লাহোরে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে নতুন জীবন শুরু করলেন জুনায়েদ সাফদার ও শানজেহ আলি রোহাইল। পাকিস্তানের রাজনীতির দুই প্রভাবশালী পরিবারের এই বিয়ে ঘিরে সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজের কন্যা মাহনূর সাফদারের ভূমিকা।
দুই পরিবারের বন্ধন
জুনায়েদ সাফদার পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজের পুত্র এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের নাতি। অন্যদিকে শানজেহ আলি রোহাইল পাকিস্তান মুসলিম লীগ এন-এর জ্যেষ্ঠ নেতা শেখ রোহাইল আসগরের নাতনি। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকা এই দুই পরিবারের বন্ধন এবার পারিবারিক সম্পর্কে রূপ নিল।
মাহনূর সাফদারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে শেখ রোহাইল আসগর জানান, এই বিয়ের পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেছেন মরিয়ম নওয়াজের কনিষ্ঠ কন্যা মাহনূর সাফদার। মাহনূর ও শানজেহ দীর্ঘদিনের সহপাঠী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। সেই বন্ধুত্ব থেকেই দুই পরিবারের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্কের সূত্রপাত হয়। মাহনূরের ভূমিকা শুধু পরিচয় করিয়ে দেওয়াতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি শানজেহর বড় ভাইয়ের বিয়েতেও উপস্থিত ছিলেন, যা দুই পরিবারের পারস্পরিক আস্থাকে আরও দৃঢ় করে।
আগেই ইঙ্গিত মিলেছিল
পাকিস্তানের গণমাধ্যমে আগেই এই বিয়ের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। প্রায় এক মাস আগে শেখ রোহাইল আসগর প্রকাশ্যে জানান, তার নাতনির বিয়ে নওয়াজ শরিফের নাতির সঙ্গে ঠিক হয়েছে। সেই ঘোষণার পর থেকেই জনমনে কৌতূহল তৈরি হয়। লাহোরের এই বিয়ের মাধ্যমে সেই জল্পনার অবসান হলো।
জুনায়েদ সাফদারের ব্যক্তিগত অধ্যায়
এটি জুনায়েদ সাফদারের দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে আয়েশা সাইফুর রহমানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। প্রথম বিয়ের দুই বছর পর ২০২৩ সালে তিনি বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং এরপর অনেকটাই জনসম্মুখ থেকে দূরে ছিলেন। পড়াশোনায় কৃতিত্বপূর্ণ জুনায়েদ আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং রাজনীতি বিষয়ে প্রথম শ্রেণির সম্মানসহ স্নাতক সম্পন্ন করেছেন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















