০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড, রায়কে ‘প্রহসনের বিচার’ বললেন জাসদ সভাপতি বাংলাদেশে আরও ২ সন্দেহজনক হামে মৃত্যু, মোট প্রাণহানি বেড়ে ৭১৮ উইম্বলডনে কঠিন লড়াই পেরিয়ে জয়ে শুরু শিয়নতেকের, সেরেনার প্রত্যাবর্তনে দর্শকদের উচ্ছ্বাস কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চালক নিয়ে স্বয়ংচালিত গাড়ির দৌড়ে নতুন চমক, বড় প্রতিষ্ঠানগুলোকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে নতুন উদ্যোগ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় পুলিশিং বদলাতে বড় বাজি, নতুন যুগের স্বপ্ন দেখছে টেজার নির্মাতা ডিজনির নতুন প্রধানের লক্ষ্য দ্রুত সিদ্ধান্ত, ডিজিটাল রূপান্তরে জোর নিসানের ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই, হাইব্রিড ও নতুন মডেলেই বাজি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৌড়ে নতুন লড়াই: মহাকাশ নয়, পৃথিবীতেই বড় বাজি সফটব্যাংকের ইইউর নজরে ক্লাউড বাজার, অ্যামাজন ও মাইক্রোসফটের ওপর বাড়তে পারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ চিপ নির্মাতাদের দাপটে বদলে যাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অর্থনীতি, বাড়ছে ব্যয়

বিএনপিতে যোগ দিলেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাঈদ

সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাঈদ আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দিয়েছেন। বুধবার বিকেলে গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তিনি দলে যোগ দেন।

বিএনপিতে যোগদানের আনুষ্ঠানিকতা
দলের মিডিয়া সেলের সদস্য সায়রুল কবির খান জানান, বিকেলে গুলশানে এই যোগদান সম্পন্ন হয়। এর আগের দিন মঙ্গলবার অধ্যাপক আবু সাঈদ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

যোগদানের কারণ ব্যাখ্যা
অধ্যাপক আবু সাঈদ বলেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে চরমপন্থা যেভাবে বাড়ছে, তাতে একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে তিনি মনে করেন বিএনপিকেই সামনে আনা জরুরি। তার মতে, বর্তমান বাস্তবতায় বিএনপিই দেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তি। এই বিবেচনায় তিনি দলটিতে যোগ দিয়েছেন।

নির্বাচন ও রাজনৈতিক অবস্থান
তিনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-১ আসন থেকে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে দল চাইলে তিনি নির্বাচনী দৌড়ে থাকতে প্রস্তুত বলেও উল্লেখ করেন।

রাজনৈতিক জীবনের পটভূমি
অধ্যাপক আবু সাঈদ ১৯৭০ সালে তৎকালীন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় সংসদে এবং ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদে পাবনা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠিত হলে তিনি তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তবে এক-এগারোর রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি সংস্কারপন্থী রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত হন এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাননি।

পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে অংশগ্রহণ
২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও পরাজিত হন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে পাবনা-১ আসনে নির্বাচন করেও তিনি জয়ী হতে পারেননি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড, রায়কে ‘প্রহসনের বিচার’ বললেন জাসদ সভাপতি

বিএনপিতে যোগ দিলেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাঈদ

০৮:২০:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাঈদ আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দিয়েছেন। বুধবার বিকেলে গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তিনি দলে যোগ দেন।

বিএনপিতে যোগদানের আনুষ্ঠানিকতা
দলের মিডিয়া সেলের সদস্য সায়রুল কবির খান জানান, বিকেলে গুলশানে এই যোগদান সম্পন্ন হয়। এর আগের দিন মঙ্গলবার অধ্যাপক আবু সাঈদ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

যোগদানের কারণ ব্যাখ্যা
অধ্যাপক আবু সাঈদ বলেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে চরমপন্থা যেভাবে বাড়ছে, তাতে একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে তিনি মনে করেন বিএনপিকেই সামনে আনা জরুরি। তার মতে, বর্তমান বাস্তবতায় বিএনপিই দেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তি। এই বিবেচনায় তিনি দলটিতে যোগ দিয়েছেন।

নির্বাচন ও রাজনৈতিক অবস্থান
তিনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-১ আসন থেকে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে দল চাইলে তিনি নির্বাচনী দৌড়ে থাকতে প্রস্তুত বলেও উল্লেখ করেন।

রাজনৈতিক জীবনের পটভূমি
অধ্যাপক আবু সাঈদ ১৯৭০ সালে তৎকালীন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় সংসদে এবং ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদে পাবনা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠিত হলে তিনি তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তবে এক-এগারোর রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি সংস্কারপন্থী রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত হন এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাননি।

পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে অংশগ্রহণ
২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও পরাজিত হন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে পাবনা-১ আসনে নির্বাচন করেও তিনি জয়ী হতে পারেননি।