আনাদোলু এজেন্সির ২১ জানুয়ারির মর্নিং ব্রিফিংয়ে দেখা যাচ্ছে—বিশ্ব রাজনীতির আলোচনায় এখন অর্থনীতি, শুল্ক, কৌশলগত ভূখণ্ড এবং যুদ্ধবিরতি একসাথে জায়গা নিচ্ছে। ব্রিফিং অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড ইস্যু ঘিরে কয়েকটি ইউরোপীয় দেশের ওপর শুল্ক চাপের কথা বলেছে; পাশাপাশি সিরিয়ায় কয়েক দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণাও এসেছে। এসব ঘটনা দেখায়—বড় শক্তিগুলো এখন কূটনীতির পাশাপাশি অর্থনৈতিক চাপ ও কৌশলগত অবস্থানকে একসাথে ব্যবহার করছে।

বিশ্ব সংবাদে প্রতিদিন অনেক কিছু ঘটে; কিন্তু ব্রিফিং ধরনের রিপোর্ট পাঠককে দ্রুত ‘বড় ছবি’ দেয়—কোন ইস্যুতে উত্তেজনা বাড়ছে, কোথায় সাময়িক শান্তি, আর কোথায় অর্থনৈতিক চাপ নতুন সংঘাত তৈরি করছে।
বাংলাদেশের জন্য কেন প্রাসঙ্গিক
বিশ্ব বাজারে শুল্ক-চাপ বা নতুন বাণিজ্য টানাপোড়েন মানে—রপ্তানি, জাহাজভাড়া, জ্বালানি দামে প্রভাব পড়া। আবার মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা বা যুদ্ধবিরতি—এ অঞ্চলে কর্মসংস্থান, রেমিট্যান্স, জ্বালানি সরবরাহের সাথে যুক্ত। তাই “দূরের খবর”ও শেষ পর্যন্ত ঘরের অর্থনীতিতে এসে লাগে।

২০২৬-এর ট্রেন্ড কী বলছে
যুদ্ধ নয়—শুল্ক, নিষেধাজ্ঞা, বাজার নিয়ন্ত্রণ—এগুলোকে কেন্দ্র করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়ছে। এই প্রবণতা থাকলে ২০২৬ জুড়ে বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা উচ্চমাত্রায় থাকতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















