০৭:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
মৌনি রায়ের পুরোনো দিন ফিরে দেখা, দুই হাজার সাতের অডিশনের অদেখা ভিডিওতে আবেগঘন স্মৃতি নেতাজির পরাক্রম আজও জীবন্ত, আলোকিত করে জাতির পথচলা ১৬ বছরের নিচে সামাজিক মাধ্যম বন্ধে অন্ধ্রের ভাবনা, মন্ত্রিসভার বিশেষ কমিটি গঠন সাংবাদিকদের প্রশ্নে নীরব বিসিসিআই সভাপতি, বাংলাদেশ ইস্যুতে স্পষ্ট অবস্থান নেই ভারতের শিশু নির্যাতনের অভিযোগে শারমিন একাডেমির প্রশাসনিক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার বিশ্ব অস্থিরতার যুগে ভারত-ইইউ ঘনিষ্ঠতা বিশ্ব অর্থনীতিকে স্থিতি দিতে পারে: জয়শঙ্কর ডলারের বিপরীতে নতুন তলানিতে রুপি, বাজারে বাড়ছে অনিশ্চয়তা ইরানকে অর্ধশতক ধরে পিছিয়ে রেখেছে এই মোহ ট্রাম্পের আর্কটিক নাটক ও বৈশ্বিক বাজারে শীতল হাওয়া কোটা প্রশ্নে অনড়তা, নীতিমালার সংঘাত আর অব্যাহতি—আফসানা বেগমের অভিযোগে গ্রন্থকেন্দ্রের ভেতরের গল্প

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন নাকচ

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীর শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামিন আবেদনের পক্ষে যুক্তি
গতকাল আসামিপক্ষ আদালতে জামিনের আবেদন করে। শুনানিতে বলা হয়, আনিস আলমগীর সম্পূর্ণ নির্দোষ ও নিরাপরাধ। তিনি আইন মান্যকারী ব্যক্তি এবং বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক। মামলার অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করা হয়। আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্দেশ্যমূলক ষড়যন্ত্র ও হয়রানির অংশ হিসেবেই তাঁকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে।

শুনানিতে আরও বলা হয়, এজাহারে তাঁর নাম থাকলেও তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ উত্থাপন করা হয়নি। তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী বা সদস্য নন। পেশাগত পরিচয়ে তিনি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক। এজাহারে উল্লিখিত ধারাগুলোর কোনোটিই তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বলে দাবি করে তাঁকে জামিন দেওয়ার আবেদন জানানো হয়।

ভোরের আলো

আদালতের সিদ্ধান্ত
সব পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

মামলার পটভূমি
এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর জুলাই রেভুল্যুশনারি এলায়েন্সের সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন। ওই মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের পাশাপাশি মেহের আফরোজ শাওনকেও আসামি করা হয়।

পরবর্তীতে ১৫ ডিসেম্বর আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে গত ২০ ডিসেম্বর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। সেই সময় থেকেই তিনি কারাবন্দি রয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মৌনি রায়ের পুরোনো দিন ফিরে দেখা, দুই হাজার সাতের অডিশনের অদেখা ভিডিওতে আবেগঘন স্মৃতি

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন নাকচ

০৫:১৪:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীর শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামিন আবেদনের পক্ষে যুক্তি
গতকাল আসামিপক্ষ আদালতে জামিনের আবেদন করে। শুনানিতে বলা হয়, আনিস আলমগীর সম্পূর্ণ নির্দোষ ও নিরাপরাধ। তিনি আইন মান্যকারী ব্যক্তি এবং বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক। মামলার অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করা হয়। আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্দেশ্যমূলক ষড়যন্ত্র ও হয়রানির অংশ হিসেবেই তাঁকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে।

শুনানিতে আরও বলা হয়, এজাহারে তাঁর নাম থাকলেও তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ উত্থাপন করা হয়নি। তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী বা সদস্য নন। পেশাগত পরিচয়ে তিনি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক। এজাহারে উল্লিখিত ধারাগুলোর কোনোটিই তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বলে দাবি করে তাঁকে জামিন দেওয়ার আবেদন জানানো হয়।

ভোরের আলো

আদালতের সিদ্ধান্ত
সব পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

মামলার পটভূমি
এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর জুলাই রেভুল্যুশনারি এলায়েন্সের সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন। ওই মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের পাশাপাশি মেহের আফরোজ শাওনকেও আসামি করা হয়।

পরবর্তীতে ১৫ ডিসেম্বর আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে গত ২০ ডিসেম্বর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। সেই সময় থেকেই তিনি কারাবন্দি রয়েছেন।