০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
স্বাস্থ্যকর খাদ্য কেন এখনও নাগালের বাইরে? যুক্তরাষ্ট্রে আফগান অভিবাসীদের তথ্য সংগ্রহ ঘিরে নতুন উদ্বেগ, জোরালো হচ্ছে বিতর্ক যুক্তরাষ্ট্রে কমছে সহিংস অপরাধ, স্বস্তি ফিরছে শহরগুলোতে সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদ ও সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রে সুপারমার্কেটের সামনে গাড়িচাপায় ৮২ বছরের নারী নিহত, বিচারের দাবিতে পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, দেশে প্রাণহানি বেড়ে ৪৩ সিলেটে গাছ থেকে তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে তদন্ত মুম্বাইয়ের গল্পে গুলজারের ৭৬ বছর: যে শহর এক কিশোর অভিবাসীকে কবি বানিয়েছে পাঁচ বইয়ে পাঁচ ভুবনের যাত্রা, ইতিহাস থেকে ভবিষ্যৎ—পাঠকের জন্য নতুন পাঁচ ঠিকানা সৌদি আরবকে পরমাণু জ্বালানি সমৃদ্ধকরণে ছাড়, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রশ্ন—‘আমাদের নয় কেন?’

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন নাকচ

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীর শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামিন আবেদনের পক্ষে যুক্তি
গতকাল আসামিপক্ষ আদালতে জামিনের আবেদন করে। শুনানিতে বলা হয়, আনিস আলমগীর সম্পূর্ণ নির্দোষ ও নিরাপরাধ। তিনি আইন মান্যকারী ব্যক্তি এবং বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক। মামলার অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করা হয়। আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্দেশ্যমূলক ষড়যন্ত্র ও হয়রানির অংশ হিসেবেই তাঁকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে।

শুনানিতে আরও বলা হয়, এজাহারে তাঁর নাম থাকলেও তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ উত্থাপন করা হয়নি। তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী বা সদস্য নন। পেশাগত পরিচয়ে তিনি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক। এজাহারে উল্লিখিত ধারাগুলোর কোনোটিই তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বলে দাবি করে তাঁকে জামিন দেওয়ার আবেদন জানানো হয়।

ভোরের আলো

আদালতের সিদ্ধান্ত
সব পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

মামলার পটভূমি
এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর জুলাই রেভুল্যুশনারি এলায়েন্সের সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন। ওই মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের পাশাপাশি মেহের আফরোজ শাওনকেও আসামি করা হয়।

পরবর্তীতে ১৫ ডিসেম্বর আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে গত ২০ ডিসেম্বর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। সেই সময় থেকেই তিনি কারাবন্দি রয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যকর খাদ্য কেন এখনও নাগালের বাইরে?

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন নাকচ

০৫:১৪:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীর শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামিন আবেদনের পক্ষে যুক্তি
গতকাল আসামিপক্ষ আদালতে জামিনের আবেদন করে। শুনানিতে বলা হয়, আনিস আলমগীর সম্পূর্ণ নির্দোষ ও নিরাপরাধ। তিনি আইন মান্যকারী ব্যক্তি এবং বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক। মামলার অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করা হয়। আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্দেশ্যমূলক ষড়যন্ত্র ও হয়রানির অংশ হিসেবেই তাঁকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে।

শুনানিতে আরও বলা হয়, এজাহারে তাঁর নাম থাকলেও তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ উত্থাপন করা হয়নি। তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী বা সদস্য নন। পেশাগত পরিচয়ে তিনি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক। এজাহারে উল্লিখিত ধারাগুলোর কোনোটিই তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বলে দাবি করে তাঁকে জামিন দেওয়ার আবেদন জানানো হয়।

ভোরের আলো

আদালতের সিদ্ধান্ত
সব পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

মামলার পটভূমি
এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর জুলাই রেভুল্যুশনারি এলায়েন্সের সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন। ওই মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের পাশাপাশি মেহের আফরোজ শাওনকেও আসামি করা হয়।

পরবর্তীতে ১৫ ডিসেম্বর আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে গত ২০ ডিসেম্বর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। সেই সময় থেকেই তিনি কারাবন্দি রয়েছেন।