০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
স্বাস্থ্যকর খাদ্য কেন এখনও নাগালের বাইরে? যুক্তরাষ্ট্রে আফগান অভিবাসীদের তথ্য সংগ্রহ ঘিরে নতুন উদ্বেগ, জোরালো হচ্ছে বিতর্ক যুক্তরাষ্ট্রে কমছে সহিংস অপরাধ, স্বস্তি ফিরছে শহরগুলোতে সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদ ও সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রে সুপারমার্কেটের সামনে গাড়িচাপায় ৮২ বছরের নারী নিহত, বিচারের দাবিতে পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, দেশে প্রাণহানি বেড়ে ৪৩ সিলেটে গাছ থেকে তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে তদন্ত মুম্বাইয়ের গল্পে গুলজারের ৭৬ বছর: যে শহর এক কিশোর অভিবাসীকে কবি বানিয়েছে পাঁচ বইয়ে পাঁচ ভুবনের যাত্রা, ইতিহাস থেকে ভবিষ্যৎ—পাঠকের জন্য নতুন পাঁচ ঠিকানা সৌদি আরবকে পরমাণু জ্বালানি সমৃদ্ধকরণে ছাড়, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রশ্ন—‘আমাদের নয় কেন?’

নির্বাচনী মাঠে বিএনপির ২৮৮ ও জামায়াতের ২২৪ প্রার্থী, ভোটের লড়াইয়ে রেকর্ড সংখ্যক প্রতিদ্বন্দ্বী

জাতীয় সংসদের আসন্ন নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। দলটির মোট প্রার্থী সংখ্যা ২৮৮। জামায়াতে ইসলামী এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ২২৪ জন প্রার্থী নিয়ে। নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সারা দেশের ৩০০টি আসনে এবার জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে বিপুল সংখ্যক প্রার্থী।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাতে প্রকাশিত হালনাগাদ পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মোট ১ হাজার ৭৩২ জন প্রার্থী ৫১টি রাজনৈতিক দলের হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এর বাইরে ২৪৯ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। সব মিলিয়ে দেশের ৩০০টি আসনে নির্বাচন ঘিরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তুঙ্গে।

আসনভিত্তিক প্রার্থী সংখ্যা ও ব্যতিক্রম
বর্তমানে ২৯৮টি আসনে মোট প্রার্থী সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৭২ জনে। পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে নয়জন প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই দুই আসনের প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা যুক্ত হলে মোট সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আদালতের নির্দেশে নতুন করে কেউ প্রতিযোগিতায় সুযোগ পেলে সংখ্যায় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনাও রয়েছে।

বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে বিবাদ বাড়ছে যেসব ইস্যুতে - BBC News বাংলা

অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ
বিএনপি ও জামায়াত ছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে ২৫৩ জন, জাতীয় পার্টি থেকে ১৯২ জন, গণ অধিকার পরিষদ থেকে ৯০ জন, কমিউনিস্ট পার্টি অব বাংলাদেশ থেকে ৬৫ জন, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে ৪২ জন, বাসদ থেকে ৩৯ জন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ থেকে ৩৪ জন এবং ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি থেকে ৩২ জন প্রার্থী নির্বাচনে লড়ছেন।

আউটসাইড - ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপি ২৮৮  আসনে জামায়াত ২২৪ আসনে এনসিপি ৩২ আসনে ইসলামী আন্দোলন ...

আওয়ামী লীগ ও অনুপস্থিত দলগুলো
এবার নির্বাচনী মাঠে নেই আওয়ামী লীগ। অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তে দলটির কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা থাকায় নিবন্ধন স্থগিত রয়েছে। পাশাপাশি আরও আটটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলও নির্বাচনে অংশ নেয়নি। এসব দলের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, তৃণমূল বিএনপি, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল, ন্যাপ ও বিএনএম।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ - উইকিপিডিয়া

আসনভিত্তিক প্রতিযোগিতার চিত্র
ঢাকা-১২ আসনে সবচেয়ে বেশি, মোট ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর বিপরীতে পিরোজপুর-১ আসনে মাত্র দুইজন প্রার্থী রয়েছেন, একজন বিএনপি ও অন্যজন জামায়াতে ইসলামীর। এছাড়া ১৪টি আসনে তিনজন করে প্রার্থী প্রতিযোগিতায় আছেন। ৩২টি সংসদীয় আসনে অন্তত ১০ জন বা তার বেশি প্রার্থী লড়ছেন। ঢাকা-১২ এর পর নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১৩ জন এবং খুলনা-১, ঢাকা-৯, ঢাকা-১৪ ও গাজীপুর-২ আসনে ১২ জন করে প্রার্থী রয়েছেন।

মনোনয়ন যাচাই ও প্রত্যাহারের হিসাব
নির্বাচনে অংশ নিতে ডিসেম্বরের শেষ সময়সীমার মধ্যে মোট ২ হাজার ৫৮০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে ১ হাজার ৮৫৫টি মনোনয়ন বৈধ ও ৭২৫টি বাতিল ঘোষণা করা হয়। আপিলের মাধ্যমে ৪৩৬ জন প্রার্থী পুনরায় বৈধতা ফিরে পেলেও পাঁচজন বৈধ প্রার্থী প্রার্থিতা হারান। শেষ পর্যন্ত জানুয়ারির নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৩০৫ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।

তিন দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ প্রার্থী
সব প্রক্রিয়া শেষে ২৯৮টি আসনে চূড়ান্তভাবে ১ হাজার ৯৭২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। পাবনা-১ ও ২ আসনের প্রার্থীরা এতে যুক্ত হলে সংখ্যা আরও বাড়বে। আওয়ামী লীগ নির্বাচনের বাইরে থাকলেও এবং কয়েকটি দল অংশ না নিলেও, ১৯৯৬ সালের পর এবারই সবচেয়ে বেশি প্রার্থী নির্বাচনে লড়ছেন।

মনোনয়ন জমায় এগিয়ে বিএনপি, দ্বিতীয় জামায়াত, নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না যে  ৮ দল

আগের নির্বাচনের তুলনা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন ১ হাজার ৮৯৬ জন এবং অংশ নেয় ২৮টি দল। একাদশ নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন ১ হাজার ৮৬১ জন ও দল ছিল ৩৯টি। দশম সংসদ নির্বাচনে মাত্র ৩৯০ জন প্রার্থী ১৪৭টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, বাকি আসনগুলো ছিল বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায়। নবম, অষ্টম ও সপ্তম সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীর সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১ হাজার ৫৬৭, ১ হাজার ৯৩৯ এবং ২ হাজার ৫৭৪ জন।

নির্বাচনের সময়সূচি
নির্বাচন কমিশন গত ডিসেম্বর মাসে ঘোষণা করেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একযোগে অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত গণভোট।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যকর খাদ্য কেন এখনও নাগালের বাইরে?

নির্বাচনী মাঠে বিএনপির ২৮৮ ও জামায়াতের ২২৪ প্রার্থী, ভোটের লড়াইয়ে রেকর্ড সংখ্যক প্রতিদ্বন্দ্বী

১১:৫৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয় সংসদের আসন্ন নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। দলটির মোট প্রার্থী সংখ্যা ২৮৮। জামায়াতে ইসলামী এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ২২৪ জন প্রার্থী নিয়ে। নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সারা দেশের ৩০০টি আসনে এবার জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে বিপুল সংখ্যক প্রার্থী।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাতে প্রকাশিত হালনাগাদ পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মোট ১ হাজার ৭৩২ জন প্রার্থী ৫১টি রাজনৈতিক দলের হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এর বাইরে ২৪৯ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। সব মিলিয়ে দেশের ৩০০টি আসনে নির্বাচন ঘিরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তুঙ্গে।

আসনভিত্তিক প্রার্থী সংখ্যা ও ব্যতিক্রম
বর্তমানে ২৯৮টি আসনে মোট প্রার্থী সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৭২ জনে। পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে নয়জন প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই দুই আসনের প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা যুক্ত হলে মোট সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আদালতের নির্দেশে নতুন করে কেউ প্রতিযোগিতায় সুযোগ পেলে সংখ্যায় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনাও রয়েছে।

বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে বিবাদ বাড়ছে যেসব ইস্যুতে - BBC News বাংলা

অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ
বিএনপি ও জামায়াত ছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে ২৫৩ জন, জাতীয় পার্টি থেকে ১৯২ জন, গণ অধিকার পরিষদ থেকে ৯০ জন, কমিউনিস্ট পার্টি অব বাংলাদেশ থেকে ৬৫ জন, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে ৪২ জন, বাসদ থেকে ৩৯ জন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ থেকে ৩৪ জন এবং ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি থেকে ৩২ জন প্রার্থী নির্বাচনে লড়ছেন।

আউটসাইড - ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপি ২৮৮  আসনে জামায়াত ২২৪ আসনে এনসিপি ৩২ আসনে ইসলামী আন্দোলন ...

আওয়ামী লীগ ও অনুপস্থিত দলগুলো
এবার নির্বাচনী মাঠে নেই আওয়ামী লীগ। অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তে দলটির কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা থাকায় নিবন্ধন স্থগিত রয়েছে। পাশাপাশি আরও আটটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলও নির্বাচনে অংশ নেয়নি। এসব দলের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, তৃণমূল বিএনপি, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল, ন্যাপ ও বিএনএম।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ - উইকিপিডিয়া

আসনভিত্তিক প্রতিযোগিতার চিত্র
ঢাকা-১২ আসনে সবচেয়ে বেশি, মোট ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর বিপরীতে পিরোজপুর-১ আসনে মাত্র দুইজন প্রার্থী রয়েছেন, একজন বিএনপি ও অন্যজন জামায়াতে ইসলামীর। এছাড়া ১৪টি আসনে তিনজন করে প্রার্থী প্রতিযোগিতায় আছেন। ৩২টি সংসদীয় আসনে অন্তত ১০ জন বা তার বেশি প্রার্থী লড়ছেন। ঢাকা-১২ এর পর নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১৩ জন এবং খুলনা-১, ঢাকা-৯, ঢাকা-১৪ ও গাজীপুর-২ আসনে ১২ জন করে প্রার্থী রয়েছেন।

মনোনয়ন যাচাই ও প্রত্যাহারের হিসাব
নির্বাচনে অংশ নিতে ডিসেম্বরের শেষ সময়সীমার মধ্যে মোট ২ হাজার ৫৮০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে ১ হাজার ৮৫৫টি মনোনয়ন বৈধ ও ৭২৫টি বাতিল ঘোষণা করা হয়। আপিলের মাধ্যমে ৪৩৬ জন প্রার্থী পুনরায় বৈধতা ফিরে পেলেও পাঁচজন বৈধ প্রার্থী প্রার্থিতা হারান। শেষ পর্যন্ত জানুয়ারির নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৩০৫ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।

তিন দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ প্রার্থী
সব প্রক্রিয়া শেষে ২৯৮টি আসনে চূড়ান্তভাবে ১ হাজার ৯৭২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। পাবনা-১ ও ২ আসনের প্রার্থীরা এতে যুক্ত হলে সংখ্যা আরও বাড়বে। আওয়ামী লীগ নির্বাচনের বাইরে থাকলেও এবং কয়েকটি দল অংশ না নিলেও, ১৯৯৬ সালের পর এবারই সবচেয়ে বেশি প্রার্থী নির্বাচনে লড়ছেন।

মনোনয়ন জমায় এগিয়ে বিএনপি, দ্বিতীয় জামায়াত, নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না যে  ৮ দল

আগের নির্বাচনের তুলনা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন ১ হাজার ৮৯৬ জন এবং অংশ নেয় ২৮টি দল। একাদশ নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন ১ হাজার ৮৬১ জন ও দল ছিল ৩৯টি। দশম সংসদ নির্বাচনে মাত্র ৩৯০ জন প্রার্থী ১৪৭টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, বাকি আসনগুলো ছিল বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায়। নবম, অষ্টম ও সপ্তম সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীর সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১ হাজার ৫৬৭, ১ হাজার ৯৩৯ এবং ২ হাজার ৫৭৪ জন।

নির্বাচনের সময়সূচি
নির্বাচন কমিশন গত ডিসেম্বর মাসে ঘোষণা করেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একযোগে অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত গণভোট।