সংগীতসম্রাজ্ঞী আশা ভোঁসলে মধ্যপ্রাচ্যে নিয়ে এলেন স্মৃতি, ঐতিহ্য আর সংস্কৃতিনির্ভর এক বিশেষ খাবারের আয়োজন। চলতি মাসের শুরুতে দুবাই ও আবুধাবিতে তিনি উপস্থিত ছিলেন ‘আশার’ রেস্তোরাঁয় ‘দ্য রয়্যাল হায়দরাবাদি টেবিল’ নামের নতুন ডাইনিং অভিজ্ঞতার উদ্বোধনে। এই আয়োজনের মূল ভাবনায় রয়েছে হায়দরাবাদের নিজস্ব রান্নার ঐতিহ্য এবং নিজামি সংস্কৃতির স্বাদ।
রান্নাঘরে স্মৃতির গল্প
এই সফরে আশা ভোঁসলে সময় কাটান রেস্তোরাঁর রন্ধনশিল্পীদের সঙ্গে। হায়দরাবাদি ও নিজামি রান্নার স্বাদ, মশলা আর রান্নার কৌশল নিয়ে হয় দীর্ঘ আলোচনা। সেই আলোচনায় বারবার উঠে আসে তাঁর জীবনের একটি স্মরণীয় অধ্যায়। উনিশ শত বাষট্টি সালে প্রথমবার হায়দরাবাদ সফরে গিয়ে এক সংগীত সফরের সময় তিনি পরিচিত হয়েছিলেন সেখানকার সমৃদ্ধ খাদ্যসংস্কৃতির সঙ্গে। সেই স্মৃতিই আজ নতুন রূপে ফিরে এসেছে খাবারের টেবিলে।

খাঁটি স্বাদের প্রতি অঙ্গীকার
দ্য রয়্যাল হায়দরাবাদি টেবিলে পরিবেশিত খাবারগুলোর মূল লক্ষ্য নতুনত্ব নয়, বরং খাঁটি স্বাদকে অটুট রাখা। মেষের হালিম, কুনাফা চিকেন, সোনালি ক্যাভিয়ারসহ হায়দরাবাদি মেষের চপ—প্রতিটি পদই প্রস্তুত করা হয়েছে ঐতিহ্য মেনে। যারা এই অভিজ্ঞতা নিয়েছেন, তারা বলেছেন স্বাদে রয়েছে পরিচিতির উষ্ণতা, যা গভীরভাবে শিকড়ে প্রোথিত।
মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে ঐতিহাসিক যোগ
হায়দরাবাদ ও মধ্যপ্রাচ্যের ঐতিহাসিক সম্পর্কের কারণে এই খাবারের স্বাদ বিশেষভাবে ছুঁয়ে যাচ্ছে উপসাগরীয় অঞ্চলের অতিথিদের। সংস্কৃতি আর ইতিহাসের এই মিলন খাবারের মাধ্যমে নতুনভাবে অনুভব করছেন অনেকে।
আরও শহরে ছড়িয়ে পড়ার পরিকল্পনা
মধ্যপ্রাচ্যে যাত্রা শুরু করার পর চলতি বছরেই এই বিশেষ ডাইনিং অভিজ্ঞতা পৌঁছাবে বার্মিংহামে। বর্তমানে দুবাই, আবুধাবি, কুয়েত, বাহরাইন ও কাতারে আশার রেস্তোরাঁয় পাওয়া যাচ্ছে দ্য রয়্যাল হায়দরাবাদি টেবিল।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















