০২:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
জ্বালানি নিরাপত্তার টেকসই পথ হতে পারে নবায়নযোগ্য শক্তি নিউইয়র্কে মোহন ভাগবতের অনুষ্ঠান আয়োজকদের এক্স অ্যাকাউন্ট স্থগিত ৬৪ জেলার দায়িত্ব পেলেন হুইপসহ ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ‘টুকু আসে, টুকু যায়’—সংসদে জ্বালানি সংকট ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে রুমিনের কড়া সমালোচনা কঙ্গোয় ইবোলা মহামারি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, ৩ মাসে মৃত্যু ২,৫০০ ছাড়িয়েছে ‘ইনট্রিনসিক ক্যাপাসিটি’: সুস্থভাবে বার্ধক্য মাপার নতুন বৈজ্ঞানিক সূচক নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত, কবির প্রেরণায় আন্দোলনের কথা স্মরণ কাদের গনি চৌধুরী হলেন বিএসএসের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট বাবা-ছেলের মৃত্যু গোপালগঞ্জে ইউএস ওপেনে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় আরিনা সাবালেঙ্কার

না ফেরার দেশে বাংলা সিনেমার সোনালি যুগের নায়ক ইলিয়াস জাভেদ

বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালি যুগের জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াইয়ের পর বুধবার তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তার মৃত্যুতে বাংলা সিনেমা অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোক।

মৃত্যুর খবর নিশ্চিত
বুধবার সংবাদমাধ্যমে ইলিয়াস জাভেদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই গুরুতর অসুস্থ ছিলেন এই অভিনেতা। অবশেষে তিনি সবাইকে ছেড়ে চিরবিদায় নিয়েছেন। চলচ্চিত্র অঙ্গনের সবাই তার আত্মার শান্তির জন্য দোয়া করার আহ্বান জানান তিনি।

চলচ্চিত্রে যাত্রা ও জনপ্রিয়তা
ইলিয়াস জাভেদের চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৪ সালে উর্দু ভাষার ছবি ‘নয়ি জিন্দেগি’র মাধ্যমে। নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর ১৯৬৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পায়েল’ সিনেমা তাকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা এনে দেয়। এই ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন শাবানা। এরপর একের পর এক ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নেন।

সোনালী যুগের অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

অভিনয়ের পাশাপাশি নৃত্য পরিচালক
অভিনয়ের পাশাপাশি ইলিয়াস জাভেদ ছিলেন একজন দক্ষ নৃত্য পরিচালক। তার আসল নাম ছিল রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস। নৃত্য পরিচালনার মধ্য দিয়েই চলচ্চিত্র জগতে তার প্রবেশ হলেও পরে নায়ক হিসেবে শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে ‘নিশান’ বিশেষভাবে স্মরণীয়।

ব্যক্তিগত জীবন ও জন্ম
ইলিয়াস জাভেদ ১৯৪৪ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি পরিবারসহ পাঞ্জাবে চলে আসেন। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

ইলিয়াস জাভেদের মৃত্যুতে বাংলা চলচ্চিত্র তার এক উজ্জ্বল অধ্যায় হারাল। তার অভিনয় ও অবদান দীর্ঘদিন দর্শকদের স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি নিরাপত্তার টেকসই পথ হতে পারে নবায়নযোগ্য শক্তি

না ফেরার দেশে বাংলা সিনেমার সোনালি যুগের নায়ক ইলিয়াস জাভেদ

০৭:৩৫:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালি যুগের জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াইয়ের পর বুধবার তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তার মৃত্যুতে বাংলা সিনেমা অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোক।

মৃত্যুর খবর নিশ্চিত
বুধবার সংবাদমাধ্যমে ইলিয়াস জাভেদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই গুরুতর অসুস্থ ছিলেন এই অভিনেতা। অবশেষে তিনি সবাইকে ছেড়ে চিরবিদায় নিয়েছেন। চলচ্চিত্র অঙ্গনের সবাই তার আত্মার শান্তির জন্য দোয়া করার আহ্বান জানান তিনি।

চলচ্চিত্রে যাত্রা ও জনপ্রিয়তা
ইলিয়াস জাভেদের চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৪ সালে উর্দু ভাষার ছবি ‘নয়ি জিন্দেগি’র মাধ্যমে। নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর ১৯৬৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পায়েল’ সিনেমা তাকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা এনে দেয়। এই ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন শাবানা। এরপর একের পর এক ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নেন।

সোনালী যুগের অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

অভিনয়ের পাশাপাশি নৃত্য পরিচালক
অভিনয়ের পাশাপাশি ইলিয়াস জাভেদ ছিলেন একজন দক্ষ নৃত্য পরিচালক। তার আসল নাম ছিল রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস। নৃত্য পরিচালনার মধ্য দিয়েই চলচ্চিত্র জগতে তার প্রবেশ হলেও পরে নায়ক হিসেবে শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে ‘নিশান’ বিশেষভাবে স্মরণীয়।

ব্যক্তিগত জীবন ও জন্ম
ইলিয়াস জাভেদ ১৯৪৪ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি পরিবারসহ পাঞ্জাবে চলে আসেন। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

ইলিয়াস জাভেদের মৃত্যুতে বাংলা চলচ্চিত্র তার এক উজ্জ্বল অধ্যায় হারাল। তার অভিনয় ও অবদান দীর্ঘদিন দর্শকদের স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবে।