০৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে সোনারপুরে হামলা, গ্রেপ্তার ৫: ধৃতদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে শুরু বিতর্ক সংকটের অপেক্ষা না সংস্কারের সাহস: ব্রিটেনের সামনে কঠিন প্রশ্ন দিনাজপুরে ঈদের আনন্দযাত্রা থামল সড়কে, প্রাণ গেল দুই কলেজপড়ুয়া বন্ধুর মেরিলিন মনরোর মৃত্যুর রহস্যে নতুন দাবি, চিকিৎসকের ভুলেই কি ঘটেছিল ট্র্যাজেডি? প্যারিসে উল্লাস থেকে সহিংসতা, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের রাতে আটক চার শতাধিক জাপান-যুক্তরাষ্ট্র-ফিলিপাইনের নতুন উদ্যোগ, লুজনে গড়ে উঠছে এআই ও চিপ শিল্পের আঞ্চলিক কেন্দ্র আলুর পাহাড়ে বিপদে বেলজিয়াম, কোটি কোটি ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের কাঁচামাল ফেলতে বাধ্য কৃষক ভাষার নতুন সাম্রাজ্য: কেন ‘মগিং’ শুধু একটি শব্দ নয় ভারতের কফি বিপ্লব: বিশেষায়িত কফির উত্থানে বদলে যাচ্ছে চাষিদের ভবিষ্যৎ ট্রাম্প কি মধ্যবর্তী নির্বাচন জিততে চান, নাকি রিপাবলিকান পার্টির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণই তাঁর আসল লক্ষ্য?

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন নাকচ

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীর শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামিন আবেদনের পক্ষে যুক্তি
গতকাল আসামিপক্ষ আদালতে জামিনের আবেদন করে। শুনানিতে বলা হয়, আনিস আলমগীর সম্পূর্ণ নির্দোষ ও নিরাপরাধ। তিনি আইন মান্যকারী ব্যক্তি এবং বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক। মামলার অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করা হয়। আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্দেশ্যমূলক ষড়যন্ত্র ও হয়রানির অংশ হিসেবেই তাঁকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে।

শুনানিতে আরও বলা হয়, এজাহারে তাঁর নাম থাকলেও তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ উত্থাপন করা হয়নি। তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী বা সদস্য নন। পেশাগত পরিচয়ে তিনি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক। এজাহারে উল্লিখিত ধারাগুলোর কোনোটিই তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বলে দাবি করে তাঁকে জামিন দেওয়ার আবেদন জানানো হয়।

ভোরের আলো

আদালতের সিদ্ধান্ত
সব পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

মামলার পটভূমি
এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর জুলাই রেভুল্যুশনারি এলায়েন্সের সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন। ওই মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের পাশাপাশি মেহের আফরোজ শাওনকেও আসামি করা হয়।

পরবর্তীতে ১৫ ডিসেম্বর আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে গত ২০ ডিসেম্বর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। সেই সময় থেকেই তিনি কারাবন্দি রয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে সোনারপুরে হামলা, গ্রেপ্তার ৫: ধৃতদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে শুরু বিতর্ক

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন নাকচ

০৫:১৪:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীর শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামিন আবেদনের পক্ষে যুক্তি
গতকাল আসামিপক্ষ আদালতে জামিনের আবেদন করে। শুনানিতে বলা হয়, আনিস আলমগীর সম্পূর্ণ নির্দোষ ও নিরাপরাধ। তিনি আইন মান্যকারী ব্যক্তি এবং বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক। মামলার অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করা হয়। আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্দেশ্যমূলক ষড়যন্ত্র ও হয়রানির অংশ হিসেবেই তাঁকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে।

শুনানিতে আরও বলা হয়, এজাহারে তাঁর নাম থাকলেও তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ উত্থাপন করা হয়নি। তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী বা সদস্য নন। পেশাগত পরিচয়ে তিনি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক। এজাহারে উল্লিখিত ধারাগুলোর কোনোটিই তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বলে দাবি করে তাঁকে জামিন দেওয়ার আবেদন জানানো হয়।

ভোরের আলো

আদালতের সিদ্ধান্ত
সব পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

মামলার পটভূমি
এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর জুলাই রেভুল্যুশনারি এলায়েন্সের সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন। ওই মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের পাশাপাশি মেহের আফরোজ শাওনকেও আসামি করা হয়।

পরবর্তীতে ১৫ ডিসেম্বর আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে গত ২০ ডিসেম্বর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। সেই সময় থেকেই তিনি কারাবন্দি রয়েছেন।