১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডলি পার্টন: ভালোবাসা, গান আর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক অনন্য জীবন নরওয়ের রাজা হারাল্ড পঞ্চমের মৃত্যু, শোকে ওসলো বিতর্ক পেরিয়ে নতুন উচ্চতায় র‍্যাচেল জেগলার, এবার ব্রডওয়েতে ইভা পেরন শিল্পের নতুন প্রভাবশালীদের খোঁজে টাইম, ৫০ বছর পর প্রচ্ছদে জীবিত চিত্রশিল্পী ৯/১১-এর ২৫ বছর: যে ক্ষত আজও বয়ে বেড়াচ্ছে এক প্রজন্ম নিজের ঘরেও পরবাসী: ‘কারা আমাদের মানুষ’—এই প্রশ্নের রাজনীতি ট্রাম্প-শির নৈশভোজে জাঁকজমক, আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের গভীর টানাপোড়েন ব্রিকস সম্মেলনে না যাওয়ায় লাভবান তারেক রহমান, ক্ষতি বাংলাদেশের জানুয়ারিতে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, পরীক্ষার সময় এড়িয়ে ইসির প্রস্তুতি ইতালির ব্যাংকিং খাতে নতুন শক্তি, আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান থেকে জাতীয় জায়ান্ট বিএপিইআর

৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা পেছাতে হাইকোর্টে রিট

৫০তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বিসিএসের প্রাথমিক পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। বুধবার সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিট দায়ের করেন পরীক্ষার্থী এনামুল হকসহ আরও তিনজন প্রার্থী।

রিটের পটভূমি
রিটকারীদের আইনজীবী নাজমুস সাকিব জানান, আগামী ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা পেছানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে আবেদনে। একই সঙ্গে পরীক্ষাটি স্থগিত রাখার আবেদন এবং এর আগে জমা দেওয়া স্মারকলিপির নিষ্পত্তি চাওয়া হয়েছে।

কারা বিবাদী
এই রিটে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান, সচিব ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বিবাদী করা হয়েছে।

স্মারকলিপি ও দাবির কারণ
গত ২০ জানুয়ারি এনামুল হকসহ একদল চাকরিপ্রার্থী সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন। সেখানে নির্বাচনকালীন সময়ে সব ধরনের সরকারি চাকরির পরীক্ষা স্থগিত রাখার দাবি জানানো হয়, যাতে পরীক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন।

রিটকারীদের বক্তব্য
স্মারকলিপির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় তারা হাইকোর্টের শরণাপন্ন হন। রিটে বলা হয়, ২১ জানুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব সরকারি চাকরির পরীক্ষা স্থগিত রাখা প্রয়োজন। এতে করে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো এবং তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

৫০তম বিসিএসের চিত্র
সরকারি কর্ম কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ৫০তম বিসিএস পরীক্ষায় মোট আবেদনকারীর সংখ্যা দুই লাখ ৯০ হাজার ৯৫১ জন। এই বিসিএসের মাধ্যমে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার মিলিয়ে মোট দুই হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ৭৫৫টি ক্যাডার পদের বড় অংশ স্বাস্থ্য ক্যাডারের জন্য বরাদ্দ, যেখানে সর্বোচ্চ ৬৫০টি পদ রয়েছে। এছাড়া প্রশাসন ক্যাডারে ২০০টি এবং পুলিশ ক্যাডারে ১১৭টি পদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডলি পার্টন: ভালোবাসা, গান আর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক অনন্য জীবন

৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা পেছাতে হাইকোর্টে রিট

০৭:১৮:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

৫০তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বিসিএসের প্রাথমিক পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। বুধবার সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিট দায়ের করেন পরীক্ষার্থী এনামুল হকসহ আরও তিনজন প্রার্থী।

রিটের পটভূমি
রিটকারীদের আইনজীবী নাজমুস সাকিব জানান, আগামী ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা পেছানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে আবেদনে। একই সঙ্গে পরীক্ষাটি স্থগিত রাখার আবেদন এবং এর আগে জমা দেওয়া স্মারকলিপির নিষ্পত্তি চাওয়া হয়েছে।

কারা বিবাদী
এই রিটে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান, সচিব ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বিবাদী করা হয়েছে।

স্মারকলিপি ও দাবির কারণ
গত ২০ জানুয়ারি এনামুল হকসহ একদল চাকরিপ্রার্থী সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন। সেখানে নির্বাচনকালীন সময়ে সব ধরনের সরকারি চাকরির পরীক্ষা স্থগিত রাখার দাবি জানানো হয়, যাতে পরীক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন।

রিটকারীদের বক্তব্য
স্মারকলিপির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় তারা হাইকোর্টের শরণাপন্ন হন। রিটে বলা হয়, ২১ জানুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব সরকারি চাকরির পরীক্ষা স্থগিত রাখা প্রয়োজন। এতে করে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো এবং তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

৫০তম বিসিএসের চিত্র
সরকারি কর্ম কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ৫০তম বিসিএস পরীক্ষায় মোট আবেদনকারীর সংখ্যা দুই লাখ ৯০ হাজার ৯৫১ জন। এই বিসিএসের মাধ্যমে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার মিলিয়ে মোট দুই হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ৭৫৫টি ক্যাডার পদের বড় অংশ স্বাস্থ্য ক্যাডারের জন্য বরাদ্দ, যেখানে সর্বোচ্চ ৬৫০টি পদ রয়েছে। এছাড়া প্রশাসন ক্যাডারে ২০০টি এবং পুলিশ ক্যাডারে ১১৭টি পদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।