০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
ইসরায়েলে ফিলিস্তিনি নাগরিক হওয়ার ঝুঁকি পোষা প্রাণীর জন্য ভিডিও এখন বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়, স্ক্রিনে মজেছে বিড়াল-কুকুর মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: সার-সংকটের শঙ্কায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ, ক্ষুধার ঝুঁকিতে দরিদ্র দেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোয়ারে ওরাকলের বড় উত্থান, ২০২৭ সালের আগেই আয়ে নতুন রেকর্ডের ইঙ্গিত পিরিয়ড ট্যাক্সের বিরুদ্ধে তরুণ আইনজীবী মাহনূর ওমরের লড়াই, পাকিস্তানে শুরু নতুন জাতীয় বিতর্ক ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য: বিশ্বের বৃহত্তম শেয়ার বাজারে নামতে প্রস্তুত ইলন মাস্কের স্পেসএক্স ক্রিপ্টো দুনিয়ায় দ্রুত উত্থান ‘স্টেবলকয়েন’-এর, ডলার নির্ভর এই মুদ্রা ঘিরে বাড়ছে ঝুঁকি ও সম্ভাবনার বিতর্ক ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমানিয়ায় মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর অনুমোদন হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি

বিএনপিতে যোগ দিলেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাঈদ

সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাঈদ আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দিয়েছেন। বুধবার বিকেলে গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তিনি দলে যোগ দেন।

বিএনপিতে যোগদানের আনুষ্ঠানিকতা
দলের মিডিয়া সেলের সদস্য সায়রুল কবির খান জানান, বিকেলে গুলশানে এই যোগদান সম্পন্ন হয়। এর আগের দিন মঙ্গলবার অধ্যাপক আবু সাঈদ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

যোগদানের কারণ ব্যাখ্যা
অধ্যাপক আবু সাঈদ বলেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে চরমপন্থা যেভাবে বাড়ছে, তাতে একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে তিনি মনে করেন বিএনপিকেই সামনে আনা জরুরি। তার মতে, বর্তমান বাস্তবতায় বিএনপিই দেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তি। এই বিবেচনায় তিনি দলটিতে যোগ দিয়েছেন।

নির্বাচন ও রাজনৈতিক অবস্থান
তিনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-১ আসন থেকে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে দল চাইলে তিনি নির্বাচনী দৌড়ে থাকতে প্রস্তুত বলেও উল্লেখ করেন।

রাজনৈতিক জীবনের পটভূমি
অধ্যাপক আবু সাঈদ ১৯৭০ সালে তৎকালীন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় সংসদে এবং ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদে পাবনা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠিত হলে তিনি তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তবে এক-এগারোর রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি সংস্কারপন্থী রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত হন এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাননি।

পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে অংশগ্রহণ
২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও পরাজিত হন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে পাবনা-১ আসনে নির্বাচন করেও তিনি জয়ী হতে পারেননি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলে ফিলিস্তিনি নাগরিক হওয়ার ঝুঁকি

বিএনপিতে যোগ দিলেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাঈদ

০৮:২০:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাঈদ আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দিয়েছেন। বুধবার বিকেলে গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তিনি দলে যোগ দেন।

বিএনপিতে যোগদানের আনুষ্ঠানিকতা
দলের মিডিয়া সেলের সদস্য সায়রুল কবির খান জানান, বিকেলে গুলশানে এই যোগদান সম্পন্ন হয়। এর আগের দিন মঙ্গলবার অধ্যাপক আবু সাঈদ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

যোগদানের কারণ ব্যাখ্যা
অধ্যাপক আবু সাঈদ বলেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে চরমপন্থা যেভাবে বাড়ছে, তাতে একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে তিনি মনে করেন বিএনপিকেই সামনে আনা জরুরি। তার মতে, বর্তমান বাস্তবতায় বিএনপিই দেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তি। এই বিবেচনায় তিনি দলটিতে যোগ দিয়েছেন।

নির্বাচন ও রাজনৈতিক অবস্থান
তিনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-১ আসন থেকে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে দল চাইলে তিনি নির্বাচনী দৌড়ে থাকতে প্রস্তুত বলেও উল্লেখ করেন।

রাজনৈতিক জীবনের পটভূমি
অধ্যাপক আবু সাঈদ ১৯৭০ সালে তৎকালীন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় সংসদে এবং ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদে পাবনা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠিত হলে তিনি তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তবে এক-এগারোর রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি সংস্কারপন্থী রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত হন এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাননি।

পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে অংশগ্রহণ
২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও পরাজিত হন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে পাবনা-১ আসনে নির্বাচন করেও তিনি জয়ী হতে পারেননি।