০২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
দিল্লি চলচ্চিত্র উৎসবে ‘মিনার-ই-দিল্লি’ সম্মানে রুনা লায়লা, মঞ্চ কাঁপালেন উষা উত্থুপের সঙ্গে দ্বৈত পরিবেশনায় আরাকান আর্মির প্রধান তুয়ান ম্রাত নাইং: মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে আলোচনা, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে খোলামেলা সাক্ষাৎকার বড় পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রে আবার উৎপাদন বন্ধ  ৪৭ আসনে জয়ের ব্যবধান ছাড়িয়েছে বাদ পড়া ভোটার—বঙ্গের ফলাফলে এসআইআর নিয়ে নতুন প্রশ্ন ভারতে প্রথমবার তরুণ ভোটারদের জোয়ারে বদলের বার্তা- নতুন রাজনৈতিক সংকেত পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের কৌশল: অঞ্চলভিত্তিক পরিকল্পনা, ইস্যুভিত্তিক লড়াই হিমন্ত বিশ্ব শর্মা: উত্তর-পূর্বে বিজেপির উত্থানের মুখ, টানা তৃতীয় জয়ে আরও শক্ত অবস্থান পশ্চিমবঙ্গের ‘ঝালমুড়ি’ রাজনীতি মমতা: শেষ অধ্যায়, নাকি ফিনিক্সের মতো নতুন করে উত্থান? মেট গালার আগে ঝলমলে আভাস, নিউইয়র্কে জোয়ি ক্রাভিৎসের স্বচ্ছ পোশাক আর বাগদানের আংটি নজর কাড়ল

বিএনপিতে যোগ দিলেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাঈদ

সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাঈদ আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দিয়েছেন। বুধবার বিকেলে গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তিনি দলে যোগ দেন।

বিএনপিতে যোগদানের আনুষ্ঠানিকতা
দলের মিডিয়া সেলের সদস্য সায়রুল কবির খান জানান, বিকেলে গুলশানে এই যোগদান সম্পন্ন হয়। এর আগের দিন মঙ্গলবার অধ্যাপক আবু সাঈদ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

যোগদানের কারণ ব্যাখ্যা
অধ্যাপক আবু সাঈদ বলেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে চরমপন্থা যেভাবে বাড়ছে, তাতে একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে তিনি মনে করেন বিএনপিকেই সামনে আনা জরুরি। তার মতে, বর্তমান বাস্তবতায় বিএনপিই দেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তি। এই বিবেচনায় তিনি দলটিতে যোগ দিয়েছেন।

নির্বাচন ও রাজনৈতিক অবস্থান
তিনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-১ আসন থেকে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে দল চাইলে তিনি নির্বাচনী দৌড়ে থাকতে প্রস্তুত বলেও উল্লেখ করেন।

রাজনৈতিক জীবনের পটভূমি
অধ্যাপক আবু সাঈদ ১৯৭০ সালে তৎকালীন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় সংসদে এবং ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদে পাবনা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠিত হলে তিনি তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তবে এক-এগারোর রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি সংস্কারপন্থী রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত হন এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাননি।

পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে অংশগ্রহণ
২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও পরাজিত হন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে পাবনা-১ আসনে নির্বাচন করেও তিনি জয়ী হতে পারেননি।

জনপ্রিয় সংবাদ

দিল্লি চলচ্চিত্র উৎসবে ‘মিনার-ই-দিল্লি’ সম্মানে রুনা লায়লা, মঞ্চ কাঁপালেন উষা উত্থুপের সঙ্গে দ্বৈত পরিবেশনায়

বিএনপিতে যোগ দিলেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাঈদ

০৮:২০:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাঈদ আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দিয়েছেন। বুধবার বিকেলে গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তিনি দলে যোগ দেন।

বিএনপিতে যোগদানের আনুষ্ঠানিকতা
দলের মিডিয়া সেলের সদস্য সায়রুল কবির খান জানান, বিকেলে গুলশানে এই যোগদান সম্পন্ন হয়। এর আগের দিন মঙ্গলবার অধ্যাপক আবু সাঈদ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

যোগদানের কারণ ব্যাখ্যা
অধ্যাপক আবু সাঈদ বলেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে চরমপন্থা যেভাবে বাড়ছে, তাতে একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে তিনি মনে করেন বিএনপিকেই সামনে আনা জরুরি। তার মতে, বর্তমান বাস্তবতায় বিএনপিই দেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তি। এই বিবেচনায় তিনি দলটিতে যোগ দিয়েছেন।

নির্বাচন ও রাজনৈতিক অবস্থান
তিনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-১ আসন থেকে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে দল চাইলে তিনি নির্বাচনী দৌড়ে থাকতে প্রস্তুত বলেও উল্লেখ করেন।

রাজনৈতিক জীবনের পটভূমি
অধ্যাপক আবু সাঈদ ১৯৭০ সালে তৎকালীন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় সংসদে এবং ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদে পাবনা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠিত হলে তিনি তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তবে এক-এগারোর রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি সংস্কারপন্থী রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত হন এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাননি।

পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে অংশগ্রহণ
২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও পরাজিত হন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে পাবনা-১ আসনে নির্বাচন করেও তিনি জয়ী হতে পারেননি।