বাংলাদেশের নিজ শহরের উষ্ণ আবহাওয়া ছেড়ে হাজার হাজার কিলোমিটার দূরের শীতল রাশিয়ায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীর চাকরির আশায় গিয়েছিলেন ৩১ বছর বয়সী মাকসুদুর রহমান। কিন্তু কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তিনি নিজেকে আবিষ্কার করেন ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধের সামনের সারিতে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, বাংলাদেশি শ্রমিকদের বেসামরিক কাজের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে রাশিয়ায় নেওয়া হয়েছিল। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের অনেককে জোরপূর্বক ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, এতে অস্বীকৃতি জানালে সহিংসতা, কারাবাস কিংবা মৃত্যুর হুমকি দেওয়া হয়েছে।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস তিনজন বাংলাদেশি পুরুষের সঙ্গে কথা বলেছে, যারা রুশ সেনাবাহিনী থেকে পালিয়ে আসতে পেরেছেন। তাঁদের মধ্যে মাকসুদুর রহমানও রয়েছেন। তিনি জানান, মস্কোতে পৌঁছানোর পর তাঁকে ও আরও কয়েকজন বাংলাদেশি শ্রমিককে কিছু রুশ ভাষার নথিতে স্বাক্ষর করতে বলা হয়। পরে তারা জানতে পারেন, সেগুলো আসলে সামরিক চুক্তি।
এরপর তাঁদের একটি সেনা শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে ড্রোন যুদ্ধের কৌশল, চিকিৎসা সরিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি এবং ভারী অস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে প্রাথমিক যুদ্ধ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
মাকসুদুর এ নিয়ে প্রতিবাদ জানান এবং বলেন, এটি সেই কাজ নয় যার জন্য তিনি রাজি হয়েছিলেন।
একজন রুশ কমান্ডার অনুবাদ অ্যাপের মাধ্যমে তাঁকে সরাসরি জবাব দেন, আপনার দালাল আপনাকে এখানে পাঠিয়েছে। আমরা আপনাকে কিনেছি।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















