা উভয়ই বিকশিত হতে পারে। বিশ্বব্যাংক উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে এসব খাতে অর্থায়ন করে এবং নিশ্চিত করে যে প্রতিটি বিনিয়োগ বাস্তব ফল বয়ে আনে। উদাহরণ হিসেবে তিউনিসিয়ায় উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থান প্রকল্প হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে প্রয়োজনভিত্তিক দক্ষতা দিয়ে কর্মবাজারের সঙ্গে যুক্ত করেছে।

সুশাসন ও নীতিগত সংস্কার
অবকাঠামোর পাশাপাশি কার্যকর সুশাসন ও পূর্বানুমেয় নিয়ন্ত্রক কাঠামো জরুরি। সহজ করব্যবস্থা, স্বচ্ছ ভূমি আইন, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা কমালে ব্যবসা পরিচালনা সহজ হয়। বিশ্বব্যাংক নীতিগত পরামর্শ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেশগুলোকে এসব সংস্কারে সহায়তা করে, যাতে বেসরকারি খাত বিনিয়োগে উৎসাহ পায় এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।

বেসরকারি পুঁজি সক্রিয়করণ
শুধু সরকারি অর্থায়নে পর্যাপ্ত চাকরি সৃষ্টি সম্ভব নয়। ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ সব ধরনের উদ্যোক্তাকে যুক্ত করে শক্তিশালী বেসরকারি খাত গড়ে তুলতে হয়। বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে উদ্যোক্তারা ঝুঁকি নিতে আগ্রহী হন। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বিভিন্ন উদ্যোগ, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক অর্থ সংস্থা ও বিনিয়োগ নিশ্চয়তা কার্যক্রম, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়তা করছে। নারীবান্ধব অর্থায়ন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রাপ্তির সুযোগ বাড়িয়ে এসব উদ্যোগ আরও বেশি চাকরি সৃষ্টি করছে।

ভবিষ্যতের পথ
অবকাঠামো, জ্বালানি, কৃষিভিত্তিক শিল্প, স্বাস্থ্যসেবা, পর্যটন ও উৎপাদন খাত স্থানীয় পর্যায়ে বড় আকারে চাকরি তৈরির সম্ভাবনা রাখে। এসব খাত অনেক ক্ষেত্রে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিবর্তনের মধ্যেও তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকে। বিশ্বব্যাংক গ্রুপ এই সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোতে বিনিয়োগ ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করছে।

উন্নয়নশীল বিশ্বই ভবিষ্যতের শ্রমিক, উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকদের আবাসস্থল। সরকারি ও বেসরকারি খাত একসঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় কাজ করলে এই বিশাল সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ নিতে পারে। চাকরি সৃষ্টি শুধু দারিদ্র্য কমায় না, এটি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টেকসই উন্নয়নের ভিত গড়ে তোলে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন বছর নতুন শুরু, নতুন চিত্রনাট্যের ইঙ্গিতে মৃণাল ঠাকুর

চাকরি দারিদ্র্য দূর করার সবচেয়ে নিশ্চিত পথ, সমৃদ্ধির চাবিকাঠি

০৪:০০:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

দারিদ্র্য মোকাবিলা এবং দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে চাকরি সৃষ্টি সবচেয়ে কার্যকর উপায়গুলোর একটি। চাকরি শুধু আয়ের উৎস নয়, এটি মানুষের মর্যাদা, আত্মবিশ্বাস ও জীবনের উদ্দেশ্য গড়ে তোলে। শক্তিশালী শ্রমবাজার গড়ে উঠলে দেশগুলো স্বনির্ভর অর্থনীতির পথে এগোতে পারে, একই সঙ্গে বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা বাড়ে এবং অস্থিরতা ও অভিবাসনের মূল কারণগুলোও কমে আসে।

চাকরির সামাজিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব
চাকরি মানুষের সম্ভাবনাকে উন্মুক্ত করে, নারীদের ক্ষমতায়ন করে এবং তরুণদের সক্রিয়ভাবে সমাজে যুক্ত রাখে। বিশেষ করে নারীদের অর্থনৈতিক সুযোগে বিনিয়োগ দারিদ্র্য কমাতে বহুগুণ প্রভাব ফেলে, কারণ নারীরা তাদের আয়ের বড় অংশ পরিবার ও সমাজে পুনঃবিনিয়োগ করেন। ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক উন্নয়নের চক্র আরও শক্তিশালী হয়।

বিশ্বব্যাংকের চাকরি-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের উন্নয়ন কৌশলের কেন্দ্রে রয়েছে চাকরি সৃষ্টি। সরকার ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি চাকরি সৃষ্টির পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে দেশগুলোকে সহায়তা করে। নীতিগত সহায়তা, কারিগরি দক্ষতা এবং টেকসই বিনিয়োগের পরিবেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়। দুই হাজার উনিশ সাল থেকে বিশ্বব্যাংকের চাকরি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সাত কোটি সত্তর লক্ষের বেশি মানুষ উপকৃত হয়েছে।

শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থানে তরুণদের যাত্রা
পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকায় শিক্ষা বিস্তারে অগ্রগতি হলেও এখনো বড় চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। সেখানে দশ বছর বয়সী শিশুদের বড় অংশ সহজ লেখা পড়ে বুঝতে পারে না এবং কোটি কোটি শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে রয়েছে। তবুও লক্ষ্যভিত্তিক শিক্ষা সংস্কার ও বিনিয়োগের মাধ্যমে এই পরিস্থিতি বদলানো সম্ভব। প্রাথমিক শিক্ষা থেকে কর্মজীবনে প্রবেশের পথ সুগম হলে তরুণ প্রজন্ম ভবিষ্যতের শ্রমবাজারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

চাকরি সৃষ্টির তিন স্তম্ভ
চাকরি বাড়াতে বিশ্বব্যাংক তিনটি মূল স্তম্ভের ওপর কাজ করছে। প্রথমত, অবকাঠামো ও মানবসম্পদে বিনিয়োগ। দ্বিতীয়ত, সুশাসন ও ব্যবসাবান্ধব নীতি জোরদার করা। তৃতীয়ত, বৃহৎ পরিসরে বেসরকারি পুঁজি সক্রিয় করা। এই তিনটি দিক একসঙ্গে এগোলে টেকসই ও মানসম্মত চাকরি সৃষ্টি সম্ভব হয়।

Jobs: The Surest Way to Fight Poverty and Unlock Prosperity

ভিত্তিমূলক অবকাঠামোতে বিনিয়োগ
চাকরি সৃষ্টির সূচনা হয় জনখাতের বিনিয়োগ থেকে। স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, পরিবহন, জ্বালানি এবং নিরাপদ পানি ও বায়ু নিশ্চিত করা হলে মানুষ ও ব্যবসা উভয়ই বিকশিত হতে পারে। বিশ্বব্যাংক উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে এসব খাতে অর্থায়ন করে এবং নিশ্চিত করে যে প্রতিটি বিনিয়োগ বাস্তব ফল বয়ে আনে। উদাহরণ হিসেবে তিউনিসিয়ায় উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থান প্রকল্প হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে প্রয়োজনভিত্তিক দক্ষতা দিয়ে কর্মবাজারের সঙ্গে যুক্ত করেছে।

সুশাসন ও নীতিগত সংস্কার
অবকাঠামোর পাশাপাশি কার্যকর সুশাসন ও পূর্বানুমেয় নিয়ন্ত্রক কাঠামো জরুরি। সহজ করব্যবস্থা, স্বচ্ছ ভূমি আইন, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা কমালে ব্যবসা পরিচালনা সহজ হয়। বিশ্বব্যাংক নীতিগত পরামর্শ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেশগুলোকে এসব সংস্কারে সহায়তা করে, যাতে বেসরকারি খাত বিনিয়োগে উৎসাহ পায় এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।

বেসরকারি পুঁজি সক্রিয়করণ
শুধু সরকারি অর্থায়নে পর্যাপ্ত চাকরি সৃষ্টি সম্ভব নয়। ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ সব ধরনের উদ্যোক্তাকে যুক্ত করে শক্তিশালী বেসরকারি খাত গড়ে তুলতে হয়। বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে উদ্যোক্তারা ঝুঁকি নিতে আগ্রহী হন। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বিভিন্ন উদ্যোগ, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক অর্থ সংস্থা ও বিনিয়োগ নিশ্চয়তা কার্যক্রম, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়তা করছে। নারীবান্ধব অর্থায়ন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রাপ্তির সুযোগ বাড়িয়ে এসব উদ্যোগ আরও বেশি চাকরি সৃষ্টি করছে।

ভবিষ্যতের পথ
অবকাঠামো, জ্বালানি, কৃষিভিত্তিক শিল্প, স্বাস্থ্যসেবা, পর্যটন ও উৎপাদন খাত স্থানীয় পর্যায়ে বড় আকারে চাকরি তৈরির সম্ভাবনা রাখে। এসব খাত অনেক ক্ষেত্রে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিবর্তনের মধ্যেও তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকে। বিশ্বব্যাংক গ্রুপ এই সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোতে বিনিয়োগ ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করছে।

উন্নয়নশীল বিশ্বই ভবিষ্যতের শ্রমিক, উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকদের আবাসস্থল। সরকারি ও বেসরকারি খাত একসঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় কাজ করলে এই বিশাল সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ নিতে পারে। চাকরি সৃষ্টি শুধু দারিদ্র্য কমায় না, এটি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টেকসই উন্নয়নের ভিত গড়ে তোলে।