১০:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
কলকাতাজুড়ে মিশ্র জনমত, গণনার দিনে এগিয়ে বিজেপি—তবু এলাকায় এলাকায় ভিন্ন চিত্র ইরানের হুশিয়ারি, হরমুজ প্রণালীতে কোন বিদেশী বাহিনী এলেই হামলা চালানো হবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে উৎপাদনে ধস, এপ্রিলেই সংকোচনে শিল্পখাত আল কাদসিয়ার ধাক্কায় থামল আল নাসরের জয়ের ধারা, শিরোপা দৌড়ে অনিশ্চয়তা রোনালদোর দুঃসাহসিক অভিযাত্রীদের জন্য এক দ্বীপ: সেন্ট হেলেনা আবিষ্কার পাঁচ রাজ্যের ভোটে নাটকীয় পালাবদল: বাংলায় বিজেপির ঝড়, তামিলনাড়ুতে বিজয়ের চমক, কেরালায় কংগ্রেসের প্রত্যাবর্তন টোকিওর লক্ষ্য: এআইকে কাজে লাগিয়ে স্টার্টআপ শক্তিতে বিশ্বনেতা হওয়ার দৌড় ১০০ কেন্দ্রে ভোট গণনা বন্ধের অভিযোগ, কর্মীদের কেন্দ্রে থাকার আহ্বান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসছে মূল্যস্ফীতির নতুন ঢেউ গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদের অবস্থান কর্মসূচী: পেনশন পুনঃস্থাপনসহ ভাতার দাবিতে ঢাকায় সমাবেশ

শারজাহর অগ্রযাত্রার পাঁচ দশক: শেখ সুলতান বিন মোহাম্মদ আল কাসিমির নেতৃত্বে উন্নয়ন ও মানবকল্যাণের গল্প

শারজাহ আমিরাতের শাসনভার গ্রহণের পর থেকেই টানা উন্নয়ন, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মানবকল্যাণকে কেন্দ্র করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত গড়ে তুলেছেন শাসক শেখ সুলতান বিন মোহাম্মদ আল কাসিমি। দীর্ঘ পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে তাঁর নেতৃত্বে শারজাহ পরিণত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রগতিশীল ও মানবিক আমিরাতে।

শাসনের শুরু ও উন্নয়নের দর্শন

উনিশশো বাহাত্তর সালের পঁচিশ জানুয়ারি মাত্র বত্রিশ বছর বয়সে শারজাহর শাসনভার নেন শেখ সুলতান। দায়িত্ব গ্রহণের শুরু থেকেই তিনি মানুষের জীবনমান উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে ধারাবাহিক বিনিয়োগ শারজাহকে স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ আমিরাতে রূপ দেয়।

Seven highlights from the life of Sheikh Dr Sultan, Ruler of Sharjah | The  National

মানবকল্যাণে অগ্রাধিকার

তাঁর শাসনামলে প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ও শয্যাশায়ী মানুষের কল্যাণে বিশেষ সহায়তা কার্যক্রম চালু হয়। পরিবারগুলোর সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা জোরদার করতে নেওয়া হয় নানামুখী উদ্যোগ, যাতে নাগরিকরা স্বাবলম্বীভাবে জীবন পরিচালনা করতে পারেন।

শৈশব, শিক্ষা ও আত্মপরিচয়ের বিকাশ

উনিশশো ঊনচল্লিশ সালের দুই জুলাই জন্ম নেওয়া শেখ সুলতান শৈশব থেকেই দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ গড়ে তোলেন। কোরআন শিক্ষার পাশাপাশি নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় তিনি নিজেকে গড়ে তোলেন। শারজাহ, কুয়েত ও মিসরে পড়াশোনা শেষে তিনি কৃষি বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তী সময়ে ইতিহাস ও উপসাগরীয় রাজনৈতিক ভূগোল বিষয়ে দুটি পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন, যা তাঁর শাসনদর্শনে গবেষণাভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি যুক্ত করে।

শিক্ষা ও প্রশাসনে কর্মজীবন

শাসক হওয়ার আগে শিক্ষকতা ও পৌর প্রশাসনে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন শেখ সুলতান। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন এবং শাসক দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় যুক্ত থাকার মাধ্যমে প্রশাসনিক দক্ষতা গড়ে ওঠে, যা পরবর্তীতে শারজাহ পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

পরিবার ও সমাজ উন্নয়নে নতুন কাঠামো

শারজাহ কাউন্সিল ফর ফ্যামিলি অ্যান্ড সোসাইটি গঠনের মাধ্যমে পরিবার, নারী ও শিশু উন্নয়নে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি হয়। এই কাউন্সিলের মাধ্যমে সামাজিক নীতি, সাংস্কৃতিক পরিচয় ও সম্প্রদায়ভিত্তিক উদ্যোগ আরও সংগঠিতভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

 

 

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কলকাতাজুড়ে মিশ্র জনমত, গণনার দিনে এগিয়ে বিজেপি—তবু এলাকায় এলাকায় ভিন্ন চিত্র

শারজাহর অগ্রযাত্রার পাঁচ দশক: শেখ সুলতান বিন মোহাম্মদ আল কাসিমির নেতৃত্বে উন্নয়ন ও মানবকল্যাণের গল্প

০৩:০৭:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

শারজাহ আমিরাতের শাসনভার গ্রহণের পর থেকেই টানা উন্নয়ন, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মানবকল্যাণকে কেন্দ্র করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত গড়ে তুলেছেন শাসক শেখ সুলতান বিন মোহাম্মদ আল কাসিমি। দীর্ঘ পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে তাঁর নেতৃত্বে শারজাহ পরিণত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রগতিশীল ও মানবিক আমিরাতে।

শাসনের শুরু ও উন্নয়নের দর্শন

উনিশশো বাহাত্তর সালের পঁচিশ জানুয়ারি মাত্র বত্রিশ বছর বয়সে শারজাহর শাসনভার নেন শেখ সুলতান। দায়িত্ব গ্রহণের শুরু থেকেই তিনি মানুষের জীবনমান উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে ধারাবাহিক বিনিয়োগ শারজাহকে স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ আমিরাতে রূপ দেয়।

Seven highlights from the life of Sheikh Dr Sultan, Ruler of Sharjah | The  National

মানবকল্যাণে অগ্রাধিকার

তাঁর শাসনামলে প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ও শয্যাশায়ী মানুষের কল্যাণে বিশেষ সহায়তা কার্যক্রম চালু হয়। পরিবারগুলোর সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা জোরদার করতে নেওয়া হয় নানামুখী উদ্যোগ, যাতে নাগরিকরা স্বাবলম্বীভাবে জীবন পরিচালনা করতে পারেন।

শৈশব, শিক্ষা ও আত্মপরিচয়ের বিকাশ

উনিশশো ঊনচল্লিশ সালের দুই জুলাই জন্ম নেওয়া শেখ সুলতান শৈশব থেকেই দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ গড়ে তোলেন। কোরআন শিক্ষার পাশাপাশি নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় তিনি নিজেকে গড়ে তোলেন। শারজাহ, কুয়েত ও মিসরে পড়াশোনা শেষে তিনি কৃষি বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তী সময়ে ইতিহাস ও উপসাগরীয় রাজনৈতিক ভূগোল বিষয়ে দুটি পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন, যা তাঁর শাসনদর্শনে গবেষণাভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি যুক্ত করে।

শিক্ষা ও প্রশাসনে কর্মজীবন

শাসক হওয়ার আগে শিক্ষকতা ও পৌর প্রশাসনে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন শেখ সুলতান। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন এবং শাসক দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় যুক্ত থাকার মাধ্যমে প্রশাসনিক দক্ষতা গড়ে ওঠে, যা পরবর্তীতে শারজাহ পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

পরিবার ও সমাজ উন্নয়নে নতুন কাঠামো

শারজাহ কাউন্সিল ফর ফ্যামিলি অ্যান্ড সোসাইটি গঠনের মাধ্যমে পরিবার, নারী ও শিশু উন্নয়নে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি হয়। এই কাউন্সিলের মাধ্যমে সামাজিক নীতি, সাংস্কৃতিক পরিচয় ও সম্প্রদায়ভিত্তিক উদ্যোগ আরও সংগঠিতভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে।