০১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
জিএম কাদেরের অভিনন্দন বার্তা, পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে নতুন প্রত্যাশা আমিরাতে পাকিস্তানিদের গণবিতাড়ন, চাপে ইসলামাবাদ পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের সাবেক মন্ত্রী সুজিত বসু গ্রেপ্তার, বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ হামে শিশু মৃত্যু ৪০০ ছাড়াল, আতঙ্ক বাড়ছে দেশজুড়ে পদ্মা ব্যারাজে ৩৩ হাজার কোটি টাকার মহাপরিকল্পনা, বদলে যেতে পারে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি ও নদী ব্যবস্থা কক্সবাজারে হামের ভয়াবহ বিস্তার, ২০ শয্যার ওয়ার্ডে ভর্তি ৮৭ শিশু জাকারবার্গের সমর্থিত প্রতিষ্ঠানের হাতে পারকিনসন্স চিকিৎসা, নতুন আশার ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রে ডাকযোগে গর্ভপাতের ওষুধ সরবরাহে আপাতত স্থিতাবস্থা, সুপ্রিম কোর্টের নতুন সিদ্ধান্ত চীনের সস্তা গাড়ি কি ঢুকছে যুক্তরাষ্ট্রে, বদলে যেতে পারে বৈশ্বিক গাড়িবাজার কান উৎসবে এবার স্বাধীন সিনেমার দাপট, বড় স্টুডিওর অনুপস্থিতিতে জমে উঠছে পালমে দ’র লড়াই

৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা পেছাতে হাইকোর্টে রিট

৫০তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বিসিএসের প্রাথমিক পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। বুধবার সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিট দায়ের করেন পরীক্ষার্থী এনামুল হকসহ আরও তিনজন প্রার্থী।

রিটের পটভূমি
রিটকারীদের আইনজীবী নাজমুস সাকিব জানান, আগামী ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা পেছানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে আবেদনে। একই সঙ্গে পরীক্ষাটি স্থগিত রাখার আবেদন এবং এর আগে জমা দেওয়া স্মারকলিপির নিষ্পত্তি চাওয়া হয়েছে।

কারা বিবাদী
এই রিটে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান, সচিব ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বিবাদী করা হয়েছে।

স্মারকলিপি ও দাবির কারণ
গত ২০ জানুয়ারি এনামুল হকসহ একদল চাকরিপ্রার্থী সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন। সেখানে নির্বাচনকালীন সময়ে সব ধরনের সরকারি চাকরির পরীক্ষা স্থগিত রাখার দাবি জানানো হয়, যাতে পরীক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন।

রিটকারীদের বক্তব্য
স্মারকলিপির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় তারা হাইকোর্টের শরণাপন্ন হন। রিটে বলা হয়, ২১ জানুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব সরকারি চাকরির পরীক্ষা স্থগিত রাখা প্রয়োজন। এতে করে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো এবং তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

৫০তম বিসিএসের চিত্র
সরকারি কর্ম কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ৫০তম বিসিএস পরীক্ষায় মোট আবেদনকারীর সংখ্যা দুই লাখ ৯০ হাজার ৯৫১ জন। এই বিসিএসের মাধ্যমে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার মিলিয়ে মোট দুই হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ৭৫৫টি ক্যাডার পদের বড় অংশ স্বাস্থ্য ক্যাডারের জন্য বরাদ্দ, যেখানে সর্বোচ্চ ৬৫০টি পদ রয়েছে। এছাড়া প্রশাসন ক্যাডারে ২০০টি এবং পুলিশ ক্যাডারে ১১৭টি পদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জিএম কাদেরের অভিনন্দন বার্তা, পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে নতুন প্রত্যাশা

৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা পেছাতে হাইকোর্টে রিট

০৭:১৮:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

৫০তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বিসিএসের প্রাথমিক পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। বুধবার সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিট দায়ের করেন পরীক্ষার্থী এনামুল হকসহ আরও তিনজন প্রার্থী।

রিটের পটভূমি
রিটকারীদের আইনজীবী নাজমুস সাকিব জানান, আগামী ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা পেছানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে আবেদনে। একই সঙ্গে পরীক্ষাটি স্থগিত রাখার আবেদন এবং এর আগে জমা দেওয়া স্মারকলিপির নিষ্পত্তি চাওয়া হয়েছে।

কারা বিবাদী
এই রিটে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান, সচিব ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বিবাদী করা হয়েছে।

স্মারকলিপি ও দাবির কারণ
গত ২০ জানুয়ারি এনামুল হকসহ একদল চাকরিপ্রার্থী সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন। সেখানে নির্বাচনকালীন সময়ে সব ধরনের সরকারি চাকরির পরীক্ষা স্থগিত রাখার দাবি জানানো হয়, যাতে পরীক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন।

রিটকারীদের বক্তব্য
স্মারকলিপির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় তারা হাইকোর্টের শরণাপন্ন হন। রিটে বলা হয়, ২১ জানুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব সরকারি চাকরির পরীক্ষা স্থগিত রাখা প্রয়োজন। এতে করে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো এবং তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

৫০তম বিসিএসের চিত্র
সরকারি কর্ম কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ৫০তম বিসিএস পরীক্ষায় মোট আবেদনকারীর সংখ্যা দুই লাখ ৯০ হাজার ৯৫১ জন। এই বিসিএসের মাধ্যমে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার মিলিয়ে মোট দুই হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ৭৫৫টি ক্যাডার পদের বড় অংশ স্বাস্থ্য ক্যাডারের জন্য বরাদ্দ, যেখানে সর্বোচ্চ ৬৫০টি পদ রয়েছে। এছাড়া প্রশাসন ক্যাডারে ২০০টি এবং পুলিশ ক্যাডারে ১১৭টি পদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।