১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
মুরাকামির প্রত্যাবর্তন ও তাঁর সাহিত্যিক জগতের নীরব পুনর্গঠন এশিয়ায় ‘সুপার এল নিনো’ শঙ্কা: জ্বালানি সংকটের মাঝে খরা, বন্যা ও খাদ্যঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা এশিয়ার জ্বালানি সংকটে সবচেয়ে ঝুঁকিতে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা জ্বালানি সংকটে নাফথা সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ, খাদ্য ও কৃষি খাতে নিশ্চয়তা দিচ্ছে জাপান ইউরোপের নিরাপত্তা নতুন করে গড়তে হবে—পুরোনো জোটের বাইরে নতুন পথের খোঁজ রানওয়ে থেকে দৈনন্দিনে: বসন্তের ফ্যাশনে নতুন সাজের ৮ ট্রেন্ড কিড কুডির ট্যুর থেকে বাদ এমআইএ: ডালাসের মঞ্চে বিতর্কিত মন্তব্যে ক্ষুব্ধ ভক্তরা বেদোকে যক্ষ্মার তিন ক্লাস্টার: আতঙ্ক না সতর্কতা—কী বলছে পরিস্থিতি স্কুলে মোবাইল নিষিদ্ধে মিশ্র ফল: মনোযোগ বাড়লেও পরীক্ষার নম্বরে বড় পরিবর্তন নেই হরমুজ সংকটে বিশ্ববাজারে তেল ঘাটতি, যুক্তরাষ্ট্র এখন শেষ ভরসা—কিন্তু চাপ বাড়ছে ভেতরেই

দরপতনের মাঝেও ঘুরে দাঁড়াল ডিএসই, সূচক ঊর্ধ্বমুখী হলেও বেশিরভাগ শেয়ারের দাম কমেছে

দিনের শুরুতে ধস নামলেও লেনদেন শেষে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। প্রধান সূচকগুলো ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও বাজারের সামগ্রিক চিত্র ছিল নেতিবাচক, কারণ তালিকাভুক্ত অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম শেষ পর্যন্ত কমেছে।

সূচকে উত্থান, বাজারে চাপ

লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৮ পয়েন্ট বেড়েছে। শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচক ৪ পয়েন্ট এবং শীর্ষ কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএস৩০ বেড়েছে ২ পয়েন্ট। তবে সূচক বাড়লেও বাজারে বিক্রির চাপ স্পষ্ট ছিল।

দর কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির

দিনের লেনদেনে অংশ নেওয়া শেয়ারের মধ্যে ১৮৯টির দাম কমেছে। বিপরীতে ১১৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে এবং ৮৫টি প্রতিষ্ঠানের দর অপরিবর্তিত ছিল। ফলে সূচকের ঊর্ধ্বগতি বাজারের সামগ্রিক দুর্বলতা আড়াল করতে পারেনি।

লেনদেন কমে আরও নিচে

ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ নেমে এসেছে ৪৯২ কোটি টাকায়, যা আগের কার্যদিবসে ছিল ৫২৬ কোটি টাকা। এতে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

ব্লক মার্কেটের চিত্র

ব্লক মার্কেটে ২৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে প্রায় ২০ কোটি টাকার। এর মধ্যে ফাইন ফুডস লিমিটেডের শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ, প্রায় ৬ কোটি টাকা।

ডিএসইতে শীর্ষ ওঠানামা

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে দিনের শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী হিসেবে উঠে এসেছে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি, যার শেয়ার প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি দর হারিয়েছে এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, যার শেয়ার কমেছে প্রায় ৯ দশমিক ৫ শতাংশ।

চট্টগ্রাম বাজারেও একই ধারা

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও সূচক বেড়েছে। সিএসইর প্রধান সূচক ক্যাসপি ৪৩ পয়েন্ট যোগ করেছে। তবে এখানেও বাজারের চিত্র ডিএসইর মতোই ছিল।

দরপতনেই এগিয়ে সিএসই

চট্টগ্রাম বাজারে ৭৪টি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে, বেড়েছে ৬১টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩১টির। লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের ৯ কোটি টাকা থেকে কমে মাত্র ৪ কোটি টাকায় নেমে এসেছে।

সিএসইতে শীর্ষ গেইনার ও লুজার

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে আইএফএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড-১ শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী হিসেবে প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে। বিপরীতে তালু স্পিনিং মিলস লিমিটেড সর্বোচ্চ দর হারিয়ে ফ্লোরে নেমেছে, যার শেয়ার কমেছে ১০ শতাংশ।

জনপ্রিয় সংবাদ

মুরাকামির প্রত্যাবর্তন ও তাঁর সাহিত্যিক জগতের নীরব পুনর্গঠন

দরপতনের মাঝেও ঘুরে দাঁড়াল ডিএসই, সূচক ঊর্ধ্বমুখী হলেও বেশিরভাগ শেয়ারের দাম কমেছে

০৮:৫৪:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

দিনের শুরুতে ধস নামলেও লেনদেন শেষে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। প্রধান সূচকগুলো ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও বাজারের সামগ্রিক চিত্র ছিল নেতিবাচক, কারণ তালিকাভুক্ত অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম শেষ পর্যন্ত কমেছে।

সূচকে উত্থান, বাজারে চাপ

লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৮ পয়েন্ট বেড়েছে। শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচক ৪ পয়েন্ট এবং শীর্ষ কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএস৩০ বেড়েছে ২ পয়েন্ট। তবে সূচক বাড়লেও বাজারে বিক্রির চাপ স্পষ্ট ছিল।

দর কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির

দিনের লেনদেনে অংশ নেওয়া শেয়ারের মধ্যে ১৮৯টির দাম কমেছে। বিপরীতে ১১৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে এবং ৮৫টি প্রতিষ্ঠানের দর অপরিবর্তিত ছিল। ফলে সূচকের ঊর্ধ্বগতি বাজারের সামগ্রিক দুর্বলতা আড়াল করতে পারেনি।

লেনদেন কমে আরও নিচে

ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ নেমে এসেছে ৪৯২ কোটি টাকায়, যা আগের কার্যদিবসে ছিল ৫২৬ কোটি টাকা। এতে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

ব্লক মার্কেটের চিত্র

ব্লক মার্কেটে ২৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে প্রায় ২০ কোটি টাকার। এর মধ্যে ফাইন ফুডস লিমিটেডের শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ, প্রায় ৬ কোটি টাকা।

ডিএসইতে শীর্ষ ওঠানামা

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে দিনের শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী হিসেবে উঠে এসেছে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি, যার শেয়ার প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি দর হারিয়েছে এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, যার শেয়ার কমেছে প্রায় ৯ দশমিক ৫ শতাংশ।

চট্টগ্রাম বাজারেও একই ধারা

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও সূচক বেড়েছে। সিএসইর প্রধান সূচক ক্যাসপি ৪৩ পয়েন্ট যোগ করেছে। তবে এখানেও বাজারের চিত্র ডিএসইর মতোই ছিল।

দরপতনেই এগিয়ে সিএসই

চট্টগ্রাম বাজারে ৭৪টি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে, বেড়েছে ৬১টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩১টির। লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের ৯ কোটি টাকা থেকে কমে মাত্র ৪ কোটি টাকায় নেমে এসেছে।

সিএসইতে শীর্ষ গেইনার ও লুজার

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে আইএফএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড-১ শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী হিসেবে প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে। বিপরীতে তালু স্পিনিং মিলস লিমিটেড সর্বোচ্চ দর হারিয়ে ফ্লোরে নেমেছে, যার শেয়ার কমেছে ১০ শতাংশ।